• 40th-bcs-preliminary-questions
    • 46th BCS
    • bangla-blogs
    • BCS Question Bank
    • Elementor #1295
    • Elementor #8
    • English Blogs
    • Home
    • Privacy Policy
    • Quiz Game
    • Test Page
bcs questions

43rd BCS

November 24, 2025

English Language and Literature

১. Who is not an Irish writer?

ক) Oscar Wilde

খ) James Joyce

গ) Jonathan Swift

ঘ) D. H. Lawrence

উত্তর: ঘ) D. H. Lawrence

ব্যাখ্যা: Oscar Wilde, James Joyce এবং Jonathan Swift—তিনজনই বিখ্যাত আইরিশ (Irish) লেখক। D. H. Lawrence ইংরেজ (English) ঔপন্যাসিক ও কবি; তিনি আয়ারল্যান্ডের নন, তাই তিনিই not an Irish writer.

২. The phrase ‘dog days’ means-

ক) hot weather

খ) cold shower

গ) rain-soaked streets

ঘ) ice storm

উত্তর: ক) hot weather

ব্যাখ্যা: ‘dog days’ বলতে সাধারণত বছরের সবচেয়ে গরম সময়, তীব্র গ্রীষ্ম বা প্রচণ্ড গরমের দিনগুলোকে বোঝায়। cold shower, rain-soaked streets বা ice storm—কোনোটিই এই idiom-এর অর্থ নয়।

৩. Which gender is the word ‘orphan’?

ক) neuter

খ) feminine

গ) common

ঘ) masculine

উত্তর: গ) common

ব্যাখ্যা: ‘orphan’ শব্দটি ছেলে বা মেয়ে উভয়ের জন্যই ব্যবহার করা যায়; অর্থাৎ এটি gender-specific নয়। তাই এটি common gender noun—neuter, masculine বা feminine একক কোনো gender বোঝায় না।

৪. What is the noun form of the word ‘laugh’?

ক) laughing

খ) laughable

গ) laughter

ঘ) laughingly

উত্তর: গ) laughter

ব্যাখ্যা: laugh ক্রিয়ার abstract noun হলো ‘laughter’, যার অর্থ হাসি বা হাসির ধ্বনি। laughing হলো present participle/participle form, laughable adjective এবং laughingly adverb; এগুলো noun form নয়।

৫. Identify the word which is spelt incorrectly:

ক) fluctuation

খ) remission

গ) occasion

ঘ) decision

উত্তর: — (কোনো নির্দিষ্ট অপশন নয়)

ব্যাখ্যা: fluctuation, remission, occasion এবং decision – চারটি শব্দের বানানই আসলে সঠিক। তাই ‘spelt incorrectly’ শর্ত পূরণ করে এমন কোনো অপশন এখানে নেই; প্রশ্নটি ত্রুটিপূর্ণ। 

৬. Who is the author of ‘Jane Eyre’?

ক) Charlotte Bronte

খ) Emily Bronte

গ) Jane Austen

ঘ) Mary Shelley

উত্তর: ক) Charlotte Bronte

ব্যাখ্যা: ‘Jane Eyre’ হলো Charlotte Bronte রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। Emily Bronte লিখেছেন ‘Wuthering Heights’, Jane Austen লিখেছেন ‘Pride and Prejudice’ ইত্যাদি এবং Mary Shelley লিখেছেন ‘Frankenstein’। 

৭. Which of the following novels is not written by an English writer?

ক) A Passage to India

খ) Sons and Lovers

গ) Once Hundred Years of Solitude

ঘ) Pride and Prejudice

উত্তর: গ) Once Hundred Years of Solitude

ব্যাখ্যা: ‘One Hundred Years of Solitude’ (এখানে Once লেখা হলেও মূল নাম One) উপন্যাসটি কলম্বিয়ান লেখক Gabriel García Márquez-এর রচনা; তিনি ইংরেজ নন। অন্য তিনটি—A Passage to India (E. M. Forster), Sons and Lovers (D. H. Lawrence) এবং Pride and Prejudice (Jane Austen)—সবই ইংরেজ লেখকদের উপন্যাস। 

৮. A speech full of too many words is-

ক) a big speech

খ) maiden speech

গ) a verbose speech

ঘ) an unimportant speech

উত্তর: গ) a verbose speech

ব্যাখ্যা: verbose মানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি শব্দ ব্যবহার করা বা wordy হওয়া। তাই অতিরিক্ত শব্দে ভরা বক্তব্যকে verbose speech বলা হয়। big speech শুধু আকার বা গুরুত্ব বোঝাতে পারে, maiden speech প্রথম ভাষণ বোঝায় এবং unimportant speech গুরুত্বহীনতা বোঝায়; এগুলো ‘too many words’ ধারণা দেয় না।

৯. Change the voice: ‘Nobody trusts a traitor.’

ক) A traitor is trusted.

খ) A traitor should not be trusted.

গ) Everybody hates a traitor.

ঘ) A traitor is not trusted by anybody.

উত্তর: ঘ) A traitor is not trusted by anybody.

ব্যাখ্যা: মূল বাক্য Nobody trusts a traitor – এখানে subject ‘nobody’, verb ‘trusts’ এবং object ‘a traitor’। Passive করতে object-কে subject করে এবং ‘by nobody’ বা তার সমার্থক নেগেটিভ রূপ ব্যবহার করা হয়। তাই A traitor is not trusted by anybody বাক্যটি সঠিক passive অর্থ প্রকাশ করে। 

১০. Who wrote the play ‘The Way of the World’?

ক) William Shakespeare

খ) William Congreve

গ) Ben Jonson

ঘ) Oscar Wilde

উত্তর: খ) William Congreve

ব্যাখ্যা: ‘The Way of the World’ হলো Restoration যুগের নাট্যকার William Congreve রচিত একটি বিখ্যাত comedy of manners। Shakespeare, Ben Jonson বা Oscar Wilde কারও লেখা নয় এটি। 

১১. ‘A herd—of cattle is passing’ The underlined word is a/an-

ক) adverb

খ) adjective

গ) collective noun

ঘ) abstract noun

উত্তর: গ) collective noun

ব্যাখ্যা: herd শব্দটি একদল গরু বা পশুকে একত্রে বোঝায়; এটি কোনো একক প্রাণী নয়, বরং অনেকগুলো মিলিয়ে একটি দলকে নির্দেশ করে। তাই এটি collective noun, adverb, adjective বা abstract noun নয়। 

১২. What is the antonym for the word ‘deformation’?

ক) distortion

খ) contortion

গ) wholeness

ঘ) disfigurement

উত্তর: গ) wholeness

ব্যাখ্যা: deformation মানে বিকৃতি, বিকলাঙ্গতা বা প্রকৃতি নষ্ট হওয়া; এর বিপরীত ধারণা হলো অখণ্ডতা বা সম্পূর্ণতা, যা wholeness শব্দ দ্বারা প্রকাশিত হয়। distortion, contortion এবং disfigurement – সবগুলোই বিকৃতি বোঝায়, তাই এগুলো synonym-সদৃশ, antonym নয়।

১৩. Words inscribed on a tomb is an-

ক) epitome

খ) epithet

গ) episode

ঘ) epitaph

উত্তর: ঘ) epitaph

ব্যাখ্যা: সমাধিফলকে মৃত ব্যক্তির স্মৃতিতে যে শব্দ বা বাক্য লেখা হয় তাকে epitaph বলা হয়। epitome মানে সংক্ষিপ্তসার, epithet বিশেষণসূচক উপাধি এবং episode কোনো ঘটনা বা পর্বকে বোঝায়। 

১৪. “Better to reign in Hell, than serve in Heav’n.” Who wrote this?

ক) Geoffrey Chaucer

খ) Christopher Marlowe

গ) John Milton

ঘ) P. B. Shelley

উত্তর: গ) John Milton

ব্যাখ্যা: “Better to reign in Hell, than serve in Heav’n” লাইনটি John Milton-এর মহাকাব্য Paradise Lost থেকে নেওয়া, যা Satan-এর মুখে বলা উক্তি। Chaucer, Marlowe বা Shelley – কেউই এই লাইনটির রচয়িতা নন। 

১৫. Who is not a modern poet?

ক) W. B. Yeats

খ) W. H. Auden

গ) John Keats

ঘ) T. S. Eliot

উত্তর: গ) John Keats

ব্যাখ্যা: W. B. Yeats, W. H. Auden এবং T. S. Eliot – সবাই আধুনিক যুগের বা modern English poetry-র গুরুত্বপূর্ণ কবি। John Keats Romantic Age-এর কবি; তাই তিনিই modern poet নন। 

১৬. O’Henry was from-

ক) Canada

খ) America

গ) England

ঘ) Ireland

উত্তর: খ) America

ব্যাখ্যা: O. Henry (আসল নাম William Sydney Porter) ছিলেন একজন আমেরিকান short story লেখক। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের North Carolina-তে জন্মগ্রহণ করেন; Canada, England বা Ireland – কোনো দেশ থেকেই তিনি নন।

১৭. Where is the setting of the play ‘Hamlet’?

ক) England

খ) Italy

গ) France

ঘ) Denmark

উত্তর: ঘ) Denmark

ব্যাখ্যা: Shakespeare-এর ট্র্যাজেডি ‘Hamlet’-এর ঘটনাপ্রবাহ মূলত ডেনমার্কের এলসিনোর (Elsinore) প্রাসাদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে; ইংল্যান্ড, ইতালি বা ফ্রান্সে নয়। 

১৮. What is the adjective form of the word ‘people’?

ক) populous

খ) popular

গ) popularity

ঘ) popularize

উত্তর: ক) populous

ব্যাখ্যা: populous মানে জনবহুল বা অনেক মানুষের বাস রয়েছে এমন; এটি adjective। popular (জনপ্রিয়) অন্য অর্থের adjective, popularity হলো noun এবং popularize হলো verb; তাই people শব্দের সঙ্গে সরাসরি জনসংখ্যা-সংক্রান্ত adjective হিসেবে populous-ই সঠিক। 

১৯. ‘He contemplated marrying his cousin.’ Here ‘marrying’ is a/an-

ক) present participle

খ) gerund

গ) verb

ঘ) infinitive

উত্তর: খ) gerund

ব্যাখ্যা: বাক্যে ‘marrying’ শব্দটি contemplated ক্রিয়ার object হিসেবে কাজ করছে—অর্থাৎ noun-এর কাজ করছে। verb + -ing যখন noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে gerund বলা হয়। present participle হলে এটি adjective বা continuous tense-এর অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। 

২০. ‘No Second Troy’ is a-

ক) short story

খ) novel

গ) poem

ঘ) drama

উত্তর: গ) poem

ব্যাখ্যা: ‘No Second Troy’ হলো W. B. Yeats রচিত একটি বিখ্যাত lyric poem। এটি কোনো short story, novel বা নাটক নয়।

২১. The word ‘to genuflect’ means-

ক) to be genuine

খ) to reflect

গ) to bend the knee

ঘ) to be flexible

উত্তর: গ) to bend the knee

ব্যাখ্যা: to genuflect মানে হাঁটু গেড়ে বসা বা শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্য হাঁটু নত করা, বিশেষ করে ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক প্রেক্ষাপটে। genuine হওয়া, চিন্তায় reflect করা বা flexible হওয়া—এসব অর্থের সাথে genuflect-এর কোনো সম্পর্ক নেই। 

২২. Who is the author of the novel ‘The God of Small Things’?

ক) Thomas Hardy

খ) Jhumpa Lahiri

গ) R. K. Narayan

ঘ) Arundhati Roy

উত্তর: ঘ) Arundhati Roy

ব্যাখ্যা: ‘The God of Small Things’ হলো ভারতীয় লেখিকা Arundhati Roy-এর প্রথম উপন্যাস, যার জন্য তিনি Booker Prize অর্জন করেন। Thomas Hardy ইংরেজ ঔপন্যাসিক, Jhumpa Lahiri ও R. K. Narayan অন্য বিখ্যাত ভারতীয় বংশোদ্ভূত লেখক হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। 

২৩. ‘Moby Dick’ a novel, was written by-

ক) Herman Melville

খ) Nathaniel Hawthorne

গ) Mark Twain

ঘ) William Faulkner

উত্তর: ক) Herman Melville

ব্যাখ্যা: ‘Moby Dick’ (পূর্ণ নাম *Moby-Dick; or, The Whale*) হলো আমেরিকান লেখক Herman Melville রচিত বিখ্যাত সাগর-উপন্যাস, যেখানে ক্যাপ্টেন Ahab-এর সাদা তিমি শিকারের গল্প বলা হয়েছে। Hawthorne, Mark Twain বা William Faulkner – কেউই এই উপন্যাসের লেখক নন। 

২৪. “If Winter comes, can Spring be far behind?” Who wrote this?

ক) William Blake

খ) S. T. Coleridge

গ) Lord Byron

ঘ) P. B. Shelley

উত্তর: ঘ) P. B. Shelley

ব্যাখ্যা: “If Winter comes, can Spring be far behind?” লাইনটি P. B. Shelley-র বিখ্যাত কবিতা “Ode to the West Wind” থেকে নেওয়া, যেখানে তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে কঠিন সময়ের পরেই নতুন আশা ও নবজাগরণ (Spring) আসবে। Blake, Coleridge বা Byron – কারও কবিতায় এই পঙ্‌ক্তি নেই।

২৫. Fill in the blank: ‘She went to New Market ––’

ক) on foot

খ) on feet

গ) by foot

ঘ) by walking

উত্তর: ক) on foot

ব্যাখ্যা: ইংরেজিতে হাঁটা বা পায়ে হেঁটে যাওয়া বোঝাতে নির্দিষ্ট phrase হলো on foot; on feet বা by foot স্বাভাবিক ব্যবহার নয়, আর by walking-ও প্রচলিত collocation নয়। 

২৬. Fill in the gap: Birds fly ____ in the sky.

ক) random

খ) at large

গ) at a stitch

ঘ) are long

উত্তর: খ) at large

ব্যাখ্যা: at large phrase-এর অর্থ হলো freely বা স্বাধীনভাবে। Birds fly at large in the sky বলতে পাখিরা আকাশে মুক্তভাবে উড়ে বেড়ায়—এই ধারণা বোঝানো হয়েছে। অন্য অপশনগুলো ব্যাকরণগত বা অর্থগতভাবে সঠিক নয়। 

২৭. Who is the poet of the poem ‘Ozymandias’?

ক) P. B. Shelley

খ) William Wordsworth

গ) S. T. Coleridge

ঘ) John Keats

উত্তর: ক) P. B. Shelley

ব্যাখ্যা: ‘Ozymandias’ একটি সনেট, যার রচয়িতা Percy Bysshe Shelley (P. B. Shelley)। Wordsworth, Coleridge ও Keats – এঁরাও Romantic কবি হলেও এই বিশেষ কবিতার রচয়িতা নন। 

২৮. The most famous romantic poet of English Literature is-

ক) John Dryden

খ) Alexander Pope

গ) William Wordsworth

ঘ) T. S. Eliot

উত্তর: গ) William Wordsworth

ব্যাখ্যা: William Wordsworth-কে English Romantic Movement-এর অন্যতম প্রধান ও সবচেয়ে বিখ্যাত কবি ধরা হয়; তাঁর কবিতায় প্রকৃতি ও মানবমনের অনুভূতি গভীরভাবে উঠে এসেছে। Dryden ও Pope ক্লাসিক / নব্য-ক্লাসিক যুগের কবি, আর T. S. Eliot আধুনিকতাবাদী কবি; তাঁরা Romantic যুগের প্রতিনিধি নন।

২৯. Identify the correct synonym for the word ‘magnanimous’.

ক) unkind

খ) generous

গ) revengeful

ঘ) friendly

উত্তর: খ) generous

ব্যাখ্যা: magnanimous মানে উদারচিত্ত, ক্ষমাশীল বা খুব উদার – অর্থাৎ generous। unkind, revengeful বা শুধু friendly শব্দগুলো magnanimous-এর পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। 

৩০. Choose the right form of verb: It is high time we (act) on the matter.

ক) are acting

খ) acted

গ) have acted

ঘ) could act

উত্তর: খ) acted

ব্যাখ্যা: It is high time-এর পর সাধারণত past tense form ব্যবহার করা হয়, কিন্তু অর্থে তা present বা near future বোঝায় – যেন “এখনই কাজ করা উচিত ছিল/উচিত”। তাই acted সঠিক; are acting, have acted বা could act প্রথাগত গঠনের সঙ্গে মিলছে না। 

৩১. ___ was both a poet and a painter.

ক) John Keats

খ) Spenser

গ) William Blake

ঘ) John Donne

উত্তর: গ) William Blake

ব্যাখ্যা: William Blake ছিলেন একজন ইংরেজ কবি ও চিত্রশিল্পী – অর্থাৎ তিনি একই সাথে poet এবং painter। John Keats, Spenser বা John Donne কবি হলেও তাঁদের চিত্রশিল্পী হিসেবে এভাবে পরিচিতি নেই। 

৩২. Identify the correct sentence:

ক) The girl burst out tears.

খ) The girl burst into tears.

গ) The girl burst with tears.

ঘ) The girl bursted out tears.

উত্তর: খ) The girl burst into tears.

ব্যাখ্যা: সঠিক ইংরেজি idiomatic expression হলো burst into tears, যার অর্থ হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়া। burst-এর past form একই থাকে (burst), bursted নয়; আর burst out tears বা burst with tears – এগুলো স্বাভাবিক collocation নয়।

৩৩. The phrase ‘sine die’ means-

ক) half-heartedly

খ) doubtfully

গ) fixed

ঘ) uncertain

উত্তর: ঘ) uncertain

ব্যাখ্যা: sine die ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ “without a day fixed” অর্থাৎ নির্দিষ্ট কোনো দিন ধার্য না করে স্থগিত রাখা বা অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি রাখা। তাই এর অর্থ অনিশ্চিত (uncertain) বা indefinitely; half-heartedly, doubtfully বা fixed অর্থ প্রকাশ করে না। 

৩৪. What kind of play is ‘Julius Caesar’?

ক) romantic

খ) anti-romantic

গ) comedy

ঘ) historical

উত্তর: ঘ) historical

ব্যাখ্যা: Shakespeare-এর ‘Julius Caesar’ একটি Roman history বা historical play, যেখানে রোমের রাজনৈতিক ইতিহাস ও ষড়যন্ত্রের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। এটি romantic বা anti-romantic নাটক নয়, আবার pure comedy-ও নয়। 

৩৫. Do you have any money ___ you? Fill in the blank with appropriate preposition:

ক) to

খ) over

গ) in

ঘ) on

উত্তর: ঘ) on

ব্যাখ্যা: ইংরেজি collocation অনুযায়ী কারও সাথে তার গায়ে বা পকেটে টাকা থাকা বোঝাতে on ব্যবহার হয়: Do you have any money on you? অন্য প্রিপজিশনগুলো (to, over, in) এ প্রসঙ্গে স্বাভাবিক নয়।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য

৩৬) কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?
ক) চল্
খ) কর্
গ) বেতার
ঘ) পড়ু

সঠিক উত্তরঃ গ) বেতার
ব্যাখ্যা :
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক অব্যয়ের পর ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যে সব ধাতু গঠিত হয়, সেগুলোকে নামধাতু বলা হয়।
যেমন –
– সে ঘুমায়। এখানে, ‘ঘুম্’ থেকে নাম ধাতু ‘ঘুমা’।
– রাসেল ধমকায়। এখানে ‘ধমক্’ থেকে নাম ধাতু ‘ধমকা’।
তেমনিভাবে, অপশন ‘বেতার’ একটি নাম ধাতু। ‘বেত্’ এর সাথে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘বেতা’ নামধাতু গঠিত হয়েছে (উচ্চারণগত/রূপগত বিকৃতিতে ‘বেতার’ রূপটি চলিত ব্যবহারে এসেছে)।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০১৯ সংস্করণ)।

৩৭) ‘গরিলকা বাহা’ বাগধারায় ‘গরিল’ শব্দের অর্থ কী?
ক) ঘোড়া
খ) ভেড়া
গ) গরু
ঘ) ভাসা

সঠিক উত্তরঃ খ) ভেড়া
ব্যাখ্যা :
গরিল, গরু (বিশেষ্য):
১. ভেড়া, ২. গাড়ল
{গাড়ল > (তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ) গরিল, গরু (র = ল) (অব archaic সংস্কৃত শব্দ)}
‘গরিলকা বাহা’ (বিশেষ্য):
১. ভেড়ার পালের মতো একের অনেকে অনুসরণ;
২. ভালো-মন্দ না বুঝে অন্ধের ন্যায় অনুসরণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

৩৮) ‘তাতে সমাজজীবন চলে না।‘ – এ বাক্যটির অব্যয়বাচক রূপ কোনটি?
ক) তাতে সমাজজীবন চলে।
খ) তাতে না সমাজজীবন চলে।
গ) তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।
ঘ) তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে।

সঠিক উত্তরঃ গ) তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।
ব্যাখ্যা :
মূলভাব বা অর্থ অপরিবর্তিত রেখে এক শ্রেণীর বাক্যকে অন্য শ্রেণীর বাক্যে রূপান্তর করার নামই হলো বাক্য রূপান্তর।

নেতিবাচক বাক্য থেকে অব্যয়বাচক বাক্যে রূপান্তরঃ

সূত্র ১:
বাক্য পরিবর্তিত হলেও মূল অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।
যেমন –
নেতিবাচক: সেটা কখনই সফল হতে পারে না।
অব্যয়বাচক: সেটা সবসময় অসফল হয়।

সূত্র ২:
‘না’, ‘নয়’, ‘নি’, ‘নেই’, ‘নহে’ ইত্যাদি নঞর্থক পদ তুলে দিয়ে শব্দ পরিবর্তন ঘটিয়ে হ্যাঁ-বাচক ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়।
যেমন –
নেতিবাচক: কোথাও শান্তি ছিল না।
অব্যয়বাচক: সর্বত্র অশান্তি ছিল।

সূত্র ৩:
প্রয়োজনমতো নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অব্যয়বাচক শব্দ দ্বারা অব্যয়বাচকে রূপান্তর করা হয়।
যেমন –
নেতিবাচক: শহীদের মৃত্যু নেই।
অব্যয়বাচক: শহীদরা অমর।

তেমনি –
নেতিবাচক: তাতে সমাজজীবন চলে না।
অব্যয়বাচক: তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৩৯) “তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার / জন্মে জন্মে যুগে যুগে অনিবার।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ?
ক) ‘অনন্ত প্রেম’
খ) ‘উপহার’
গ) ‘ব্যর্থ প্রেম’
ঘ) ‘শেষ উপহার’

সঠিক উত্তরঃ ক) ‘অনন্ত প্রেম’
ব্যাখ্যা :
অনন্ত প্রেম – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি
শত রূপে শত বার
জন্মে জন্মে যুগে যুগে অনিবার।
চিরকাল ধরে আমার মুক্ত হৃদয়
গাঁথিয়াছে গীতহার—
কত রূপ ধরিয়া পড়েছে গলায়,
নিয়েছে সে উপহার
জন্মে জন্মে যুগে যুগে অনিবার।”

উল্লেখ্য, ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
‘মানসী’ (১৮৯০) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ণায়ত যৌবনের শিল্পপরীক্ষার কাব্য।
এই কাব্যে বিভিন্ন কবিতায় তাঁর কবিজীবনের পরবর্তী সম্ভাবনা ও বৈশিষ্ট্যগুলো আংশিকভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
প্রেম, যৌবন, সৌন্দর্য বিষয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ ধারণাগুলো এখানেই ধীরে ধীরে পরিণতি লাভ করে।
রবীন্দ্রনাথের প্রেমচেতনার মধ্যে বিচ্ছেদ ও নেতিবাচকতার চেয়ে বরং প্রেমগত সংযোগময়তার সাধনাই বেশি অভিব্যক্ত।

উৎস: ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

৪০) হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী?
ক) পণ্ডিত
খ) বিদ্যাসাগর
গ) শাস্ত্রজ্ঞ
ঘ) মহামহোপাধ্যায়

সঠিক উত্তরঃ ঘ) মহামহোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা :
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্য–ইতিহাসে এক স্মরণীয় নাম।
তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, বহুভাষাবিদ, দার্শনিক, পণ্ডিত, পাণ্ডিত্যবিশারদ ও ঐতিহাসিক।
তাঁর উপাধি ছিল – মহামহোপাধ্যায়। ১৮৯৮ সালে তাঁকে এই উপাধি প্রদান করা হয়।
তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে বাংলা সাহিত্যের আদিকালীন রচনা ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ থেকে তাঁর সম্পাদনায় ‘হাজার বছরের পুরানো বাঙলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে চর্যাপদ প্রকাশিত হয়।

তাঁর লিখিত উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মঃ
– ‘বেণের মেয়ে’ (উপন্যাস)
– ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’-এর নানা প্রবন্ধ
– ‘মেঘদূত’ অনুবাদ
– ‘প্রাচীন বাংলার গৌরব’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌম্যশেখর; বাংলাপিডিয়া।

৪১) ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?
ক) ‘তেইশ নম্বর টেলিচালিত’
খ) ‘ক্ষুধা ও আশা’
গ) ‘কর্ণফুলী’
ঘ) ‘ধানকন্যা’

সঠিক উত্তরঃ গ) ‘কর্ণফুলী’
ব্যাখ্যা :
আলাউদ্দিন আল আজাদ –
বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকে সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব। নগরজীবনের কৃত্রিমতা, রাজনৈতিক সংঘাত, শোষণ, নির্যাতন, বিভ্রান্তি – এসবই তাঁর কথাসাহিত্যের বিষয়বস্তু।
তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘কর্ণফুলী’।
– উপন্যাসটির প্রকাশকাল – ১৯৬২ সাল।
– এই উপন্যাসে বিশেষ অঞ্চলভিত্তিক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাপনের বর্ণনা রয়েছে।

কাহিনি সংক্ষেপঃ
‘কর্ণফুলী’ পাহাড়–সমুদ্রবেষ্টিত এক বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
আদিবাসী (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী) রাঙামালা, চাকমা যুবক দেবানপুর (দেওয়ানপুর), বাঙালি ইসমাইল, জিল, রমজান প্রমুখের জীবন ও ভালোবাসা–সংগ্রাম এখানে চিত্রিত।
ইসমাইল চরাকার–ব্যবসায়ী, উদ্দাম, ভোগপ্রবণ; সে আদিবাসী তরুণী রাঙামালার প্রতি আকৃষ্ট হয়।
লেখকের অন্যান্য উপন্যাসঃ
– ‘তেইশ নম্বর টেলিচালিত’ (১৯৬০)
– ‘শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন’ (১৯৬২)
– ‘ক্ষুধা ও আশা’ (১৯৬৪)
– ‘খসড়া কাগজ’ (১৯৮৬)
– ‘বহিশালা’ (১৯৯২)
– ‘বিশৃঙ্খলা’ (১৯৯৭)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌম্যশেখর।

৪২) ‘নীল লোহিত‘ কোন লেখকের ছদ্মনাম?
ক) অরুণ মিত্র
খ) সমরেশ বসু
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সমরেশ মজুমদার

সঠিক উত্তরঃ গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা :
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেশ কয়েকটি ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছিলেন। যেমন –
– নীল লোহিত
– নীল উপাধ্যায়
– সনাতন পাঠক

অন্যান্য লেখকের কিছু ছদ্মনামঃ
– সমরেশ বসু = কালকূট
– স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ (বাংলা ক্ষেত্রে উদাহরণ: স্যামোচার্লস সমতুল্য নেই, মূল লেখায় ছিল ‘সামেন চট্ট’, কিন্তু আমরা প্রসঙ্গ অনুযায়ী রাখছি না)
– বিমল ঘোষ = মৌমাছি
– বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় = যাযাবর
– সতীনাথ ভাদুড়ী = চিন্তামণি (চিঙ্গুরা)
– বিমল মিত্র = জাবালী
– কালিকানন্দ = অবধূত
– সৈয়দ মুজতবা আলী = দেশবিদেশে ‘দ্ব্যর্থবোধক’ নানা নামে লেখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌম্যশেখর।

৪৩) বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?
ক) কণ্ঠযন্ত্র
খ) ফুসফুস
গ) দাঁত
ঘ) উপরের সবকটি

সঠিক উত্তরঃ ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা :
বাগযন্ত্র: ধ্বনি উৎপন্ন করতে যে সব অঙ্গ কাজ লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগযন্ত্র বলে।
মানবদেহের উপরের ভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি অঙ্গই বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।

বাগযন্ত্রের অংশসমূহঃ
১. ফুসফুস
২. শ্বাসনালী
৩. কণ্ঠযন্ত্র
৪. জিহ্বা
৫. আলিজিহ্বা
৬. তালু
৭. মূর্ধা
৮. দন্তমূল ও দন্ত
৯. ওষ্ঠ
১০. নাসিকা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০২১ সংস্করণ)।

৪৪) রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন?
ক) করণ কারক
খ) সম্পদান কারক
গ) অপাদান কারক
ঘ) অধিকরণ কারক

সঠিক উত্তরঃ খ) সম্পদান কারক
ব্যাখ্যা :
বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
প্রথাগতভাবে কারককে ৬ প্রকার বলা হত –
১) কর্তৃকারক
২) কর্মকারক
৩) করণ কারক
৪) অপাদান কারক
৫) সম্পদান কারক
৬) অধিকরণ কারক

কিন্তু মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণের সাম্প্রতিক (২০২১) সংস্করণে সম্পদান কারক বাদ দেওয়া হয়েছে।
নতুন মতে কারক – ৬ প্রকার:
১) কর্তৃকারক
২) কর্মকারক
৩) করণ কারক
৪) অপাদান কারক
৫) অধিকরণ কারক
৬) সম্বন্ধ কারক

ড. হায়াৎ মামুদ তাঁর ‘ভাষা শিক্ষা’ বইয়ে ‘নিমিত্ত কারক’ নামে আরেকটি কারকের কথাও উল্লেখ করেছেন।
মাধ্যমিক ব্যাকরণ, হায়াৎ মামুদসহ অনেক বইয়ে সম্পদান কারককে আর আলাদা করে ধরা হয় না; কারণ সম্পদান কারকের তাত্ত্বিক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ।
বাংলায় সম্পদান কারকের প্রয়োজন নেই – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেকে এ মত প্রকাশ করেছেন।
নবম–দশম শ্রেণির ব্যাকরণ (২০২১) অনুসারে, সম্পদান কারককে কখনো কর্মকারকের মধ্যে এবং কখনো সম্বন্ধ কারকের মাধ্যমে ধরা হয়েছে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০২১); ভাষা শিক্ষা – ড. হায়াৎ মামুদ।

৪৫) কেণ্টামের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?
ক) হিত্তি ও তুখারিক
খ) তামিল ও চাপড়ি
গ) আর্য ও অনার্য
ঘ) মাগধী ও গৌড়ী

সঠিক উত্তরঃ ক) হিত্তি ও তুখারিক
ব্যাখ্যা :
ইন্দো–ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর প্রাচীন শাখা ৯টি (আধুনিক গবেষকদের মতে কখনো ১০টিও ধরা হয়)।
ভাষাতত্ত্ববিদ অস্কার বেদে (এখানে মূল লেখায় ‘আসেকাল’ বলা হলেও মূলত অস্কার শ্রাইখ/বেদে প্রমুখরা) ইন্দো–ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর ভাষাগুলোকে উচ্চারণ–ভিত্তিকভাবে দু’ভাগে ভাগ করেছেনঃ
– কেণ্টাম (Centum)
– সতম (Satəm)

কেণ্টাম ও সতম বিভাজন মূলত ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণগত বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে।
এই বিভাজনের ফলে ইন্দো–ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর ভিতর ভৌগোলিক ভিত্তিতেও একটি আনুমানিক বিভাজন দাঁড়ায় – কেণ্টাম ভাষাগুলো মূলত পশ্চিমে এবং সতম ভাষাগুলো পূর্বদিকে।

তুখারিক (Tocharian) ও হিত্তি (Hittite) – এই দুটি কেণ্টাম শাখার ভাষা, যা এশিয়ার অন্তর্গত।
হিত্তি ভাষা প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে এশিয়া মাইনরে প্রচলিত ছিল। তুখারিক ভাষা মধ্য এশিয়ায় খ্রিস্টীয় প্রথম সহস্রাব্দের মাঝামাঝি পর্যন্ত জীবিত ছিল।

উৎস: ‘ইন্দো–ইউরোপীয় থেকে বাংলা’ (বাংলা ভাষার ইতিহাস) – রেজাউল ইসলাম।

৪৬) ‘রুেখর তেঁতুল কুমিরের খায়‘ – এর অর্থ কী?
ক) তেজি কুমিরকে রুখে দেয়
খ) বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
গ) গাছের তেঁতুল কুমির খায়
ঘ) ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়

সঠিক উত্তরঃ গ) গাছের তেঁতুল কুমির খায়
ব্যাখ্যা :
চর্যার ২ নম্বর পদটির রচয়িতা কাহ্না পা।
পদটি হলোঃ

“দুলই দুধি পিটা ধরন ন যাই।
রুেখর তেঁতুলি কুমিরে খাঅ।।“

অর্থাৎ –
“মাদী গাভীকে দোহন করে দুধ পেতে রাখা যায় না। গাছের তেঁতুল কুমিরই খায়।”

অতএব, ‘রুেখর তেঁতুল কুমিরের খায়’ – এর অর্থঃ গাছের তেঁতুল কুমির খায় – অর্থাৎ যার জন্য কিছু, সে–ই তা পায়/ভোগ করে – এই তাৎপর্যও এখানে নিহিত।

উৎস: বাংলাবাজার আর্কাইভ; চর্যাপদ সম্পাদিত গ্রন্থাবলি।

৪৭) কত সালে ‘দুর্গেশনন্দিনী‘ উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?
ক) ১৮৬০
খ) ১৮৬১
গ) ১৮৬৫
ঘ) ১৮৬৭

সঠিক উত্তরঃ গ) ১৮৬৫
ব্যাখ্যা :
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–১৮৯৪) আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে স্বীকৃত।
১৮৬৫ সালে প্রকাশিত ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা বঙ্কিমেরও প্রথম উপন্যাস।
উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র – বীরেন্দ্র সিংহ, ওসমান, জগত্ সিংহ, তিলোত্তমা, আয়েশা, বিমলা প্রমুখ।
নারী চরিত্রের মধ্যে তিলোত্তমা বিশেষভাবে স্মরণীয়।

বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসঃ
– Rajmohan’s Wife (ইংরেজি)
– কপালকুণ্ডলা
– চন্দ্রশেখর
– মৃণালিনী
– যুগলাঙ্গুরীয়
– কৃশ্নকান্তের উইল
– সীতারাম
– রজনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌম্যশেখর; বাংলাপিডিয়া।

৪৮) বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের নাম কী?
ক) বেগম রোকেয়া
খ) কাদম্বিনী দেবী
গ) স্বর্ণকুমারী দেবী
ঘ) নূরজাহান ফয়েজা হোসেন

সঠিক উত্তরঃ গ) স্বর্ণকুমারী দেবী
ব্যাখ্যা :
স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক।
তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকোতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোন।
তিনি ১৮৭২ সালে প্রকাশিত ‘ভারতী’ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসঃ
– ‘দীপ নির্বাণ’
– ‘মেবার রাজ’
– ‘মালতী’
– ‘বিবাহ’
– ‘বিচিত্রা’
– ‘বহুবাণী’
– ‘মিলনরাত্রি’ ইত্যাদি।

বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ–রচনার জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘জগদীশ্বরী পদক’ লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌম্যশেখর।

৪৯) ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?
ক) মওলানা ভাসানী
খ) আবুল ফজল
গ) শহীদুল্লাহ কায়সার
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান

সঠিক উত্তরঃ ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা :
“আমার দেখা নয়াচীন” জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের উপর লেখা গ্রন্থ।
এটি তাঁর প্রকাশিত তৃতীয় গ্রন্থ।
২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি–অক্টোবর মাসে বিশ্বশান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি নয়া চীন সফর করেন।
তাঁর ওই সফরের অভিজ্ঞতাই এই গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: ‘আমার দেখা নয়াচীন’ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

৫০) মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী?
ক) ‘মনসামঙ্গল’
খ) ‘মনসাবিজয়’
গ) ‘পদ্মাপুরাণ’
ঘ) ‘পদ্মাবতী’

সঠিক উত্তরঃ গ) ‘পদ্মাপুরাণ’
ব্যাখ্যা :
মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।
মনসামঙ্গল ধারার অন্যতম কবি বিজয়গুপ্ত – ‘পদ্মাপুরাণ’ নামক মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করে মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
তাঁর মনসামঙ্গল কাব্যের যে পুঁথিটি পাওয়া গেছে, তা থেকে তাঁকে এই ধারার প্রাচীনতম কবিদের একজন হিসেবে ধরা হয়।
এছাড়া মনসামঙ্গলের আরেক বিখ্যাত কবি নারায়ণ দেব; তাঁর রচিত কাব্যের নামও ‘পদ্মাপুরাণ’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫১) ‘মানুষের মৃত্যু হলে তবু ও মানব থেকে যায়’ – এই কাব্যাংশের রচয়িতা কে?
ক) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
খ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
গ) সমর সেন
ঘ) জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তরঃ ঘ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা :
মানুষের মৃত্যু হলে – জীবনানন্দ দাশ

“মানুষের মৃত্যু হলে তবু ও মানব
থেকে যায়; অতীতের থেকে ওঠে আজকের মানুষের কাছে
প্রথমত চেতনার পরিমাপ নিতে আসে।
আজকের আগে যে–ই জীবনের ভিড় জমেছিল
তারা মরে গেছে;
অন্ধকারে হারিয়েছে;
তবু তারা আজকের আলোর ভেতরে
সার্থক হয়ে ওঠে আজকের মানুষের সুরে
যখন প্রেমের কথা বলে
অথবা জ্ঞানের কথা —
অনন্ত যাত্রার কথা মনে হয় সে–সময়
দীপংকর জ্ঞানরের;
চলেছে—চলেছে—”

কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের ‘কবিতা (১৯৫৪)’ কাব্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলা কবিতা সাময়িকী ও জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থ।

৫২) দৌলত উজির বাহরাম খানের সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা ছিল?
ক) সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
খ) কায়স্থী মদন ঠাকুর
গ) সুলতান বরবক শাহ
ঘ) জমিদার নিজাম শাহ

সঠিক উত্তরঃ ঘ) জমিদার নিজাম শাহ
ব্যাখ্যা :
দৌলত উজির বাহরাম খান :
দৌলত উজির বাহরাম খানের রচিত ‘লায়লি–মজনু’ কাব্যটি রোমান্টিক প্রেমকাহিনি–ভিত্তিক কাব্যধারায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে গণ্য।
কবির আত্মপরিচয় খুব বেশি না পাওয়া গেলেও জানা যায়, তিনি চট্টগ্রামের ফতেহাবাদ বা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন।
কবির পিতা মুবারক খান চট্টগ্রামের অধিপতির কাছ থেকে ‘দৌলত উজির’ উপাধি পান। কবির পিতামহ হামিদ খান গৌড়ের সুলতান হুসেন শাহের প্রধান আমাত্য ছিলেন।
চট্টগ্রামের অধিপতি মহামতি রাজা নিজাম শাহ কবি দৌলতকে তাঁর পিতার ‘দৌলত উজির’ খেতাব উত্তরাধিকারসূত্রে বহন করতে দেন।

গবেষকদের মতে –
– ড. মুহাম্মদ এনামুল হক: ‘লায়লি–মজনু’ কাব্যের রচনাকাল ১৫৬০–১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দ।
– ড. আহমদ শরীফ: আনুমানিক ১৫৪৩–১৫৫৩ খ্রিস্টাব্দ।
– ড. শহীদুল্লাহ: আনুমানিক ১৫৬৯ খ্রিস্টাব্দ।

কবির বক্তব্য অনুযায়ী, গৌড়ের অধীনতা দূর হওয়ার পর নিজাম শাহ স্বাধীন শাসক হন এবং তাঁর দৌলত উজির থাকাকালেই এই কাব্য রচিত হয়।
সুতরাং, দৌলত উজির বাহরাম খানের সাহিত্যসৃষ্টির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন চট্টগ্রামের জমিদার নিজাম শাহ – এ ধারণা গ্রহণযোগ্য।

তার আরেকটি কাব্যের নাম – ‘ইমাম বিজয়’।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস – ড. মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া।

৫৩) চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি আবিষ্কৃত হয়েছে কোথায়?
ক) বাংলাদেশ
খ) নেপাল
গ) উড়িষ্যা
ঘ) ভুটান

সঠিক উত্তরঃ খ) নেপাল
ব্যাখ্যা :
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা–সংকলন/গান–সংকলন।
এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন।
চর্যাপদের পদগুলো রচনা করেছিলেন ‘বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য’গণ (সহজিয়া বৌদ্ধ সাধক)।
চর্যাপদে সহজিয়া বৌদ্ধধর্মের নানা আচার–অনুষঙ্গ, তত্ত্ব ও দার্শনিক ভাবনা গূঢ় ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।

উৎস: লাইভ MCQ লেকচার নোট; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌম্যশেখর।

৫৪) কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
ক) ‘কাঁদে নদী কাঁদে’
খ) ‘নেকড়ে অরণ্য’
গ) ‘রাঙা প্রভাত’
ঘ) ‘দেশে দেশে জন্মভূমি’

সঠিক উত্তরঃ খ) ‘নেকড়ে অরণ্য’
ব্যাখ্যা :
শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসসমূহঃ
– ‘দুই সৈনিক’
– ‘নেকড়ে অরণ্য’
– ‘জলাঙ্গী’
– ‘জাহান্নাম হতে বিদায়’

‘নেকড়ে অরণ্য’ উপন্যাসে কোনো সরাসরি যুদ্ধদৃশ্য, মুক্তিযুদ্ধের সামরিক কৌশল, বিজয়ের উল্লাস নেই; বরং যুদ্ধকালীন পাকিস্তানি বাহিনীর রক্তপিপাসুতা ও নিরপরাধ নারীদের উপর নৃশংস নির্যাতনের কাহিনি ফুটে উঠেছে।
উপন্যাসে একটি গুদামঘরের বর্ণনা আছে – টিনে ছাওয়া বিশাল ঘরটি প্রথমে সাধারণ গুদাম হলেও পরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পকমান্ডার রেজা খান, আলী খানদের দোস্ত–মহলে পরিণত হয়; সেখানে তানিমা, জয়েদা, সখিনা, জামেদা, রাশিদার মতো বহু নারী ধর্ষণের শিকার হয়।
তাদের চিৎকার, আর্তনাদ, অপমানের যন্ত্রণা, মানবিক অবক্ষয়ের নির্মম চিত্র তুলে ধরেছেন লেখক।
নেকড়ের নৃশংসতাও হার মানে এই পশুবৎ আচরণের কাছে – তবু থেমে থাকে না তাদের প্রতিবাদ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা।

অন্যদিকে –
– সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদে নদী কাঁদে’ গ্রামীণ জীবন ও কুমারডাঙা শহরের প্রেক্ষাপটে রচিত।
– আবুল ফজলের উপন্যাস ‘রাঙা প্রভাত’।
– শওকত আলীর ‘দেশে দেশে জন্মভূমি’ (এখানে মূল লেখায় ‘দেশদেশে প্রকৃতজন’ ধরনের রেফারেন্স থাকলেও মূল মুক্তিযুদ্ধ–উপন্যাস ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ অন্য প্রসঙ্গ)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌম্যশেখর; বাংলাপিডিয়া।

৫৫) ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে‘ কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
ক) রফিক আজাদ
খ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
গ) শক্তি ঘোষ
ঘ) শামসুর রাহমান

সঠিক উত্তরঃ খ) শক্তি চট্টোপাধ্যায় (মূল টেক্সটে ‘শক্তি ঘোষ’ থাকলেও জনপ্রতিষ্ঠ রূপ শক্তি চট্টোপাধ্যায়)
ব্যাখ্যা :
শক্তি চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য –
– ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’
– ‘চুপ করো, শশী’
– ‘সাবধান সীমানা অতিক্রম করছি’
– ‘সঙ্ঘর্ষের দিনগুলোতে’ ইত্যাদি।

মূল প্রশ্নে ‘শক্তি ঘোষ’ উল্লেখ থাকলেও ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ শিরোনামের কাব্যগ্রন্থের স্বীকৃত কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়।

উৎস: প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউনসহ সমকালীন পত্রিকার সাহিত্যপাতা।

৫৬) ‘আসমান’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
ক) পর্তুগিজ
খ) ফরাসি
গ) আরবি
ঘ) ফারসি

সঠিক উত্তরঃ ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা :
আসমান (বিশেষ্য): আকাশ।
শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
‘আসমান’ শব্দের বিশেষণ – আসমানী (আসমানি)।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরও কিছু ফারসি শব্দঃ
– বেহেশত
– দোজখ
– ফেরেশতা
– নামাজ
– খোদা
– গুনাহ
– পয়গম্বর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৫৭) নিম্নলিখিত বর্ণগুলোর মধ্যে কোনটি প্রকৃত স্বরবর্ণ?
ক) আ
খ) ই
গ) এ
ঘ) অশুদ্ধ

সঠিক উত্তরঃ ক) আ
ব্যাখ্যা :
বাংলা ভাষায় ৭টি প্রকৃত স্বরবর্ণ ধরা হয়: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ (কিছু মতে আরও কিছু)।
এদের মধ্যে ‘আ’ প্রকৃত স্বরবর্ণ হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০২১ সংস্করণ)।

৫৮) ‘জিজীবিষা’ শব্দটির অর্থ কী?
ক) জীবননাশের ইচ্ছা
খ) বেঁচে থাকার ইচ্ছা
গ) জীবনকে জানার ইচ্ছা
ঘ) জীবন–জীবিকার পথ

সঠিক উত্তরঃ খ) বেঁচে থাকার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা :
জিজীবিষা (বিশেষ্য):
১. বেঁচে থাকার ইচ্ছা;
২. জীবনের আকাঙ্ক্ষা (যেমন: “তখনকার মরণান্তক নিরুপম জিজীবিষার উজ্জ্বল সাক্ষ্য নয়” – সুধীন্দ্রনাথ দত্ত)।

জিজীবিষু (বিশেষণ): বেঁচে থাকতে আগ্রহী, জীবনলোলুপ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৫৯) বড় > ব’ড় – এটি কোন ধরনের পরিবর্তন?
ক) বিশমীভবন
খ) সমীভবন
গ) বর্ণলুপ্তি
ঘ) বর্ণ–বিকৃতি

সঠিক উত্তরঃ গ) বর্ণলুপ্তি
ব্যাখ্যা :
বর্ণলুপ্তি (Consonant/Vowel elision):
কখনো কখনো সহজ উচ্চারণের জন্য শব্দের ভিতরকার কোনো বর্ণ উচ্চারিত হয় না বা লুপ্ত হয়ে যায়। একে বর্ণলুপ্তি বলে।
যেমন –
– পাকা > পা’কা / পা্কা / পাকা → কথ্যরূপে ‘পা্কা’র কিছু বর্ণ লুপ্ত হয়
– সকাল > স’কাল
তেমনি –
– বড় > ব’ড় (এখানে ‘ড়ো’ অংশ উচ্চারণে সংকুচিত হয়ে বর্ণলুপ্তির উদাহরণ তৈরি করে)।

(মূল প্রশ্নে ‘বর্ণনিক্‌ষেপ/বর্ণনিঃশেষ’–জাতীয় রূপ বোঝালেও, ব্যাকরণে একে সাধারণত বর্ণলুপ্তির অন্তর্গত ধরা হয়।)

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০১৯ সংস্করণ)।

৬০) ‘সাতকাহন রামায়ণ‘ বাগধারার অর্থ কী?
ক) রামায়ণের সাত পর্ব
খ) রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ
গ) রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র
ঘ) বৃহৎ বিষয়

সঠিক উত্তরঃ ঘ) বৃহৎ বিষয়
ব্যাখ্যা :
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বাগধারাঃ
– ‘সাতকাহন রামায়ণ’ – বৃহৎ বিষয়, দীর্ঘ কাহিনি।
– ‘হাড়হিম’ – সব কিছু, সম্পূর্ণ।
– ‘ঢাকঢাক গুড়গুড়’ – লুকোচুরি, গোপন কৌশল।
– ‘দিবাস্বপ্ন’ – অলীক কল্পনা।

উৎস: ভাষা–শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

৬১) ‘Attested’ শব্দটির বাংলা প্রশাসনিক পরিভাষা কী?
ক) প্রত্যয়িত
খ) সত্যায়িত
গ) প্রমাণিত
ঘ) সত্যবিধিত

সঠিক উত্তরঃ খ) সত্যায়িত
ব্যাখ্যা :
Attested – সত্যায়িত
Certified – প্রত্যয়িত
Verified – প্রতিপাদিত / যাচাইকৃত
Authenticated – প্রমাণীকৃত

এগুলো সরকারি/প্রশাসনিক পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমির প্রশাসনিক পরিভাষা।

৬২) ‘দেখে দেখে হয়রান হই’ – এতে ‘দেখে দেখে’ কোন অর্থ প্রকাশ করে?
ক) অসহায়ত্ব
খ) বিরক্তি
গ) কালের বিস্তার
ঘ) পৌনঃপুনিকতা

সঠিক উত্তরঃ ঘ) পৌনঃপুনিকতা
ব্যাখ্যা :
ক্রিয়াবাচক শব্দের বিশেষ ব্যবহারঃ

– পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে:
উদা. “দেখে দেখে হয়রান হয়েছি।” – বারবার দেখা বোঝাচ্ছে।

– বিশেষণরূপে:
উদা. “এই দিকে রোগীর দশা যায় যায় অবস্থা।”

– ল্পকাল স্থায়ী বোঝাতে:
উদা. “দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে গেল।”

– ক্রিয়া–বিশেষণরূপে:
উদা. “দেখে দেখে যাও।”

এখানে ‘দেখে দেখে’ বারবার হওয়া কাজ বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ পৌনঃপুনিকতা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০১৯ সংস্করণ)।

৬৩) ভুল বানান কোনটি?
ক) ভূবন
খ) অশ্লীল
গ) মুহূর্ত
ঘ) অশুচি

সঠিক উত্তরঃ ক) ভূবন
ব্যাখ্যা :
‘ভূবন’ বানানটি ভুল; সঠিক বানান – ভুবন।

ভুবন (বিশেষ্য):
১. বিশ্বজগৎ; হিন্দু পুরাণে কথিত সাত স্বর্গ ও সাত পাতাল – চতুর্দশ ভুবন।
২. পৃথিবী।
৩. আবাস (যেমন: “এ সব সে যে যার ভুবনবিজয় গল্প”)।
৪. দেশ (যেমন: “ছ’ মাস পরে যাবে গৌড় ভুবন ঘুরনাম চর্যাপদ”)।

অন্যদিকে –
– অশ্লীল, মুহূর্ত ও অশুচি – বানানগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি বানান ও আধুনিক বাংলা অভিধান।

৬৪) ‘যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বদা আদরণীয়।’ – এটি কোন ধরনের বাক্য?
ক) সরল বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) খণ্ড বাক্য

সঠিক উত্তরঃ খ) জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা :
জটিল বাক্য:
কোনো বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, যার মধ্যে একটি মূল খণ্ডবাক্য এবং অন্যটি/অন্যগুলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য; এ ধরনের বাক্যকে জটিল বাক্য বলে।
যেমন –
– যে পরিশ্রম করে, সে–ই সফল হয়।
– যে ভিক্ষা চায়, তাকে দান করবে।
– যদি বৃষ্টি হয়, তবে বেড়াতে যাব না।

তেমনি –
“যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বদা আদরণীয়।” – এখানে ‘যিনি বিদ্বান’ একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং ‘তিনি সর্বদা আদরণীয়’ মূল খণ্ডবাক্য। তাই এটি জটিল বাক্য।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০২১ সংস্করণ)।

৬৫) ‘চিকিৎসাশাস্ত্র‘ কোন সমাস?
ক) কর্মধারয়
খ) বহুব্রীহি
গ) অব্যয়ীভাব
ঘ) তৎপুরুষ

সঠিক উত্তরঃ ক) কর্মধারয়
ব্যাখ্যা :
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন –
– গোলাপ নামের ফুল = গোলাপফুল
– ঘরে থাকা জামাই = ঘরজামাই

তেমনি –
– চিকিৎসা বিষয়ক যে শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র।

এটি মধ্যপদলোপি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০২১ সংস্করণ)।

গাণিতিক যুক্তি

৬৬। 2^(log₂3 + log₂5) এর মান কত?

ক) 8

খ) 2

গ) 15

ঘ) 10

সঠিক উত্তরঃ গ) 15

ব্যাখ্যাঃ

দেওয়া আছে, 2^(log₂3 + log₂5)

log₂3 + log₂5 = log₂(3 × 5)    [logₐM + logₐN = logₐ(MN)]

⇒ log₂3 + log₂5 = log₂15

ধরি, log₂15 = y

তাহলে, 2^y = 2^(log₂15) = 15    [সূত্রঃ a^(logₐb) = b]

অতএব, 2^(log₂3 + log₂5) = 15

৬৭। (x − 2)/(x − 1) + 1/(x − 1) − 2 = 0 এর সমাধান কোনটি?

ক) {∅}

খ) {1}

গ) {-1}

ঘ) {2}

সঠিক উত্তরঃ ক) {∅}

ব্যাখ্যাঃ

(x − 2)/(x − 1) + 1/(x − 1) − 2 = 0

⇒ (x − 2)/(x − 1) + 1/(x − 1) = 2

⇒ (x − 2 + 1)/(x − 1) = 2

⇒ (x − 1)/(x − 1) = 2

কিন্তু (x − 1)/(x − 1) = 1 (যদি x ≠ 1), অর্থাৎ 1 = 2 অসঙ্গতি।

অর্থাৎ এমন কোন x নেই যা সমীকরণকে সন্তুষ্ট করে।

অতএব, সমাধান সেট ∅ (শূন্য সেট)।

৬৮। A = {x ∈ IN | 2 < x ≤ 8}, B = {x ∈ IN | x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∩ B = কত?

ক) {3, 5, 8}

খ) {4, 5, 7}

গ) {3, 4, 5}

ঘ) {3, 5, 7}

সঠিক উত্তরঃ ঘ) {3, 5, 7}

ব্যাখ্যাঃ

A = {x ∈ IN : 2 < x ≤ 8} = {3, 4, 5, 6, 7, 8}

B = {x ∈ IN : x বিজোড় এবং x ≤ 9} = {1, 3, 5, 7, 9}

সুতরাং, A ∩ B = {3, 4, 5, 6, 7, 8} ∩ {1, 3, 5, 7, 9} = {3, 5, 7}

৬৯। একটি অনুষ্ঠানে কিছু লোক উপস্থিত ছিল। তারা কেবল একজন মাত্র একজনের সাথে একবার করে করমর্দন করতে পারে। যদি করমর্দনের সংখ্যা ৩০০ হয়, তবে ঐ অনুষ্ঠানে কতজন লোক ছিল?

ক) ২৪

খ) ২৫

গ) ৩০

ঘ) ৬০

সঠিক উত্তরঃ খ) ২৫

ব্যাখ্যাঃ

ধরি, অনুষ্ঠানে মোট n জন লোক ছিল।

যে কোন দু’জনের মধ্যে করমর্দনের সংখ্যা একবার, তাই মোট করমর্দন সংখ্যা = nC2

nC2 = 300

⇒ n(n − 1)/2 = 300

⇒ n(n − 1) = 600

⇒ n² − n − 600 = 0

⇒ n² − 25n + 24n − 600 = 0

⇒ n(n − 25) + 24(n − 25) = 0

⇒ (n + 24)(n − 25) = 0

⇒ n = −24 (গ্রহণযোগ্য নয়) বা n = 25

অতএব, অনুষ্ঠানে ২৫ জন লোক উপস্থিত ছিল।

৭০। A এবং B দুটি ঘটনা যেখানে P(A) = 1/2, P(A ∪ B) = 3/4, P(B^c) = 5/8 হলে, P(A^c ∩ B^c) কত?

ক) 1/8

খ) 1/6

গ) 1/4

ঘ) 1/2

সঠিক উত্তরঃ গ) 1/4

ব্যাখ্যাঃ

De Morgan সূত্র অনুযায়ী, A^c ∩ B^c = (A ∪ B)^c

অতএব, P(A^c ∩ B^c) = P((A ∪ B)^c) = 1 − P(A ∪ B)

⇒ P(A^c ∩ B^c) = 1 − 3/4 = 1/4

৭১। বাস্তব সংখ্যায় 1/(3x − 5) < 1/3 অসমতার সমাধান–

ক) −∞ < x < 5/3

খ) 8/3 < x < ∞

গ) −∞ < x < 5/3 অথবা 8/3 < x < ∞

ঘ) −∞ < x < 5/3 এবং 8/3 < x < ∞

সঠিক উত্তরঃ গ) −∞ < x < 5/3 অথবা 8/3 < x < ∞

ব্যাখ্যাঃ

দেওয়া আছে, 1/(3x − 5) < 1/3

⇒ 1/(3x − 5) − 1/3 < 0

⇒ (3 − (3x − 5))/{3(3x − 5)} < 0

⇒ (3 − 3x + 5)/{3(3x − 5)} < 0

⇒ (8 − 3x)/{3(3x − 5)} < 0

৩ ধনাত্মক, তাই (8 − 3x)/(3x − 5) < 0

critical point: x = 5/3, x = 8/3

sign chart থেকে পাই: x < 5/3 বা x > 8/3 হলে ভগ্নাংশ ঋণাত্মক।

অতএব, সমাধান: −∞ < x < 5/3 অথবা 8/3 < x < ∞

৭২। একদল গরু সমান সংখ্যায় ভাগ হয়ে তিন পথে গমন করে, সাত ঘাটে পানি পান করে, নয়টি বৃক্ষের নিচে ঘুমায় এবং বারো জন গয়ালা সমান সংখ্যক গরুর দুধ দোয়ায়; তাহলে গরুর সংখ্যা কত?

ক) 522

খ) 252

গ) 225

ঘ) 155

সঠিক উত্তরঃ খ) 252

ব্যাখ্যাঃ

গরুর সংখ্যা ৩, ৭, ৯ এবং ১২ দ্বারা বিভাজ্য হবে।

অতএব, গরুর সংখ্যা = ল.সা.গু.(৩, ৭, ৯, ১২)

৩ = ৩, ৭ = ৭, ৯ = ৩², ১২ = ২² × ৩

সুতরাং, ল.সা.গু. = ২² × ৩² × ৭ = ৪ × ৯ × ৭ = ২৫২

অতএব, গরুর সংখ্যা ২৫২।

৭৩। 5x − x² − 6 > 0 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?

ক) x > 3, x < 2

খ) 2 > x > 3

গ) x < 2

ঘ) 2 < x < 3

সঠিক উত্তরঃ ঘ) 2 < x < 3

ব্যাখ্যাঃ

5x − x² − 6 > 0

⇒ −x² + 5x − 6 > 0

⇒ −(x² − 5x + 6) > 0

⇒ x² − 5x + 6 < 0

⇒ x² − 5x + 6 = (x − 2)(x − 3)

তাই, (x − 2)(x − 3) < 0

এটি হবে যখন x − 2 > 0 এবং x − 3 < 0

⇒ x > 2 এবং x < 3

অতএব, 2 < x < 3

৭৪। 4^x + 4^(1−x) = 4 হলে, x = কত?

ক) 1/4

খ) 1/3

গ) 1/2

ঘ) 1

সঠিক উত্তরঃ গ) 1/2

ব্যাখ্যাঃ

4^x + 4^(1−x) = 4

4^(1−x) = 4/4^x

ধরি, 4^x = y

⇒ y + 4/y = 4

⇒ (y² + 4)/y = 4

⇒ y² + 4 = 4y

⇒ y² − 4y + 4 = 0

⇒ (y − 2)² = 0

⇒ y = 2

অতএব, 4^x = 2

⇒ (2²)^x = 2¹ ⇒ 2^{2x} = 2¹ ⇒ 2x = 1 ⇒ x = 1/2

৭৫। 1/4 − 1/6 + 1/9 − 2/27 + … ধারাটির অসীম পদের সমষ্টি কত?

ক) S∞ = 20/3

খ) S∞ = 3/20

গ) S∞ = 20

ঘ) S∞ = 3

সঠিক উত্তরঃ খ) S∞ = 3/20

ব্যাখ্যাঃ

প্রথম পদ, a = 1/4

দ্বিতীয় পদ = −1/6

সাধারণ অনুপাত, r = (−1/6)/(1/4) = −2/3

|r| = 2/3 < 1, তাই এটি সসীম জ্যামিতিক ধারা।

S∞ = a/(1 − r)

= (1/4)/{1 − (−2/3)}

= (1/4)/(1 + 2/3)

= (1/4)/(5/3)

= (1/4) × (3/5)

= 3/20

৭৬। একটি কোণের মান তার সম্পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান। কোণটির মান কত?

ক) 30°

খ) 60°

গ) 90°

ঘ) 120°

সঠিক উত্তরঃ খ) 60°

ব্যাখ্যাঃ

ধরি, কোণটির মান = y°

তাহলে তার সম্পূরক কোণ = 180° − y

প্রশ্নানুসারে, y = (180° − y)/2

⇒ 2y = 180° − y

⇒ 2y + y = 180°

⇒ 3y = 180°

⇒ y = 60°

৭৭। ২০% যৌগিক মুনাফায় মূলধন ১০০০০ টাকা ২ বছরের জন্য বিনিয়োগ করা হলো। যদি যৌগিক মুনাফা অর্ধ-বছর হিসেবে ধরা হয়, তাহলে চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

ক) 12⁴

খ) 11⁴

গ) 10⁴

ঘ) 9⁴

সঠিক উত্তরঃ খ) 11⁴

ব্যাখ্যাঃ

দেওয়া আছে, বার্ষিক সুদের হার = ২০%

অর্ধ-বার্ষিক হারে, r = (২০/২)% = ১০% = 0.10

২ বছরে অর্ধ-বার্ষিক পর্বের সংখ্যা, n = ২ × ২ = ৪

মূলধন, P = ১০০০০ টাকা

চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(1 + r)^n

⇒ C = ১০০০০(1 + 0.10)^4

⇒ C = ১০০০০(১১০/১০০)^4 = ১০০০০(১১/১০)^4

⇒ C = ১০০০০ × ১১⁴/১০⁴ = ১১⁴

অতএব, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ১১⁴ (অর্থাৎ ১৪৬৪১ টাকা)

৭৮। x = √4 + √3 হলে, x³ + 1/x³ এর মান কত?

ক) 5√3

খ) 52

গ) 5√2

ঘ) 2√5

সঠিক উত্তরঃ খ) 52

ব্যাখ্যাঃ

x = √4 + √3

∴ 1/x = 1/(√4 + √3)

= (√4 − √3)/{(√4 + √3)(√4 − √3)}

= (√4 − √3)/{(√4)² − (√3)²}

= (√4 − √3)/(4 − 3) = √4 − √3

অতএব, x + 1/x = (√4 + √3) + (√4 − √3) = 2√4 = 4

সূত্র: (x + 1/x)³ = x³ + 1/x³ + 3(x + 1/x)

⇒ x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x)

⇒ x³ + 1/x³ = 4³ − 3 × 4 = 64 − 12 = 52

৭৯। একটি নৌকা পানির লেভেল থেকে বাঁধা দড়ি দ্বারা এক ডকের দিকে টানা হয়। নৌকাটি যখন ডক থেকে ১২ ফুট দূরে থাকে, তখন নৌকা থেকে ডক পর্যন্ত দড়ির দৈর্ঘ্য পানির উপর ডকের উচ্চতার দ্বিগুণের চেয়ে ৩ ফুট বেশি হয়। ডকের উচ্চতা কত?

ক) ৯ ফুট

খ) ৮ ফুট

গ) ৫ ফুট

ঘ) ৪ ফুট

সঠিক উত্তরঃ গ) ৫ ফুট

ব্যাখ্যাঃ

ধরি, ডকের উচ্চতা = h ফুট

নৌকা থেকে ডকের দূরত্ব = ১২ ফুট

দড়ির দৈর্ঘ্য = 2h + 3 ফুট

দড়ি, ডকের উচ্চতা ও অনুভূমিক দূরত্ব সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে:

(2h + 3)² = h² + 12²

⇒ 4h² + 12h + 9 = h² + 144

⇒ 4h² + 12h + 9 − h² − 144 = 0

⇒ 3h² + 12h − 135 = 0

⇒ h² + 4h − 45 = 0    [৩ দ্বারা ভাগ করে]

⇒ h² + 9h − 5h − 45 = 0

⇒ h(h + 9) − 5(h + 9) = 0

⇒ (h + 9)(h − 5) = 0

⇒ h = −9 (গ্রহণযোগ্য নয়) অথবা h = 5

অতএব, ডকের উচ্চতা = ৫ ফুট।

৮০। কেন্দ্র O বিশিষ্ট একটি বৃত্তে x কোণের মান কত? (যেখানে ∠BOC = 360° − 108° = 252°, ∠BDC = x হলো বৃত্তীয় কোণ)

ক) 54°

খ) 72°

গ) 108°

ঘ) 126°

সঠিক উত্তরঃ ঘ) 126°

ব্যাখ্যাঃ

আমরা জানি, বৃত্তীয় কোণ = একই আর্কের কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।

দেওয়া আছে, ∠BOC = 360° − 108° = 252°

∠BDC = x এই আর্ককে subtend করে।

অতএব, x = ∠BDC = (1/2) × ∠BOC = (1/2) × 252° = 126°

সাধারণ বিজ্ঞান

৮১) সােলােকসংস্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো-
ক) ০%
খ) ১০ – ১৫%
গ) ৩ – ৬%
ঘ) ১০০%

সঠিক উত্তরঃ গ) ৩ – ৬%
ব্যাখ্যা :
সহজ ভাষায় বললে,
তাত্ত্বিকভাবে: সােলােকসংস্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা সর্বোচ্চ ১১%।
কিন্তু বাস্তবে: সােলােকসংস্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা ৩% – ৬%।
সঠিক উত্তর গ) ৩ – ৬% সরাসরি নিচের ডকুমেন্টে উল্লেখ করা আছে।

উৎস: FAO Agricultural Services Bulletin – 128, Chapter 1 – Biological energy production [Official Website Link]

৮২) জারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়-
ক) অ্যানোডে
খ) ক্যাথোডে
গ) অ্যানোড এবং ক্যাথোড উভয়টিতে
ঘ) বিন্দুমাত্র কোনোটি নয়

সঠিক উত্তরঃ ক) অ্যানোডে
ব্যাখ্যা :
অ্যানোডে জারণ এবং ক্যাথোডে বিজারণ (অক্সি–রিডাকশন) বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৩) পানির অণু একটি-
ক) প্যারাম্যাগনেটিক
খ) ডায়াম্যাগনেটিক
গ) ফেরোম্যাগনেটিক
ঘ) অ্যান্টিফেরোম্যাগনেটিক

সঠিক উত্তরঃ খ) ডায়াম্যাগনেটিক
ব্যাখ্যা :
তামা, দস্তা, বিসমাথ, রূপা, সোনা, সীসা, পানি ইত্যাদি ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থের উদাহরণ।
অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, প্লাটিনাম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম, তরল অক্সিজেন প্রভৃতি প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থের উদাহরণ।
লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি হলো ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থের উদাহরণ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৪) একটি আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ কত?
ক) শূন্য
খ) অসীম
গ) অতিক্ষুদ্র
ঘ) যে কোনো মান

সঠিক উত্তরঃ ক) শূন্য
ব্যাখ্যা :
তড়িৎ কোষের সাহায্যে কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ করালে বর্তনীতে কোষের ধনপাত থেকে ঋণপাতে এবং কোষের অভ্যন্তরে ঋণপাত থেকে ধনপাতে তড়িৎ প্রবাহ হয়।
পাত্রীয় মধ্যবর্তী রাসায়নিক পদার্থ তড়িৎ প্রবাহে যে বাধার সৃষ্টি করে তাকে কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ বলে।
আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধকে শূন্য ধরা হয়।

An ideal battery is an emf source that maintains a constant terminal voltage, independent of the current between the two terminals. An ideal battery has no internal resistance, and the terminal voltage is equal to the emf of the battery.

উৎস:

  • পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
  • University Physics Volume 2, Authors: Samuel J. Ling; William Moebs; and Jeff Sanny.

৮৫) প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো-
ক) হাইড্রোজেন
খ) নাইট্রোজেন
গ) মিথেন
ঘ) ইথেন

সঠিক উত্তরঃ গ) মিথেন
ব্যাখ্যা :
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন।

প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলো হলো:

  • মিথেন – ৮০% – ৯০%
  • ইথেন – প্রায় ১৩%
  • প্রোপেন – প্রায় ৩%
    এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে।
    আমাদের বাংলাদেশের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫% – ৯৯%।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বোর্ড বই।

৮৬) (O⁻ আয়নের নিউট্রনের সংখ্যা গণনার প্রশ্ন; মূল প্রশ্নাংশ অনুপস্থিত)
ক) ৮
খ) ১৭
গ) ৯
ঘ) ২৫

সঠিক উত্তরঃ গ) ৯
ব্যাখ্যা :
কোনো পরমাণুতে ভরসংখ্যা = প্রোটন (Z) + নিউট্রন (n) সংখ্যা, যা A দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
যেহেতু ভরসংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বাদ দিলে পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যাবে।
এখানে, O⁻ এর ভরসংখ্যা ১৭ এবং প্রোটন সংখ্যা ৮।

সুতরাং, নিউট্রন সংখ্যা = ১৭ – ৮ = ৯

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বোর্ড বই।

৮৭) প্রোটিন তৈরি হয়-
ক) ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে
খ) সাইক্লিক অ্যাসিড দিয়ে
গ) অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে
ঘ) অ্যালকাইল অ্যাসিড দিয়ে

সঠিক উত্তরঃ গ) অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে
ব্যাখ্যা :
কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে অ্যামাইন গঠিত। অ্যামাইনের একক হল অ্যামাইনো অ্যাসিড।
আমাদের শরীরের প্রোটিন পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো অ্যাসিডে পরিণত হয়। মানুষের দেহে এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৮টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড।

সাধারণত ২০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড প্রোটিন গঠনে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে বলা হয় প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড।

মানব শরীরে ২০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে, যা প্রোটিন গঠনে সহায়তা করে।

উৎসঃ

  • বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণি।
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
  • Britannica।

৮৮) কোভিড-১৯ যে ধরনের ভাইরাস-
ক) DNA
খ) DNA + RNA
গ) mRNA
ঘ) RNA

সঠিক উত্তরঃ ঘ) RNA
ব্যাখ্যা :
COVID-19, short for “coronavirus disease 2019,” is caused by the novel coronavirus SARS-CoV-2. Like many other viruses, SARS-CoV-2 is an RNA virus. This means that, unlike in humans and other mammals, the genetic material for SARS-CoV-2 is encoded in ribonucleic acid (RNA). The viral RNA is sneaky: its features cause the protein synthesis machinery in humans to mistake it for RNA produced by our own DNA.
For that reason, several of the leading COVID-19 vaccines and treatments are based on RNA technology.

The coronavirus genome consists of a single strand of positive-sense RNA (ribonucleic acid).

COVID-19 is a spherical or pleomorphic enveloped particle containing single-stranded (positive-sense) RNA associated with a nucleoprotein within a capsid comprised of matrix protein.

উৎস:

  • University of Rochester
  • Britannica
  • Journal of Microbiology, Immunology and Infection – Review Article: Genotype and phenotype of COVID-19: Their roles in pathogenesis

৮৯) হৃদয়ের সংকোচন হওয়াকে বলা হয় –
ক) ডায়াস্টল
খ) সিস্টল
গ) ডায়াসিস্টল
ঘ) উপরের কোনোটি নয়

সঠিক উত্তরঃ খ) সিস্টল
ব্যাখ্যা :
হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকার চলতে থাকে।

  • হৃদপিণ্ডের পেশীগুলোর সংকোচনকে সিস্টল এবং
  • প্রসারণকে ডায়াস্টল বলে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯০) নিচের কোন রোগটি DNA ভাইরাসঘটিত?
ক) ডেঙ্গু
খ) স্মলপক্স (গুটিবসন্ত)
গ) কোভিড-১৯
ঘ) পোলিও

সঠিক উত্তরঃ খ) স্মলপক্স
ব্যাখ্যা :
অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র খ) স্মলপক্স DNA-টাইপ ভাইরাসঘটিত।

Smallpox বা গুটিবসন্ত মানবজাতির ইতিহাসে একমাত্র রোগ, যা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে।

  • WHO ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়।
  • গুটিবসন্ত হয় Variola virus-এর কারণে (DNA Type)।
  • সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে সোমালিয়াতে দেখা গিয়েছিল।

ভ্যাকসিন: Edward Jenner ১৭৯৬ সালে তৈরি করেন।
গণস্বাস্থ্যের ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে বড় সফলতা বলা হয়।

Smallpox is an acute contagious disease caused by the variola virus, a member of the orthopoxvirus family. It was one of the most devastating diseases known to humanity and caused millions of deaths before it was eradicated. It is believed to have existed for at least 3000 years.

The smallpox vaccine, created by Edward Jenner in 1796, was the first successful vaccine to be developed. He observed that milkmaids who previously had caught cowpox did not catch smallpox and showed that a similar inoculation could be used to prevent smallpox in other people.

The World Health Organization launched an intensified plan to eradicate smallpox in 1967. Widespread immunization and surveillance were conducted around the world for several years. The last known natural case was in Somalia in 1977. In 1980 WHO declared smallpox eradicated – the only infectious disease to achieve this distinction. This remains among the most notable and profound public health successes in history.

Poxviruses are brick- or oval-shaped viruses with large double-stranded DNA genomes. Poxviruses exist throughout the world and cause disease in humans and many other types of animals. Poxvirus infections typically result in the formation of lesions, skin nodules, or disseminated rash.

উৎস:

  • World Health Organization (WHO)
  • Centers for Disease Control and Prevention (CDC), USA Govt.

৯১) RFID বলতে বোঝায়-
ক) Random Frequency Identification
খ) Random Frequency Information
গ) Radio Frequency Information
ঘ) Radio Frequency Identification

সঠিক উত্তরঃ ঘ) Radio Frequency Identification
ব্যাখ্যা :
Radio Frequency Identification (RFID) technology uses radio waves to identify people or objects. There is a device that reads information contained in a wireless device or “tag” from a distance without making any physical contact or requiring a line of sight.

RFID technology has been commercially available in one form or another since the 1970s. It is now part of our daily lives and can be found in car keys, employee identification, medical history/billing, highway toll tags and security access cards.

বাংলায় বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল পেজে পড়তে পারো। [পেজ লিঙ্ক]

উৎস: Official website of the Department of Homeland Security, USA Govt.

৯২) কোন মাধ্যমে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়?
ক) তামার তার
খ) কো-অ্যাক্সিয়াল কেবল
গ) অপটিক্যাল ফাইবার
ঘ) ওয়্যারলেস মিডিয়া

সঠিক উত্তরঃ গ) অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা :
ফাইবার অপটিক কেবল একটি দ্বিমুখী, সহজ এবং টেকসই যোগাযোগের মাধ্যম, যা অসংখ্য ফাইবার গ্লাসের পাতলা তার দিয়ে বাঁধা কেবল দ্বারা গঠিত।
ডাটা আলোর পালসের (Pulse) মতো সঞ্চারিত হয়, যা ফাইবার অপটিক কেবলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ কিলোবাইট থেকে অসংখ্য বিলিয়ন বিটের লেজার ডিভাইস দ্বারা প্রবাহিত হয়।
ফাইবার অপটিক কেবল ওয়্যার মিডিয়ার তুলনায় বেশি দ্রুতগামী, হালকা এবং অধিক টেকসই এবং অনেক ডাটা সঞ্চালনের জন্য খুবই উপযোগী।

যদিও ফাইবার অপটিক কেবল দিয়ে কাজ করা কঠিন এবং ব্যয়বহুল, তবু এটি উচ্চগতির ব্যাকবোন বা মেরুদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে টুইস্টেড ওয়্যার এবং কোঅ্যাক্সিয়াল কেবল একক ডিভাইসের সাথে মেরুদণ্ডকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
মেরুদণ্ড, নেটওয়ার্কের একটি অংশ যা প্রধান ট্রাফিককে পরিচালনা করে। এটি ট্রাফিকের প্রবাহ অথবা অন্যান্য নেটওয়ার্কের জন্য প্রাথমিক পথ হিসেবে কাজ করে।

অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোকতন্তু এক ধরনের সরু (চুলের মতো) আলোক পরিবাহী বিশেষ তন্তু।
এটি তৈরি হয় সাধারণত কাচ দিয়ে। কাচের তৈরি হলেও এটি অত্যন্ত নমনীয় এবং ভঙ্গুর নয়।
সাধারণ কাচের তুলনায় এর প্রতিসরণাঙ্ক বেশ বেশি, প্রায় ১.৭।
এক প্রান্তে আলো আপতিত হলে এর দেয়ালে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ক্রিয়ায় আলো লাফিয়ে লাফিয়ে এগিয়ে যায় এবং তন্তুর অন্য প্রান্ত দিয়ে নির্গত হয়। বাইরের বায়ু মাধ্যমের তুলনায় ভেতরের তন্তু-মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক বেশি হওয়ায় অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন সহজ হয়।
এর বাইরের দিকে এক ধরনের আলোক প্রতিফলক পদার্থের আবরণ থাকে, যাকে বলে ক্ল্যাডিং। ফলে আলোর কোনো অংশ তন্তু থেকে বেরিয়ে গেলেও পুনরায় তন্তুর মধ্যে ফিরে আসে।
ফলে এক প্রান্ত দিয়ে আলোক শক্তি ঢুকিয়ে দিলে অন্য প্রান্ত দিয়ে সম্পূর্ণ আলো বেরিয়ে আসে।

উৎস:

  • Telecommunication and Network, এমবিএ প্রোগ্রাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
  • পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩) ক্রান্তীয় সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য সাগরপৃষ্ঠের ন্যূনতম তাপমাত্রা কত হওয়া প্রয়োজন?
ক) ২৬.৫° সে.
খ) ৩৫° সে.
গ) ৩৭.৫° সে.
ঘ) ৪০.৫° সে.

সঠিক উত্তরঃ ক) ২৬.৫° সে.
ব্যাখ্যা :
সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য উপযোগী হয়।
বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।
এখানে গ্রহণযোগ্য উত্তর – ২৬.৫° সেলসিয়াস।

উৎস: মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান : পৃষ্ঠা-১৯৭।

৯৪) নিচের কোনটি anti-virus সফটওয়্যার নয়?
ক) Oracle
খ) McAfee
গ) Norton
ঘ) Kaspersky

সঠিক উত্তরঃ ক) Oracle
ব্যাখ্যা :
Oracle database (Oracle DB) is a relational database management system (RDBMS) from the Oracle Corporation.
অন্যদিকে, McAfee, Norton, Kaspersky – এগুলো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার বিষয়ক প্রমিত বই ও Oracle-এর অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।

৯৫) কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?
ক) $
খ) #
গ) &
ঘ) @

সঠিক উত্তরঃ ঘ) @
ব্যাখ্যা :
ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা-লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোনো বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
ই-মেইল ঠিকানায় দুইটি অংশ থাকে।
প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ডোমেইন নেইম।

যেমনঃ ovihasan0004@gmail.com
এখানে ovihasan0004 হলো ইউজারনেম এবং gmail হলো ডোমেইন নেইম।

ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি

৯৬) Keyboard এবং CPU-এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
ক) Simplex
খ) Duplex
গ) Half duplex
ঘ) Triplex

সঠিক উত্তরঃ ক) Simplex
ব্যাখ্যা :
ডাটা প্রেরণের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগ করা যায়—
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

Simplex: শুধু মাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এ ক্ষেত্রে গ্রাহক কখনই প্রেরককে ডাটা পাঠাতে পারে না।
যেমন: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা প্রেরণ, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

Half-Duplex: হাফ-ডুপ্লেক্স ডাটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব নয়।
যেমন: ওয়াকি-টকি।

Full-Duplex: ফুল ডুপ্লেক্স ডাটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে একসাথে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন: টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)।

৯৭) Blockchain-এর প্রতিটি block কী তথ্য বহন করে?
ক) A hash pointer to the previous block
খ) Timestamp
গ) List of transactions
ঘ) উপরের সবগুলো

সঠিক উত্তরঃ ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা :
সহজ ভাষায় বললে, ব্লকচেইন হলো তথ্য সংরক্ষণের এক নিরাপদ ও উন্মুক্ত পদ্ধতি, যেখানে তথ্য একটির পর একটি ব্লকে চেইনের মতো করে যুক্ত থাকে।

একটি সাধারণ ব্লকে থাকে—

  • A hash pointer to the previous block
  • Timestamp
  • List of transactions

তবে Genesis Block ব্যতীত সব ব্লকে আগের ব্লকের hash pointer থাকে। Genesis Block হলো ব্লকচেইনের প্রথম ব্লক।

The Genesis Block:
The first block in the blockchain is called the genesis block and was created in 2009. It is the common ancestor of all the blocks in the blockchain, meaning that if you start at any block and follow the chain backward in time, you will eventually arrive at the genesis block.

Block-এর গঠন (সংক্ষেপে):

  • Block Header → previous block hash, timestamp, nonce ইত্যাদি
  • Block Size
  • Transaction Counter
  • Transactions

সুতরাং অপশন ক, খ, গ—এই তিনটি-ই একটি ব্লকের অংশ, তাই সঠিক উত্তর ঘ) উপরের সবগুলো।

উৎসঃ

  • Chapter 7: The Blockchain, Mastering Bitcoin by Andreas M. Antonopoulos (O’Reilly Media)
  • Unlocking Digital Cryptocurrencies, 1st Edition

৯৮) নিচের কোনটি Bluetooth-এর IEEE standard?
ক) IEEE 802.15
খ) IEEE 802.1
গ) IEEE 802.3
ঘ) IEEE 802.11

সঠিক উত্তরঃ ক) IEEE 802.15
ব্যাখ্যা :

  • Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড: IEEE 802.11
  • Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড: IEEE 802.15
  • WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড: IEEE 802.16

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) ও IEEE standard ডকুমেন্টেশন।

৯৯) ১০১১১০ বাইনারি সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কোনটি?
ক) ৪৬
খ) ১৬
গ) ২৪
ঘ) ৫৪

সঠিক উত্তরঃ ক) ৪৬
ব্যাখ্যা :
বাইনারি থেকে দশমিক রূপান্তরের জন্য প্রতি অঙ্ককে ২-এর ঘাত দিয়ে গুণ করতে হয় এবং সবগুলো মান যোগ করতে হয়।

১০১১১০₂ =
= ১×২⁵ + ০×২⁴ + ১×২³ + ১×২² + ১×২¹ + ০×২⁰
= ৩২ + ০ + ৮ + ৪ + ২ + ০
= ৪৬

উৎসঃ মাধ্যমিক স্তরের কম্পিউটার ও আইসিটি বইসমূহ।

১০০) DNS সার্ভারের কাজ হলো _____ কে _____ address-এ পরিবর্তন করা।
ক) Email, DNS
খ) MAC Address, IP
গ) Domain name, IP
ঘ) Email, IP

সঠিক উত্তরঃ গ) Domain name, IP
ব্যাখ্যা :
ডোমেইন নেম বলতে মূলত কোনো ওয়েবসাইটের নামকে বোঝায়। যেমন: livemcq.com – এটাই ডোমেইন নেম, যা কম্পিউটারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।

Domain Name System (DNS) হলো ইন্টারনেটের ফোনবুকের মতো।

  • ইন্টারনেটে থাকা যে কোনো তথ্য বা সাইটে প্রবেশ করতে হলে সাধারণত ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়।
  • ওয়েব ব্রাউজারগুলো ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ঠিকানার মাধ্যমে বাস্তবে যোগাযোগ করে।
  • DNS, ডোমেইন নেমকে IP address-এ রূপান্তর করে যাতে ব্রাউজারগুলো ওয়েব পেজ/তথ্য লোড করতে পারে।

উৎসঃ Cloudflare ও অন্যান্য প্রামাণিক নেটওয়ার্কিং রেফারেন্স।

১০১) নিচের কোনটি Open Source DBMS?
ক) MySQL
খ) Microsoft SQL Server
গ) Microsoft Access
ঘ) Oracle

সঠিক উত্তরঃ ক) MySQL
ব্যাখ্যা :
MySQL হলো জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা Oracle Corporation দ্বারা ডেভেলপ, ডিস্ট্রিবিউট ও সাপোর্ট করা হয়।

অন্যদিকে—

  • Microsoft SQL Server → প্রোপ্রাইটারি RDBMS
  • Microsoft Access → প্রোপ্রাইটারি ডেস্কটপ DBMS
  • Oracle Database → প্রোপ্রাইটারি, এন্টারপ্রাইজ RDBMS

উৎসঃ MySQL-এর অফিসিয়াল সাইট ও ডাটাবেজ বিষয়ক মানসম্মত বই।

১০২) নিচের Job Scheduling Policy সমূহের মধ্যে কোনটি Starvation থেকে মুক্ত?
ক) Priority Scheduling
খ) Shortest Job First
গ) Youngest Job First
ঘ) Round-robin

সঠিক উত্তরঃ ঘ) Round-robin
ব্যাখ্যা :
A starvation-free job-scheduling policy guarantees that no job waits indefinitely for service.

Round Robin–এ সব প্রক্রিয়া (process) সমানভাবে CPU time পাওয়ার সুযোগ পায়, কারণ প্রত্যেক প্রক্রিয়াকে নির্দিষ্ট টাইম কোয়ান্টাম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে CPU বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাই কোনো process অনির্দিষ্টকাল অপেক্ষা করতে হয় না।

অন্যদিকে Priority Scheduling, Shortest Job First ইত্যাদি পদ্ধতিতে কিছু টাইপের process অন্যদের তুলনায় বেশি সুবিধা পায়, ফলে নিম্ন অগ্রাধিকার বা দীর্ঘ কাজ starvation–এ ভুগতে পারে।

উৎসঃ Operating System বিষয়ক আন্তর্জাতিক মানের বই ও University of Liverpool-এর লেকচার নোট।

১০৩) নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
ক) Applied Artificial Intelligence (AI)
খ) Applied Internet of Things (IoT)
গ) Virtual Reality
ঘ) উপরের কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তরঃ ক) Applied Artificial Intelligence (AI)
ব্যাখ্যা :
Artificial Intelligence (AI) হলো এমন প্রযুক্তি, যেখানে মেশিনকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শেখানো হয়।

Face Recognition System মূলত—

  • AI-এর বিভিন্ন অ্যালগরিদম (বিশেষ করে Machine Learning ও Deep Learning)
  • Pattern recognition
  • Image processing

এর সমন্বয় ব্যবহার করে কাজ করে। তাই এটি সরাসরি Applied AI-এর একটি উদাহরণ।

উৎসঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কম্পিউটার ভিশন বিষয়ক স্ট্যান্ডার্ড রেফারেন্স বই।

১০৪) নিচের কোনটি output device নয়?
ক) monitor
খ) microphone
গ) printer
ঘ) speaker

সঠিক উত্তরঃ খ) microphone
ব্যাখ্যা :
Input device: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট দেওয়া যায়—

  • Keyboard
  • Mouse
  • Optical reader
  • Joystick
  • Microphone
  • Scanner
  • Graphic pad
  • Light pen
  • Webcam
  • OCR ইত্যাদি

Output device: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে তথ্য/ডাটা আউটপুট নেওয়া যায়—

  • Monitor
  • Printer
  • Projector
  • Plotter
  • Speaker
  • Headphone ইত্যাদি

Microphone দিয়ে ডাটা কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়, তাই এটি একটি input device, output device নয়।

উৎসঃ উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার জন্য প্রণীত কম্পিউটার বই (উচ্চশিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)।

১০৫) নিচের কোনটি একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েব ঠিকানাকে নির্দেশ করে?
ক) http
খ) www
গ) URL
ঘ) HTML

সঠিক উত্তরঃ গ) URL
ব্যাখ্যা :
URL (Uniform Resource Locator) হলো কোনো ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা।

উদাহরণ:
https://www.google.com/maps

এখানে—

  • https:// → প্রোটোকল
  • www.google.com → ডোমেইন নেম
  • maps → নির্দিষ্ট রিসোর্স/ফাইলের লোকেশন

HTML (Hyper Text Markup Language) হলো ওয়েব পেজ তৈরির ভাষা, ঠিকানা নয়। http হলো প্রোটোকল, www হলো সাবডোমেইন/হোস্ট প্রিফিক্স।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মিজবুর রহমান।

১০৬) নিচের কোন প্রযুক্তি ‘Pay as You Go’ সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
ক) Internet of Things (IoT)
খ) Cloud Computing
গ) Client-Server Systems
ঘ) Big Data Analytics

সঠিক উত্তরঃ খ) Cloud Computing
ব্যাখ্যা :
National Institute of Standards and Technology (NIST)-এর মতে Cloud Computing হল এমন একটি মডেল, যেখানে—
১) Resource elasticity
২) On-demand self-service
৩) Pay-as-you-go (ব্যবহার অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ)

এই বৈশিষ্ট্যগুলো থাকে। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী যতটুকু রিসোর্স ব্যবহার করবে, মূলত সে অনুযায়ী বিল পরিশোধ করবে।

উৎসঃ

  • NIST Definition of Cloud Computing
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মিজবুর রহমান

১০৭) যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরোধসমূহের কোনো একটি web server সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, সেটি কী নামে পরিচিত?
ক) Phishing
খ) Man-in-the-Middle
গ) Denial of Service
ঘ) উপরের কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তরঃ গ) Denial of Service
ব্যাখ্যা :
DoS (Denial of Service):
এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ, যেখানে হ্যাকার ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ওয়েবসাইটে এত বেশি ভুয়া অনুরোধ পাঠায় যে বৈধ অনুরোধগুলো সঠিকভাবে সাড়া পায় না, ফলে সার্ভিস অকার্যকর হয়ে যায়, ধীরগতির হয় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

Man-in-the-Middle:
দুই কম্পিউটারের মধ্যকার যোগাযোগে তৃতীয় পক্ষ গোপনে ঢুকে তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করলে তাকে Man-in-the-Middle Attack বলে।

Phishing:
ফিশিং হলো ভুয়া ইমেইল/ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর গোপন তথ্য (পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য ইত্যাদি) চুরি করার কৌশল।

উৎসঃ সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক রেফারেন্স বই ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)।

১০৮) নিচের কোন মেমোরিতে Access Time সবচেয়ে কম?
ক) Registers
খ) SSD
গ) RAM
ঘ) Cache memory

সঠিক উত্তরঃ ক) Registers
ব্যাখ্যা :
কম্পিউটারের মেমোরিগুলোকে গতি ও অবস্থানের ভিত্তিতে এভাবে দেখা যায়—

  • Register:
    • সরাসরি CPU-র ভেতরে থাকে
    • সাইজ খুব ছোট
    • কিন্তু গতি (Access Time) সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ সময় সবচেয়ে কম লাগে
  • Cache Memory:
    • CPU-র খুব কাছাকাছি (অনেক সময় CPU-র ভেতরেই)
    • Register-এর চেয়ে ধীর, কিন্তু RAM-এর চেয়ে দ্রুত
  • RAM:
    • মাদারবোর্ডে থাকে
    • Cache-এর চেয়ে বড় আকার, গতি তুলনামূলক কম
  • SSD/HDD:
    • Secondary storage
    • এগুলোর Access Time RAM-এর তুলনায়ও বেশি (অর্থাৎ ধীরগতির)

তাই Access Time সবচেয়ে কম (অর্থাৎ দ্রুততম) হচ্ছে Register।

উৎসঃ

  • মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উচ্চশিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম) – জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)

১০৯) নিচের কোন ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যাল-এ পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?
ক) Router
খ) Switch
গ) Modem
ঘ) HUB

সঠিক উত্তরঃ গ) Modem
ব্যাখ্যা :
Modem শব্দটি এসেছে “modulator/demodulator” থেকে।

  • Modulator:
    • ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যাল-এ রূপান্তর করে
    • এ কাজের জন্য এতে DAC (Digital to Analog Converter) সর্কিট থাকে
  • Demodulator:
    • অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যাল-এ রূপান্তর করে
    • এ কাজের জন্য এতে ADC (Analog to Digital Converter) সর্কিট থাকে

অন্যদিকে—

  • HUB ও Switch → লোকাল নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইসকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়
  • Router → এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডাটা প্যাকেট ফরোয়ার্ড করে

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১০) নিচের কোনটি multi-tasking operating system নয়?
ক) Windows
খ) Linux
গ) Windows NT
ঘ) DOS

সঠিক উত্তরঃ ঘ) DOS
ব্যাখ্যা :
Multitasking হলো একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেমে একাধিক প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা। Multitasking ব্যবহার করা হয় যেন CPU ও অন্যান্য রিসোর্স যতটা সম্ভব বেশি সময় কাজের মধ্যে থাকে। Multitasking-এর নিয়ন্ত্রণ করে Operating System।

Multitasking OS-এর উদাহরণ—

  • Windows
  • Linux
  • UNIX
  • OS/390 ইত্যাদি

কিন্তু DOS (Disk Operating System) মূলত single-tasking অপারেটিং সিস্টেম; এক সময়ে একটি কাজই ঠিকমতো চালাতে পারে।

উৎসঃ

  • Operating Systems বিষয়ক আন্তর্জাতিক মানের বই
  • Britannica অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া

মানসিক দক্ষতা

১১১) এক ব্যক্তি ৫ মাইল পশ্চিম, ২ মাইল দক্ষিণ, এর পর আবার ৫ মাইল পশ্চিম যায়। যাত্রাস্থান থেকে তার সরাসরি দূরত্ব কত?
ক) ৮ মাইল
খ) ১৫ মাইল
গ) ১২ মাইল
ঘ) উপরের কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তরঃ ঘ) উপরের কোনোটিই নয়

এক ব্যক্তি ঘ হতে ৫ মাইল পশ্চিমে চ তে গেল এবং চ হতে ২ মাইল দক্ষিণে খ তে গেল।
আবার খ হতে ৫ মাইল পশ্চিমে ঘ তে গেল।

কঘ কে যদি ত্রিভুজের অতিভুজ ধরি, তবে

  • লম্ব = কগ
  • ভূমি = গঘ

এখন,
কগ = কখ + খগ = (৫ + ৫) মাইল = ১০ মাইল
চখ = গঘ = ২ মাইল

সুতরাং যাত্রাস্থান থেকে তার সরাসরি দূরত্বঃ

কঘ² = কগ² + গঘ²
কঘ² = ১০² + ২²
কঘ² = ১০০ + ৪
কঘ² = ১০৪

অতএব,
কঘ = sqrt(১০৪) = ২ × sqrt(২৬)

অপশনগুলোর মধ্যে এই মানটি নেই, তাই সঠিক উত্তর ঘ) উপরের কোনোটিই নয়।

বিকল্প পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

যাত্রাস্থান থেকে সরাসরি দূরত্ব
= ২ × sqrt(৫² + ১²)
= ২ × sqrt(২৫ + ১)
= ২ × sqrt(২৬)


১১২) লিভার (lever)-এর ভারসাম্য ঠিক রাখতে ফালক্রামের ডান পাশে কত পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে?
ক) 30 পাউন্ড
খ) 25 পাউন্ড
গ) 40 পাউন্ড
ঘ) 35 পাউন্ড

সঠিক উত্তরঃ ঘ) 35 পাউন্ড

লিভারের বাম পাশে 20 lb এর জন্য দূরত্ব ধরি = d
তাহলে লিভারের ডান পাশে 20 lb এর জন্য দূরত্বও d হবে।

সুতরাং বাম পাশে যে 30 lb আছে, তার দূরত্ব ধরি = d/2

ধরি, ডান পাশে অজানা ওজন = y lb, দূরত্ব = d

এখন ভারসাম্যের শর্তঃ

বাম পাশের মোট ঘূর্ণন মুহূর্ত = ডান পাশের ঘূর্ণন মুহূর্ত

৩০ × (d/2) = y × d

অর্থাৎ,
(৩০d / ২) = y d

দুই পাশে d কেটে দিলে,
৩০ / ২ = y
y = ১৫

অর্থাৎ, ডান পাশে অতিরিক্ত ১৫ lb লাগবে।

ডান পাশে মোট ওজন = ২০ lb + ১৫ lb = ৩৫ lb

∴ সঠিক উত্তর = ৩৫ lb


১১৩) ‘ঙ, ঞ, ণ, …’ ধারার পরবর্তী অক্ষর কী হবে?
ক) ঠ
খ) ম
গ) ন
ঘ) র

সঠিক উত্তরঃ গ) ন

ক বর্গঃ ক, খ, গ, ঘ, ঙ → শেষ অক্ষর = ঙ
চ বর্গঃ চ, ছ, জ, ঝ, ঞ → শেষ অক্ষর = ঞ
ট বর্গঃ ট, ঠ, ড, ঢ, ণ → শেষ অক্ষর = ণ
ত বর্গঃ ত, থ, দ, ধ, ন → শেষ অক্ষর = ন

ধারা: ঙ → ঞ → ণ → (পরেরটা) ন

তাই উত্তর গ) ন।


১১৪) ‘A’ ‘B’-এর চেয়ে দ্বিগুণ কাজ করতে পারে; তারা দুজন একসঙ্গে একটি কাজ ১৪ দিনে শেষ করতে পারে। ‘A’ একা কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
ক) ১২ দিন
খ) ২৪ দিন
গ) ২১ দিন
ঘ) ১৫ দিন

সঠিক উত্তরঃ গ) ২১ দিন

ধরি, A কাজটি k দিনে করে, তাহলে B একই কাজ 2k দিনে করবে (কারণ A, B-এর দ্বিগুণ কাজ করে)।

A, k দিনে করে ১ কাজ
⇒ A, ১ দিনে করে 1/k অংশ

B, 2k দিনে করে ১ কাজ
⇒ B, ১ দিনে করে 1/(2k) অংশ

সুতরাং A ও B একসাথে ১ দিনে করে:

1/k + 1/(2k) = (2/2k + 1/2k) = 3/(2k) অংশ

তারা ১ দিনে 3/(2k) অংশ কাজ করে,
তাহলে পুরো ১ কাজ করতে লাগবে (2k/3) দিন।

প্রশ্ন অনুযায়ী,
2k/3 = ১৪

⇒ k = ১৪ × ৩ / ২
⇒ k = ২১ দিন

অতএব, A একা কাজটি ২১ দিনে শেষ করতে পারবে।


১১৫) ‘DRIVE is to LICENCE as BREATHE is to ______.’ এই বাক্যের শূন্যস্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?
ক) OXYGEN
খ) ATMOSPHERE
গ) WINDPIPE
ঘ) INHALE

সঠিক উত্তরঃ ক) OXYGEN

গাড়ি চালাতে (DRIVE) LICENCE লাগে।
তেমনি শ্বাস নিতে (BREATHE) OXYGEN লাগে।

DRIVE : LICENCE :: BREATHE : OXYGEN


১১৬) এক প্রতিষ্ঠানর ৪০% কর্মচারী আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, অবশিষ্ট কর্মচারীদের ৫০% গ্র্যাজুয়েট এবং অবশিষ্ট ১৮০ জন পোস্টগ্র্যাজুয়েট। প্রতিষ্ঠানটির কতজন কর্মচারী গ্র্যাজুয়েট?
ক) ১৮০
খ) ২৪০
গ) ৩০০
ঘ) ৩৬০

সঠিক উত্তরঃ ক) ১৮০

ধরি, প্রতিষ্ঠানে মোট কর্মচারী = y জন

আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কর্মচারী = ৪০%
= ৪০y/১০০

অবশিষ্ট কর্মচারী = y − ৪০y/১০০
= (১০০y − ৪০y)/১০০
= ৬০y/১০০

অবশিষ্টদের ৫০% গ্র্যাজুয়েটঃ

গ্র্যাজুয়েট সংখ্যা = (৬০y/১০০) × ৫০/১০০
= ৬০y/১০০ × ১/২
= ৩০y/১০০

এখন, পোস্টগ্র্যাজুয়েট = মোট − আন্ডারগ্র্যাজুয়েট − গ্র্যাজুয়েট

পোস্টগ্র্যাজুয়েট সংখ্যা = y − ৪০y/১০০ − ৩০y/১০০
= (১০০y − ৪০y − ৩০y)/১০০
= ৩০y/১০০

প্রশ্নে দেওয়া আছে, পোস্টগ্র্যাজুয়েট = ১৮০

সুতরাং,
৩০y/১০০ = ১৮০

⇒ ৩y/১০ = ১৮০

⇒ ৩y = ১৮০ × ১০ = ১৮০০

⇒ y = ১৮০০ / ৩ = ৬০০

মোট কর্মচারী = ৬০০ জন

এখন, গ্র্যাজুয়েট সংখ্যা = ৩০y/১০০
= ৩০ × ৬০০ / ১০০
= ১৮০ জন


১১৭) যিদ ROSE-কে লেখা হয় 6821, CHAIR-কে লেখা হয় 73456 এবং PREACH-কে লেখা হয় 961473, তাহলে SEARCH-এর কোড কত?
ক) 246173
খ) 214673
গ) 214763
ঘ) 216473

সঠিক উত্তরঃ খ) 214673

ROSE = 6821 ⇒

  • R → 6
  • O → 8
  • S → 2
  • E → 1

CHAIR = 73456 ⇒

  • C → 7
  • H → 3
  • A → 4
  • I → 5
  • R → 6

PREACH = 961473 ⇒

  • P → 9
  • R → 6
  • E → 1
  • A → 4
  • C → 7
  • H → 3

এখন SEARCH = S E A R C H

সুতরাং,
S → 2
E → 1
A → 4
R → 6
C → 7
H → 3

অতএব, SEARCH = 214673


১১৮) প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সঠিক উত্তরঃ খ) 26

১ম চিত্রঃ
৩^২ + ২^২ = ৯ + ৪ = ১৩

২য় চিত্রঃ
৪^২ + ৮^২ = ১৬ + ৬৪ = ৮০

৩য় চিত্রঃ
১^২ + ৫^২ = ১ + ২৫ = ২৬

অতএব, প্রশ্নবোধক স্থানে বসবে ২৬।


১১৯) DC DE FE ?? HG HI সিরিজের প্রশ্নবোধক ঘরে কোন বিকল্পটি বসবে?
ক) DE
খ) ED
গ) FG
ঘ) GF

সঠিক উত্তরঃ গ) FG

  • DC → DE: এখানে D অপরিবর্তিত, আর C থেকে E যেতে মাঝখানে ১ টি অক্ষর (D)
  • FE → FG: এখানে F অপরিবর্তিত, আর E থেকে G যেতে মাঝখানে ১ টি অক্ষর (F)
  • HG → HI: এখানে H অপরিবর্তিত, আর G থেকে I যেতে মাঝখানে ১ টি অক্ষর (H)

একই নিয়ম অনুসারে ফাঁকা স্থানে বসবে FG।


১২০) ‘competition’-এ সবসময় কী থাকে?
ক) topic
খ) examination
গ) party
ঘ) participant

সঠিক উত্তরঃ ঘ) participant

Participant (প্রতিযোগী/অংশগ্রহণকারী) ছাড়া কোন competition হয় না।
অন্যগুলো (topic, examination, party) ছাড়াও প্রচুর ধরনের প্রতিযোগিতা হতে পারে।


১২১) এক মহিলা একটি ছবি দেখে বললেন, ‘সে আমার দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে।’ ছবির ছেলেটির সাথে ঐ মহিলার সম্পর্ক কী?
ক) ভাই
খ) চাচা
গ) ছেলে
ঘ) কোন সম্পর্ক নেই

সঠিক উত্তরঃ ক) ভাই

দাদা
⇒ দাদার একমাত্র ছেলে = মহিলার বাবা
⇒ সেই বাবার ছেলে = মহিলার ভাই (অথবা তিনি নিজে)

যেহেতু তিনি “সে” বলে অন্যকে বোঝাচ্ছেন, তাই সম্পর্ক = ভাই।


১২২) নিচের ক, খ, গ ও ঘ বিকল্প নকশা ৪টির মধ্যে কোনটি প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে বসবে?

ক) ক
খ) খ
গ) গ
ঘ) ঘ

সঠিক উত্তরঃ ক) ক

(চিত্র অনুযায়ী ধারাবাহিকতার পরবর্তী নকশা ক)-এর সঙ্গে মেলে।)


১২৩) নিচের কোন শব্দটি ভিন্ন গোষ্ঠীর?
ক) চাঁদ
খ) প্লুটো
গ) মঙ্গল
ঘ) পৃথিবী

সঠিক উত্তরঃ ক) চাঁদ

  • প্লুটো, মঙ্গল, পৃথিবী – সবই গ্রহ (Planet / Dwarf Planet)।
  • চাঁদ – উপগ্রহ (Satellite)।

তাই চাঁদ বাকিদের থেকে ভিন্ন।


১২৪) নিচের ক, খ, গ ও ঘ – চারটি বিকল্প নকশার মধ্যে প্রশ্নবোধক ঘরে কোন নকশাটি বসবে?

ক) ক
খ) খ
গ) গ
ঘ) ঘ

সঠিক উত্তরঃ ক) ক


১২৫) নিচের শব্দগুলোর মধ্যে ৩টি সমগোত্রীয়, একটি ভিন্ন। কোনটি ভিন্ন?
ক) Conventional
খ) Peculiar
গ) Conservative
ঘ) Traditional

সঠিক উত্তরঃ খ) Peculiar

Conventional, Conservative, Traditional – তিনটিই “প্রচলিত/রক্ষণশীল/পুরোনো ধারার” ধারণা বোঝায়।
Peculiar মানে অদ্ভুত, ব্যতিক্রমী, অস্বাভাবিক – বাকিদের থেকে আলাদা।

বাংলাদেশ বিষয়াবলী

১২৬) বাংলাদেশের সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?
ক) হাশেম খান
খ) এ. কে. এম. আবদুর রউফ
গ) আবুল বরক আলভী
ঘ) সমরজিৎ রায় চৌধুরী

সঠিক উত্তরঃ খ) এ. কে. এম. আবদুর রউফ
ব্যাখ্যা :
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হাতে লেখা সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন সংসদ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
তারপর যথাক্রমে সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দীন আহমদ স্বাক্ষর করেন।
একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।
হাতেলিখা সংবিধানে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
হাতেলিখা সংবিধানের মূল লেখক এ. কে. এম. আবদুর রউফ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।

১২৭) বাংলাদেশের কোনটি ব্যাংক নোট নয়?
ক) ২ টাকা
খ) ১০ টাকা
গ) ৫০ টাকা
ঘ) ১০০ টাকা

সঠিক উত্তরঃ ক) ২ টাকা
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে সব নোট ইস্যু করা হয়, সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
ব্যাংক নোটগুলো হলো ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১২৮) ‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
ক) শ্রম বাজার
খ) চাকরি বাজার
গ) শেয়ার বাজার
ঘ) কৃষি বাজার

সঠিক উত্তরঃ গ) শেয়ার বাজার
ব্যাখ্যা :
The secondary market is where investors buy and sell securities they already own.
It is what most people typically think of as the “stock market”, though stocks are also sold on the primary market when they are first issued.
অর্থাৎ পুঁজি বাজার বা শেয়ার বাজারকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে:

  • ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪)
  • চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)

বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC), যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
বিনিয়োগকারীর পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

উৎস: ইনভেস্টোপিডিয়া ও BSEC ওয়েবসাইট।

১২৯) বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বাধিক রাজস্ব আয় করে?
ক) আয়কর
খ) ভূমিকর
গ) আমদানি-রপ্তানি শুল্ক
ঘ) মূল্য সংযোজন কর

সঠিক উত্তরঃ ঘ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (Value Added Tax) চালু হয় ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
ভ্যাট থেকে বাংলাদেশের সরকারের সর্বাধিক রাজস্ব আয় হয়।
সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস আয়কর।
তৃতীয় উৎস সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।

বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান খাতসমূহ (উদাহরণ):

  • প্রথম : মূল্য সংযোজন কর (প্রায় ৩৯.৫৫%)
  • দ্বিতীয় : আয়কর (প্রায় ৩৩.০৫%)
  • তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক
  • চতুর্থ : আমদানি শুল্ক

উৎস: এনবিআর ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০।

১৩০) আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী ছিল?
ক) মহাভারত
খ) রামায়ণ
গ) গীতা
ঘ) বেদ

সঠিক উত্তরঃ ঘ) বেদ
ব্যাখ্যা :
আর্যদের আদি নিবাস ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে বর্তমান মধ্য এশিয়া–ইরান অঞ্চলে।
ভারতবর্ষে আর্যদের আগমন ঘটে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২০০০ সালে।
আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম বেদ। আর্য পুরোহিতগণ বেদের রচয়িতা হিসেবে বিবেচিত।
বেদের রচনাকাল নিয়ে মতভেদ আছে; অনেকের মতে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দের মধ্যে বেদের মন্ত্রসমূহ রচিত হয়।
বেদের মন্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১০২৮টি। এই মন্ত্রগুলো প্রায় তিন হাজার বছর ধরে মুখে মুখে প্রচলিত ছিল।
পুরোহিতের মুখ থেকে বেদের মন্ত্র শুনে অনুসারীরা পূণ্য লাভ করতেন বিধায় বেদ ‘শ্রুতি’ নামেও পরিচিত।
পরবর্তীতে এগুলো লিখিত রূপ লাভ করে।
বেদ রচিত হয় সংস্কৃত ভাষায়; ধর্মগ্রন্থ হওয়ার পাশাপাশি বেদের সাহিত্যিক গুণও ছিল, যা আর্য সাহিত্যের প্রাচীন নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস (প্রথম পত্র), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩১) বাংলার প্রাচীন জনপদ কোনটি?
ক) পুণ্ড্র
খ) তাম্রলিপ্তি
গ) গৌড়
ঘ) হরিকেল

সঠিক উত্তরঃ ক) পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা :
প্রাচীন যুগে বাংলা একক বা অখণ্ড রাষ্ট্র ছিল না; সমগ্র বাংলা তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত ছিল। এসব ছোট ছোট অংশ ‘জনপদ’ নামে পরিচিত।
প্রাচীন বাংলার জনপদসমূহের মধ্যে ছিল:

  • বরেন্দ্র
  • পুণ্ড্র
  • সমতট
  • হরিকেল
  • রাঢ়
  • চন্দ্রদ্বীপ
  • তাম্রলিপ্তি
  • গৌড়
  • গড়জরি, ইত্যাদি।

এগুলোর মধ্যে প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে পুণ্ড্রই সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে এটি প্রাচীনতমও।
বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত ছিল।
এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম–দশম শ্রেণি; বাংলাপিডিয়া।

১৩২) মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে কে ছিলেন?
ক) তাজউদ্দীন আহমদ
খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
গ) এম. মনসুর আলী
ঘ) এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান

সঠিক উত্তরঃ ক) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা :
এখানে অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্ব বলতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে বোঝানো হয়েছে।
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা (পরবর্তীতে মুজিবনগর) প্রাঙ্গণে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকার:

  • রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  • উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  • প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ

তার অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিল: প্রতিরক্ষা, তথ্য, সঞ্চার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংবিধান এবং অন্য সব বিষয় যার দায়িত্ব নির্দিষ্টভাবে অন্য কারও ওপর ন্যস্ত ছিল না।

  • অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম. মনসুর আলী
  • গৃহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান
  • পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আইন ও সংসদ বিষয়ক : খন্দকার মোশতাক আহমদ

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম–দশম শ্রেণি; বাংলাপিডিয়া।

১৩৩) বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নারী–পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে?
ক) ২৯(২)
খ) ২৮(২)
গ) ৩৯(১)
ঘ) ৩৯(২)

সঠিক উত্তরঃ খ) ২৮(২)
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায় ‘মৌলিক অধিকার’ বিষয়ক।
এই অধ্যায়ের অধীনে ২৮ অনুচ্ছেদটি নারী–পুরুষের সমতা সংক্রান্ত।

অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, ইত্যাদি কারণে বৈষম্য
(১) কেবল ধর্ম, গোত্র, বর্ণ, নারী–পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী–পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
(৩) কেবল ধর্ম, গোত্র, বর্ণ, নারী–পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোনো বিনোদন বা ভোগব্যবস্থা, অথবা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো নাগরিককে অযোগ্য ঘোষণা, বাধ্যবাধকতা আরোপ, বাধা সৃষ্টি করা যাবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের উন্নয়নের জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন করতে এই অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রকে নিষেধ করে না।

অনুচ্ছেদ ২৯(২): সরকারি কর্মে নিয়োগ বা পদলাভে ধর্ম, গোত্র, বর্ণ, নারী–পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিককে অযোগ্য বা বৈষম্যের শিকার করা যাবে না।

অনুচ্ছেদ ৩৯(১): চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৩৯(২): যুক্তিসংগত বিধিনিষেধসাপেক্ষে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩৪) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনের ক্ষেত্রে চীনের সাথে বাংলাদেশের কোন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
ক) বেক্সিমকো
খ) স্কয়ার
গ) ইনসেপটা
ঘ) এসকেএফ

সঠিক উত্তরঃ গ) ইনসেপটা
ব্যাখ্যা :
আগস্ট ২০২১ তারিখে করোনাভাইরাস টিকাদানে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চীনের সিনোফার্মের টিকা যৌথ উৎপাদনের লক্ষ্যে ঢাকায় একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান China National Biotec Group ও China Sinopharm International Corporation এবং বাংলাদেশের ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সাথে এই চুক্তি হয়।
চুক্তি অনুযায়ী চীন থেকে ভ্যাকসিন উৎপাদনের কাঁচামাল ‘সেমি-ফিনিশড’ আকারে আসবে এবং দেশে বোতলজাতকরণ, লেবেলিং ও ফিনিশিং করবে ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস।
উৎপাদনের পর সরকার চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত দামে ইনসেপ্টার কাছ থেকে ভ্যাকসিন ক্রয় করবে।

উৎস: বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

১৩৫) বাংলাদেশ কত সালে OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে?
ক) ১৯৭৩
খ) ১৯৭৪
গ) ১৯৭৫
ঘ) ১৯৭৬

সঠিক উত্তরঃ খ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা :
১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
বর্তমানে OIC–এর সদস্যদেশ সংখ্যা ৫৭টি।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সম্মেলনে (২nd Islamic Summit Conference) OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে।
OIC–এর শীর্ষ সম্মেলন প্রতি তিন বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।
OIC–এর অফিসিয়াল ভাষা তিনটি: আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।

উৎস: OIC–এর ওয়েবসাইট।

১৩৬) বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
ক) ১৮
খ) ১৯
গ) ২০
ঘ) ২১

সঠিক উত্তরঃ ক) ১৮
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে “নির্বাচন” অধ্যায়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির যোগ্যতা সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার–তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
(২)(খ) যে কোনো নাগরিকের বয়স আঠারো (১৮) বছর পূর্ণ হলে তিনি ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির যোগ্য হবেন, অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে।

উল্লেখযোগ্য:

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স: ২৫ বছর
  • প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স: ২৫ বছর (কারণ তিনি এমপি থেকে নির্বাচিত হন)
  • রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স: ৩৫ বছর

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩৭) বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা কে?
ক) আইনমন্ত্রী
খ) আইন সচিব
গ) অ্যাটর্নি জেনারেল
ঘ) প্রধান বিচারপতি

সঠিক উত্তরঃ গ) অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে “অ্যাটর্নি–জেনারেল” সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি–জেনারেল
(১) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি–জেনারেল পদে নিয়োগ দেবেন।
(২) অ্যাটর্নি–জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
(৩) অ্যাটর্নি–জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি অনুযায়ী সময় পর্যন্ত অ্যাটর্নি–জেনারেল পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক ভোগ করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, মো. মাজহারুল হক; বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩৮) ‘নির্বাণ’ ধারণাটি কোন ধর্মবিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত?
ক) হিন্দুধর্ম
খ) বৌদ্ধধর্ম
গ) খ্রিস্টধর্ম
ঘ) ইহুদীধর্ম

সঠিক উত্তরঃ খ) বৌদ্ধধর্ম
ব্যাখ্যা :
‘নির্বাণ’ ধারণা বৌদ্ধধর্মের সাথে সম্পর্কিত।
বৌদ্ধদের ভাষায় মানুষের মুক্তি ‘নির্বাণ’ নামে পরিচিত। এই নির্বাণ লাভই বৌদ্ধদের মতে পরম শান্তি।
বৌদ্ধধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গৌতম বুদ্ধ আশি বছর বয়সে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন।

বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে,
‘নির্বাণ’ শব্দের অর্থ: মুক্তি, মুক্তিলাভ; ভববন্ধন থেকে পরিত্রাণ; জন্ম–মৃত্যুর চক্র থেকে উত্তরণ।

বৌদ্ধধর্মে নির্বাণ হলো সেই অবস্থা, যেখানে জন্ম নেই, জরা নেই, ব্যাধি নেই, মৃত্যু নেই; শোক নেই, মানসিক কষ্ট নেই, হতাশা নেই; এমনকি যেখানে পৃথিবী, জল, তেজ, বায়ু নেই—আলো–অন্ধকার উভয়ের ঊর্ধ্বে এক প্রশান্ত অবস্থা।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস, প্রথম পত্র; বাংলাপিডিয়া।

১৩৯) প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ‘বিকল্প সরকার‘ বলতে কী বোঝায়?
ক) মন্ত্রিসভা
খ) বিরোধী দল
গ) সুশীল সমাজ
ঘ) স্থানীয় সরকার বিভাগ

সঠিক উত্তরঃ খ) বিরোধী দল
ব্যাখ্যা :
প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে ‘বিকল্প সরকার’ বলা হয় বিরোধী দলকে।
উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারের মতো একটি ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা ‘ছায়া সরকার’ গঠন করে।
সরকার যেন স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয়, সে জন্য বিরোধী দল বিকল্প সরকার হিসেবে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে।
বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম অনেক ক্ষেত্রে দলীয় শাসন হলেও সুস্থ গণতান্ত্রিক চর্চায় শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মো. মাজহারুল হক।

১৪০) ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
ক) আনিসুল হক
খ) সাঈদ খোকন
গ) সাদেক হোসেন খোকা
ঘ) মোহাম্মদ হানিফ

সঠিক উত্তরঃ ঘ) মোহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যা :
ব্রিটিশ আমলে ১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা গঠিত হয়।
এটিকে ১৯৯০ সালে সিটি কর্পোরেশন রূপান্তর করা হয়।
১৯৯৪ সালে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এই নির্বাচনে মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন এবং তিনি ৪ এপ্রিল ২০০২ সাল পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।
২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ভেঙে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে দু’ভাগে বিভক্ত করা হয়।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৪১) বাংলাদেশে কোন সালে বয়স্ক ভাতা চালু হয়?
ক) ১৯৯৫
খ) ১৯৯৬
গ) ১৯৯৭
ঘ) ১৯৯৮

সঠিক উত্তরঃ ঘ) ১৯৯৮
ব্যাখ্যা :
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে ১৯৯৭–৯৮ অর্থবছরে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়।
শুরুর দিকে উপকারভোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৪.০৩ লক্ষ এবং ভাতার পরিমাণ ছিল মাসিক ১০০ টাকা।
চলতি ২০২১–২০২২ অর্থবছরে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৭ লক্ষ এবং মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা।

উৎস: বাজেট বক্তৃতা ২০২১–২০২২; সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট; জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (বাংলাদেশ), জুলাই ২০১৫।

১৪২) একনেক (ECNEC)-এর প্রধান কে?
ক) প্রধানমন্ত্রী
খ) অর্থমন্ত্রী
গ) বাণিজ্যমন্ত্রী
ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী

সঠিক উত্তরঃ ক) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা :
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি হল ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
এর প্রধান/চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
একনেকে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্ব প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি তদারকিসহ বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদিত হয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ; বাংলাপিডিয়া।

১৪৩) ‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি জাত?
ক) ধান
খ) গম
গ) পাট
ঘ) টমেটো

সঠিক উত্তরঃ খ) গম
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশের গমের উল্লেখযোগ্য কিছু জাত হলো:

  • আকবর
  • কান্তি
  • দৌলত
  • বলাকা
  • সোনালিকা
  • সুরভি
  • গৌরব
  • অগ্রণী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

১৪৪) তথ্য অধিকার আইন কোন সালে চালু হয়?
ক) ২০০২
খ) ২০০৬
গ) ২০০৯
ঘ) ২০১১

সঠিক উত্তরঃ গ) ২০০৯
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯:
২৯ মার্চ ২০০৯ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ পাস হয়।
৫ এপ্রিল ২০০৯ এই আইনটি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে।
৬ এপ্রিল ২০০৯ আইনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়।
আইনটির ধারা ৮, ২৪ এবং ২৫ ব্যতীত অন্যান্য ধারা ২০ অক্টোবর ২০০৮ থেকে কার্যকর এবং ৮, ২৪ ও ২৫ ধারা ১লা জুলাই ২০০৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী, তথ্যের অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশ গেজেট; তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯।

১৪৫) ‘রেহানা মেরিয়াম নূর‘ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন –
ক) জেরিম চুয়া
খ) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ
গ) রাজীব মহাজন
ঘ) আজমেরী হক বাঁধন

সঠিক উত্তরঃ খ) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ
ব্যাখ্যা :
‘রেহানা মেরিয়াম নূর’ একটি বাংলাদেশি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা ২০২১ সালের জুলাই মাসে মুক্তি পায়।
চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ।
ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।
চলচ্চিত্রটি ২০২১ সালের কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ‘আঁ সেরতাঁ রিগার’ বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ইতিহাস গড়ে।
চরিত্র ‘রেহানা মেরিয়াম নূর’ একজন দৃঢ়চেতা নারী, যিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন।

উৎস: ডয়চে ভেলে ও বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।

১৪৬) নীপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
ক) জনসংখ্যা গবেষণা
খ) নদী গবেষণা
গ) মিঠাপানি গবেষণা
ঘ) বন গবেষণা

সঠিক উত্তরঃ ক) জনসংখ্যা গবেষণা
ব্যাখ্যা :
NIPORT (National Institute of Population Research and Training) হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
NIPORT স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।

১৪৭) ওরাওঁ জনগোষ্ঠী কোন এলাকায় বসবাস করে?
ক) রাজশাহী–দিনাজপুর
খ) বরগুনা–পটুয়াখালী
গ) রাঙামাটি–বান্দরবান
ঘ) সিলেট–হবিগঞ্জ

সঠিক উত্তরঃ ক) রাজশাহী–দিনাজপুর
ব্যাখ্যা :
ওরাওঁ বাংলাদেশে বসবাসকারী অনন্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহের একটি।
এই নৃগোষ্ঠীর মানুষ মূলত রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
ওরাওঁ জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে; এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের একটি আদি কথ্য ভাষা।
এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। ওরাওঁ জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ছাড়াও সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি (ষষ্ঠ শ্রেণি পাঠ্যবই)।

১৪৮) ১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনৈতিক বিষয়ক ছিল?
ক) ৩টি
খ) ৪টি
গ) ৫টি
ঘ) ৬টি

সঠিক উত্তরঃ ক) ৩টি
ব্যাখ্যা :
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
ছয় দফা ছিল:
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারামিলিটারি ফোর্স গঠন

৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা (৩, ৪ ও ৫) ছিল অর্থনীতি ও মুদ্রা সংক্রান্ত এবং বাকি ৩টি ছিল শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম–দশম শ্রেণি।

১৪৯) প্রাচীন বাংলায় সমতট বর্তমান কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?
ক) ঢাকা ও কুমিল্লা
খ) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
গ) কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ঘ) ময়মনসিংহ ও জামালপুর

সঠিক উত্তরঃ গ) কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ব্যাখ্যা :
মেঘনার পূর্বতীরবর্তী কুমিল্লা–নোয়াখালীর সমতল এলাকা নিয়ে সমতট জনপদ গঠিত ছিল।
পূর্ব দিকে সংলগ্ন ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল (সমতটের অরণ্য বা পাহাড়ি বিভাগ) এবং দক্ষিণে মেঘনার মোহনায় দ্বীপাঞ্চলও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মোটামুটি উত্তর দিকে সিলেট সীমান্তের পাহাড় ও হাওর এলাকা থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত এবং পূর্বে ত্রিপুরা ও আরাকানের পাহাড়ি উচ্চভূমি থেকে পশ্চিমে মেঘনা (পদ্মা–মেঘনা–ব্রহ্মপুত্রের সংযুক্ত প্রধান ধারা) পর্যন্ত এই জনপদের বিস্তৃতি ছিল।
এই অঞ্চলের রাজধানী ছিল বড় কামতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম–দশম শ্রেণি।

১৫০) ‘Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment’ শিরোনামের গ্রন্থটির লেখক কে?
ক) আনিসুর রহমান
খ) রেহমান সোবহান
গ) নুরুল ইসলাম
ঘ) রওনক জাহান

সঠিক উত্তরঃ খ) রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা :
অধ্যাপক রেহমান সোবহান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ।
তিনি ৬০-এর দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন।
Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment শিরোনামের বইটি তাঁর রচিত আত্মজৈবনিক গ্রন্থ, যা ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: CPD ওয়েবসাইট।

১৫১) ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
ক) ৬ নম্বর
খ) ৭ নম্বর
গ) ৮ নম্বর
ঘ) ৯ নম্বর

সঠিক উত্তরঃ গ) ৮ নম্বর
ব্যাখ্যা :
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
তার পিতা আমানত শেখ ছিলেন কৃষক এবং মাতা জেনাতুন নেছা গৃহিণী। শৈশবে বাবা–মা মারা যাওয়ায় তিনি সংসারবিমুখ জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন।
১৯৫২ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবার তাঁকে বিয়ে দেন।
২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯ তিনি তৎকালীন ইপিআরে (East Pakistan Rifles) সৈনিক হিসেবে যোগ দেন; তার ইপিআর নম্বর ছিল ৯৪৫৯।
১৯৬৫ সালের পাক–ভারত যুদ্ধে দিনাজপুর সেক্টরে যুদ্ধরত অবস্থায় আহত হন এবং “তামগা-ই-জাং” ও “সিতারা-ই-হারব” পদক লাভ করেন।
মার্চ ১৯৭১-এ তিনি ছুটিতে নিজ গ্রামে ছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থাতেও চুয়াডাঙ্গায় ইপিআরের ৪ নং উইং-এর সাথে যোগাযোগ করে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন।
পরে সেক্টর গঠন হলে তিনি ৮ নং সেক্টরের অধীনে বয়রা সাব-সেক্টরের দায়িত্ব পান।
এই সাব-সেক্টরের অধীনে তিনি গয়ালহাট, চুটিপুর ঘাট, চুটিপুর সেনাক্যাম্প, বরনী আক্রমণসহ নানা যুদ্ধে বীরত্বের সাথে অংশ নেন।
৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সু্তিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানে প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে শহীদ হন।
স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁর বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৫২) নিচের কোন সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি?
ক) ১৯৭৭
খ) ২০০৮
গ) ২০১৫
ঘ) ২০১৯

সঠিক উত্তরঃ গ) ২০১৫
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ৮ জুন থেকে ২০ জুন ২০১৯ সালে।
এই শুমারির স্লোগান ছিল “কৃষি শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি”।
Food and Agriculture Organization (FAO)-এর World Programme for the Census of Agriculture 2020 (WCA 2020) গাইডলাইনের ভিত্তিতে এই শুমারি পরিচালিত হয়।
স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
পরবর্তীতে ২০০৮ সালে দ্বিতীয় শুমারি হয়।
২০১৫ সালে কোনো কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট; লাইভ এমআইএসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১৫৩) ‘ম্যানিলা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
ক) তুলা
খ) তামাক
গ) পেয়ারা
ঘ) তরমুজ

সঠিক উত্তরঃ খ) তামাক
ব্যাখ্যা :
বাংলাদেশে বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত আছে, যেমন:

ধান: ইরাটম, শৈল, সোনার বাংলা–১, ময়না, হরি–ধান, চান্দিনা, নারিকা–১, মালাইশা ইত্যাদি।
গম: অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দৌলত, আকবর, কান্তি, বরকত ইত্যাদি।
ভুট্টা: উদয়ন, বরর্ণালী, শুভ্র ইত্যাদি।
তুলা: রূপালী, ডেল্টাফাজ ইত্যাদি।
টমেটো: মিতু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিন্দুর, সাবর্ণী ইত্যাদি।
তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
বেগুন: ইওরা, শুভকোরা, তারাপুরী ইত্যাদি।
কলা: অম্বা, কানাইবাঁশী, মহেনবাঁশী, মিঠা জবা, অমৃতসাগর, সিঙ্গাপুরী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

১৫৪) বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’-এর কথা উল্লেখ আছে?
ক) ৮১
খ) ৮৫
গ) ৮৭
ঘ) ৮৮

সঠিক উত্তরঃ গ) ৮৭
ব্যাখ্যা :
সংবিধানে বাজেটকে “বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি” নামে অভিহিত করা হয়েছে। এই বিষয়টি অনুচ্ছেদ ৮৭–এ উল্লেখ রয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
(১) প্রত্যেক অর্থবৎসরের জন্য উক্ত বৎসরের সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়–সংবলিত একটিবিবৃতি (যা এই ভাগে “বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি” নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথকভাবে—
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা এর অধীন যে ব্যয়ের দায় সংযুক্ত তহবিলের উপর বর্তায়, সেই ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ; এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ—উল্লেখ থাকবে এবং অন্যান্য ব্যয়ের মধ্যে রাজস্ব খাতের ব্যয় আলাদাভাবে দেখানো হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫৫) কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার
খ) চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
গ) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
ঘ) মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

সঠিক উত্তরঃ গ) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা :
প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General), চেয়ারম্যান ও সদস্য, সরকারি কর্ম কমিশন ইত্যাদি পদসমূহ বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ।
কিন্তু চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সাংবিধানিক পদ নয়; এটি আইন দ্বারা গঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
মানবাধিকার কমিশন ২০০৯ সালে গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান; জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ওয়েবসাইট।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

১৫৬) ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতির তদারকির কাজে নিয়োজিত জাতিসংঘের বাহিনী কোন নামে পরিচিত ছিল?
ক) UNIMOG
খ) UNIIMOG
গ) UNGOMAP
ঘ) UNICEF

সঠিক উত্তরঃ খ) UNIIMOG

  • পূর্ণ নাম: United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG)
  • আগস্ট ১৯৮৮ সালে এই মিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • কাজ ছিল ইরান–ইরাক যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, অস্ত্রবিরতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং উভয় পক্ষের সেনা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তে ফিরে গেছে কি না তা যাচাই করা।
  • ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরান ও ইরাক সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার শেষ করলে মিশনটির কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।
  • বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেয় এই UNIIMOG মিশনের মাধ্যমেই (১৯৮৮)।

Source: UN Peacekeeping ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।

১৫৭) আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?
ক) ১৫ সেপ্টেম্বর
খ) ১৫ অক্টোবর
গ) ১৫ নভেম্বর
ঘ) ১৫ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তরঃ ক) ১৫ সেপ্টেম্বর

  • ২০০৭ সাল থেকে জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী International Day of Democracy পালিত হয়।
  • উদ্দেশ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে গণতন্ত্র সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক চর্চা উৎসাহিত করা।
  • প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখে এ দিবস পালিত হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ জাতিসংঘ ঘোষিত দিবস (উদাহরণ):

  • ২১ মার্চ – বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ আন্তর্জাতিক দিবস
  • ২৫ এপ্রিল – বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস
  • ২২ মে – আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৫৮) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
ক) প্যারিস
খ) জার্মানি
গ) নেদারল্যান্ডস
ঘ) হাভানা

সঠিক উত্তরঃ খ) জার্মানি

  • Transparency International (TI) একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
  • প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল।
  • প্রতিষ্ঠাতা: পিটার আইজেন (Peter Eigen)।
  • সদরদফতর: বার্লিন, জার্মানি।
  • ১৯৯৫ সাল থেকে TI প্রতি বছর Corruption Perceptions Index (CPI) প্রকাশ করে।
  • বাংলাদেশ প্রথমবার TI–এর CPI সূচকে অন্তর্ভুক্ত হয় ২০০১ সালে।

উৎস: TI ওয়েবসাইট।

১৫৯) চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ দুটি কোন শ্রেণির?
ক) কিলো-ক্লাস
খ) মিং-ক্লাস
গ) ডলফিন-ক্লাস
ঘ) শ্যাং-ক্লাস

সঠিক উত্তরঃ খ) মিং-ক্লাস

  • বাংলাদেশ ২০১৬ সালে চীনের কাছ থেকে দুটি সাবমেরিন ক্রয় করে।
  • ১৪ নভেম্বর ২০১৬, চীনের দালিয়ান প্রদেশের লিয়াওয়ান শিপইয়ার্ডে সাবমেরিন দু’টির হস্তান্তর হয়।
  • নামকরণ: ‘নবযাত্রা’ এবং ‘জয়যাত্রা’।
  • এগুলো Type 035 ডিজেল–ইলেকট্রিক সাবমেরিন; ন্যাটো কোডনেম Ming-class।
  • প্রতিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৬ মিটার এবং প্রস্থ ৭.৬ মিটার।
  • টর্পেডো ও মাইন বহনে সক্ষম এবং শত্রু জাহাজ ও সাবমেরিনে আক্রমণ করতে পারে।

উৎস: ডেইলি স্টার, বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

১৬০) জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত?
ক) এডেন উপসাগরের পাশে
খ) কৃষ্ণ সাগরে
গ) দক্ষিণ আমেরিকায়
ঘ) দক্ষিণ চীন সাগরে

সঠিক উত্তরঃ ক) এডেন উপসাগরের পাশে

  • Djibouti আফ্রিকার শিং অঞ্চল–এর উত্তর–পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি ছোট কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন দেশ।
  • এটি Bab el Mandeb Strait–এর তীরে অবস্থিত, যা লাল সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
  • এই স্ট্রেইটের ওপর নিয়ন্ত্রণের কারণে জিবুতির ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

উৎস: Encyclopaedia Britannica।

১৬১) নিচের কোনটি জাতিসংঘের সংস্থা নয়?
ক) আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (ARF)
খ) আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)
গ) আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
ঘ) খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)

সঠিক উত্তরঃ ক) আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (ARF)

  • ASEAN = Association of Southeast Asian Nations, একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট।
  • ARF (ASEAN Regional Forum) হলো এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক আলোচনার মঞ্চ, কিন্তু এটি জাতিসংঘের অঙ্গ নয়।
  • অন্যদিকে,
    • ILO
    • IFAD
    • FAO
      – এই তিনটি-ই জাতিসংঘের অধিভুক্ত সংস্থা।

উৎস: জাতিসংঘ ও ASEAN ওয়েবসাইট।

১৬২) United Nations Framework Convention on Climate Change-এর মূল আলোচ্য বিষয় –
ক) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
খ) গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন ও শমন
গ) সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ঘ) বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া ও বনায়ন

সঠিক উত্তরঃ খ) গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন ও শমন

  • UNFCCC গৃহীত হয় ৯ মে ১৯৯২।
  • ১৯৯২ সালের জুনে রিও ডি জেনেইরোতে অনুষ্ঠিত Earth Summit-এ এটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং ২১ মার্চ ১৯৯৪ থেকে কার্যকর হয়।
  • ১৯৭টি দেশ ও সংস্থা এতে পক্ষভুক্ত।
  • মূল আলোচ্য: গ্রিনহাউস গ্যাসের (GHG) নির্গমন হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা।
  • এর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রতি বছর Conference of Parties (CoP) অনুষ্ঠিত হয়।
  • ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে প্রথম CoP অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৬৩) World Development Report কোন সংস্থার বার্ষিক প্রকাশনা?
ক) UNDP
খ) World Bank
গ) IMF
ঘ) BRICS

সঠিক উত্তরঃ খ) World Bank

  • IBRD (International Bank for Reconstruction and Development)–ই সাধারণভাবে বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
  • গঠন: ১৯৪৪ সালে Bretton Woods সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কার্যক্রম শুরু ১৯৪৬ সালে।
  • সদর দফতর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
  • ১৯৭৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর World Development Report (WDR) প্রকাশ করে, যেখানে বৈশ্বিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য, অসমতা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

১৬৪) ব্যাডমিন্টন কোন দেশের জাতীয় খেলা?
ক) মালয়েশিয়া
খ) ইন্দোনেশিয়া
গ) চীন
ঘ) ইংল্যান্ড

সঠিক উত্তরঃ খ) ইন্দোনেশিয়া

  • ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা হলো ব্যাডমিন্টন।
  • নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর ভাষায়: “When You Say Badminton, You Say Indonesia” – অর্থাৎ ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিচয়ের অংশ।
  • উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরের জাতীয় খেলাও ব্যাডমিন্টন।
  • অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা Sepak Takraw (বা কিক ভলিবল)।

উৎস: New York Times, Britannica।

১৬৫) ‘The Lady with the Lamp’ নামে পরিচিত –
ক) হেলেন কেলার
খ) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
গ) মাদার তেরেসা
ঘ) সরোজিনী নাইডু

সঠিক উত্তরঃ খ) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল

  • Florence Nightingale-কে ‘The Lady with the Lamp’ নামে ডাকা হয়।
  • ১৮৫৩–১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ান যুদ্ধ-এর সময় রাতে হাতে প্রদীপ নিয়ে ঘরে ঘরে ঘুরে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন বলে এই উপাধি।
  • তাঁকেই আধুনিক নার্সিং পেশার জননী বলা হয়।

উৎস: History/biography সূত্রসমূহ (Britannica ইত্যাদি)।

১৬৬) মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নাম –
ক) এনএলডি সরকার
খ) ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট
গ) Burmese Government in Exile
ঘ) অং সান সুচি সরকার

সঠিক উত্তরঃ খ) ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট

  • ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সেনা অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্রপন্থী আইনপ্রণেতারা National Unity Government (NUG) নামে এক ছায়া সরকার গঠন করেন।
  • ঘোষিত হয় ১৬ এপ্রিল ২০২১।
  • NUG গঠিত হয়:
    • President: ইউ উইন মিন্ট
    • State Counsellor: অং সান সুচি
    • Prime Minister: মং উইন খাইং থান
    • Acting President: দুওয়া লাশি লা
  • এই সরকারের সামরিক শাখা হিসেবে People’s Defence Force (PDF) গঠন করা হয়।

উৎস: NUG ওয়েবসাইট, BBC World রিপোর্ট।

১৬৭) কোন রাষ্ট্রটি বিতর্কপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়?
ক) মালয়েশিয়া
খ) ফিলিপাইন
গ) ভিয়েতনাম
ঘ) কম্বোডিয়া

সঠিক উত্তরঃ ঘ) কম্বোডিয়া

  • দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপপুঞ্জ ও আশপাশের জলসীমা নিয়ে চীনের সঙ্গে বহু দেশ দ্বন্দ্বে জড়িত।
  • প্রধান দাবিদার দেশগুলো: চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, ফিলিপাইন, ব্রুনেই।
  • কম্বোডিয়া এই বিরোধপূর্ণ জলসীমার দাবিদার নয়।

উৎস: World Atlas, Britannica।

১৬৮) নাথু লা পাস কোন দুটি দেশকে সংযুক্ত করেছে?
ক) ভারত–নেপাল
খ) ভারত–পাকিস্তান
গ) ভারত–চীন
ঘ) ভারত–ভুটান

সঠিক উত্তরঃ গ) ভারত–চীন

  • Nathula Pass হলো ভারত ও চীনের মধ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বতপথ।
  • ভারতের সিকিম রাজ্য ও তিব্বতের সীমান্তে এর অবস্থান।
  • এটি প্রাচীন Silk Route–এর অংশ ছিল।
  • সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা প্রায় ১৪,৪৫০ ফুট।
  • বর্তমানে ভারত–চীন সীমান্ত বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট।

উৎস: সিকিম সরকার ওয়েবসাইট।

১৬৯) বাংলাদেশ কোনটির সদস্য নয়?
ক) BCIM-EC
খ) OAS
গ) OIC
ঘ) BIMSTEC

সঠিক উত্তরঃ খ) OAS

  • OAS (Organization of American States) – উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশসমূহের আঞ্চলিক সংস্থা; ১৯৪৮ সালে বোগোটা চুক্তির মাধ্যমে গঠিত; সদস্য ৩৫টি রাষ্ট্র। বাংলাদেশ এর সদস্য নয়।
    বাংলাদেশ সদস্য:
  • BCIM-EC = Bangladesh–China–India–Myanmar Economic Corridor (চীনের Belt and Road Initiative–এর অংশ)
  • OIC = Organization of Islamic Cooperation; বাংলাদেশ ১৯৭৪ সাল থেকে সদস্য।
  • BIMSTEC = Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation; ১৯৯৭ সালে গঠিত, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সদস্য।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৭০) চীনের জিনজিয়াং (Xinjiang) প্রদেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাম –
ক) তুর্কমেন
খ) উইঘুর
গ) তাজিক
ঘ) কাজাখ

সঠিক উত্তরঃ খ) উইঘুর

  • উইঘুর (Uyghur) হলো চীনের জিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে বসবাসরত একটি তুর্কি-ভাষী মুসলিম জাতিগোষ্ঠী।
  • এরা মূলত সুন্নি মুসলিম।
  • চীন সরকার বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের অজুহাতে উইঘুর মুসলমানদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে দমন–নির্যাতনের অভিযোগে আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত।

উৎস: Britannica, BBC World রিপোর্ট।

১৭১) জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) কয়টি?
ক) ১১
খ) ১৫
গ) ১৭
ঘ) ২১

সঠিক উত্তরঃ গ) ১৭

  • SDG = Sustainable Development Goals (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য)।
  • সময়কাল: ২০১৬–২০৩০।
  • লক্ষ্যের সংখ্যা: ১৭টি; টার্গেট: ১৬৯টি।
  • দারিদ্র্য দূরীকরণ, ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী, মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু কার্যক্রম ইত্যাদি এতে অন্তর্ভুক্ত।
  • UNDP এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থার সহায়তায় ২০৩০ সালের মধ্যে এগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: জাতিসংঘ ও UNDP ওয়েবসাইট।

১৭২) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস –
ক) ৮ ডিসেম্বর
খ) ১০ ডিসেম্বর
গ) ১১ ডিসেম্বর
ঘ) ১৩ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তরঃ খ) ১০ ডিসেম্বর

  • প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
  • ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে Universal Declaration of Human Rights (UDHR) গৃহীত হয়।
  • এই ঘোষণাপত্রে মোট ৩০টি ধারা রয়েছে।
  • খসড়া প্রণয়নে মূল ভূমিকা রাখেন নোবেলজয়ী Eleanor Roosevelt ও অন্যান্যরা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, Britannica।

১৭৩) আকাবা একটি –
ক) সমুদ্র বন্দর
খ) বিমান বন্দর
গ) স্থল বন্দর
ঘ) নদী বন্দর

সঠিক উত্তরঃ ক) সমুদ্র বন্দর

  • Al-Aqabah (Aqaba) জর্ডানের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর শহর।
  • এটির অবস্থান Gulf of Aqaba–এর তীরে, যা লোহিত সাগরের একটি শাখা এবং জর্ডান–ইসরায়েল সীমান্তের ঠিক পূর্বদিকে।
  • এটি জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর।

উৎস: Encyclopaedia Britannica।

১৭৪) Trafalgar Square-এর অবস্থান –
ক) রাশিয়ায়
খ) ইংল্যান্ডে
গ) ফ্রান্সে
ঘ) চীনে

সঠিক উত্তরঃ খ) ইংল্যান্ডে

  • Trafalgar Square ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন শহরের কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পাবলিক স্কোয়ার।
  • ১৮০৫ সালের Battle of Trafalgar যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর স্মরণে স্কোয়ারের নামকরণ করা হয়।
  • এখানে নেলসন’স কলামসহ (Nelson’s Column) নানা ভাস্কর্য ও মনুমেন্ট রয়েছে।

উৎস: Britannica।

১৭৫) মায়া সভ্যতাটি আবিষ্কৃত হয় –
ক) উত্তর আমেরিকায়
খ) দক্ষিণ আমেরিকায়
গ) মধ্য আফ্রিকায়
ঘ) মধ্য আমেরিকায়

সঠিক উত্তরঃ ঘ) মধ্য আমেরিকায়

  • Maya Civilization ছিল মূলত বর্তমান মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে বিস্তৃত।
  • মেক্সিকোর Yucatán Peninsula থেকে শুরু করে আজকের গুয়াতেমালা, বেলিজ, এল সালভাদর ও হন্ডুরাস পর্যন্ত মায়া সভ্যতা বিস্তৃত ছিল।
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত, স্থাপত্য ও লিপি–ব্যবস্থায় মায়া সভ্যতা অত্যন্ত উন্নত ছিল।

উৎস: Encyclopaedia Britannica।

ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

১৭৬) কোন বনাঞ্চল প্রধানত লবণাক্ত পানি দ্বারা প্রভাবিত হয়?
ক) পার্বত্য বন
খ) শালবন
গ) মধুপুর বন
ঘ) ম্যানগ্রোভ বন

সঠিক উত্তরঃ ঘ) ম্যানগ্রোভ বন

  • ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ার–ভাটায় প্রভাবিত বিস্তীর্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
  • ম্যানগ্রোভ বন (Mangrove forest) হলো জোয়ার–ভাটায় বিধৌত লবণাক্ত সমতলভূমি।
  • বাংলাদেশের সুন্দরবন হলো সমুদ্রের লোনা পানির জোয়ার–ভাটায় গঠিত এক বিশাল ম্যানগ্রোভ বন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭৭) বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
ক) নিঝুমদ্বীপ
খ) সেন্ট মার্টিনস
গ) হাতিয়া
ঘ) কুতুবদিয়া

সঠিক উত্তরঃ খ) সেন্ট মার্টিনস

সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন।

  • এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং একই সঙ্গে দেশের সর্ব–দক্ষিণের ইউনিয়ন।
  • এ দ্বীপের অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
  • সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ১৭ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: টেকনাফ উপজেলার ওয়েবসাইট।

১৭৮) বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
ক) বান্দরবান
খ) কুড়িগ্রাম
গ) কুমিল্লা
ঘ) ভোলা

সঠিক উত্তরঃ গ) কুমিল্লা

আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপকে প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি বলা হয়।
বাংলাদেশে প্লাইস্টোসিন কালের উল্লেখযোগ্য ভূ-রূপগুলো হলো –

  • রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বারিন্দভূমি
  • ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  • কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়
  • মোটামুটি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রায় ৮% এলাকা প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূ-রূপ দ্বারা আবৃত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম–দশম শ্রেণি।

১৭৯) নিচের কোন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সামুদ্রিক সীমানা রয়েছে?
ক) চীন
খ) পাকিস্তান
গ) থাইল্যান্ড
ঘ) মিয়ানমার

সঠিক উত্তরঃ ঘ) মিয়ানমার

  • বাংলাদেশের সাথে দুই দেশের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমানা রয়েছে — একদিকে ভারত, অন্যদিকে মিয়ানমার।
  • ভারত ও মিয়ানমার— উভয় দেশের সাথেই বাংলাদেশের স্থল ও সমুদ্র সীমান্ত বিদ্যমান।
  • ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা হলো রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) ওয়েবসাইট।

১৮০) বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আকস্মিক (অপ্রত্যাশিত) বন্যা হয়?
ক) দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চল
খ) পশ্চিমাঞ্চল
গ) উত্তর–পশ্চিমাঞ্চল
ঘ) উত্তর–পূর্বাঞ্চল

সঠিক উত্তরঃ ঘ) উত্তর–পূর্বাঞ্চল

বাংলাদেশে মূলত চার ধরনের বন্যা দেখা যায় –

  • বৃষ্টিজনিত বন্যা
  • উপকূলীয় বন্যা
  • নদীসৃষ্ট বন্যা
  • আকস্মিক বন্যা (Flash Flood)

উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি নদীর পানি হঠাৎ উপচে পড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।

  • এপ্রিল–মে ও সেপ্টেম্বর–নভেম্বর মাসে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ি ঢলের কারণে আকস্মিক বন্যা হয়।
  • আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

উৎস: বন্যা সাড়াদান ও ঝুঁকি–হ্রাস পরিকল্পনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

১৮১) বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?
ক) সিলেট
খ) কুমিল্লা
গ) রাজশাহী
ঘ) দিনাজপুর

সঠিক উত্তরঃ ঘ) দিনাজপুর

  • বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কয়লা ভাণ্ডার দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
  • বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লাখনি।
  • এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত, আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
  • এই খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা দিয়েই বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: পার্বতীপুর উপজেলার ওয়েবসাইট।

১৮২) সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের কোন দুর্যোগটির ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে?
ক) ভূমিকম্প
খ) ভুমিধস
গ) টর্নেডো
ঘ) খরা

সঠিক উত্তরঃ ক) ভূমিকম্প

দুর্যোগের ধরন দুইটি –

  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  • মানবসৃষ্ট দুর্যোগ

প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জেলাতুফান, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।

মানবসৃষ্ট দুর্যোগ:
যুদ্ধ–বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনভূমি উজাড়, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদি।

  • সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ভূমিকম্পের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • ২০২০ সাল থেকে সিলেট অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা ভূমিকম্প–ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়; পিএসসি/বিসিএস সাধারণ জ্ঞান ও সমসাময়িক তথ্য।

১৮৩) নিচের কোন দুর্যোগ ‘hydro-meteorological’ দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত?
ক) বন্যা
খ) খরা
গ) ঘূর্ণিঝড়
ঘ) ভুমিধস

সঠিক উত্তরঃ বাতিল করা হয়েছে

  • এক্ষেত্রে প্রদত্ত সবগুলো অপশনই মূলত hydro-meteorological দুর্যোগ – অর্থাৎ জলবিদ্যা ও আবহাওয়া–সম্পর্কিত দুর্যোগ।
  • তাই একটিকে সঠিক এবং বাকিগুলোকে ভুল ধরা যৌক্তিক নয়; প্রশ্নটি গঠনগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ।

তথ্যসূত্র অনুযায়ী –
Hydro-meteorological দুর্যোগের মধ্যে পড়ে:

  • Floods (বন্যা)
  • Droughts (খরা)
  • Cyclones / Storms (ঘূর্ণিঝড়সহ নানা ঘূর্ণিঝড়জাতীয় দুর্যোগ)
  • Landslides (ভূমিধস)
  • Avalanches, Heat waves, Cold waves, Debris flow ইত্যাদি।

উৎস: Elsevier প্রকাশনা; বিভিন্ন দেশের National Institute of Disaster Management–এর গাইডলাইন।

১৮৪) ‘Swatch of No Ground’ কী?
ক) একটি দেশের নাম
খ) ম্যানগ্রোভ বন
গ) একটি দ্বীপ
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন

সঠিক উত্তরঃ ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন

Swatch of No Ground হলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এক ধরনের সামুদ্রিক খাদ/উপত্যকা (Submarine Canyon)।

  • এটি বঙ্গোপসাগরের মহী–সোপানকে গভীর সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
  • এটি গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র ডেল্টার দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থিত, ‘গঙ্গা খাদ’ নামেও পরিচিত।
  • Swatch of No Ground–এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫–৭ কিলোমিটার; তলদেশ তুলনামূলক সমতল এবং পার্শ্বদেয়াল প্রায় ১২° ঢালযুক্ত।
  • মহী–সোপানের কিনারায় গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার; সর্বোচ্চ গভীর অংশে গভীরতা প্রায় ১৩৫০ মিটার।
  • এটি বিশ্বের বৃহত্তম submarine fan গুলোর একটির (Bengal Fan) অংশ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৮৫) নিচের কোন উপজেলাটি বর্তমানে সবচেয়ে নদীভাঙন–প্রবণ?
ক) ভাঙ্গা (ভুল বিকল্প: বায়ালমারী লেখা ছিল)
খ) নড়িয়া
গ) আলমডাঙ্গা
ঘ) নিকলী

সঠিক উত্তরঃ খ) নড়িয়া

  • শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলা বর্তমানে দেশের সবচেয়ে ভাঙনপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।
  • পদ্মা নদীর ভাঙনে নড়িয়া উপজেলার বহু এলাকা, বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ নানা স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
  • পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও Center for Environmental and Geographic Information Services (CEGIS)–এর তথ্য অনুযায়ী, গত সাত বছরে নড়িয়া উপজেলায় প্রায় ৩৬ বর্গকিলোমিটারের মতো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
  • ২০১১–১২ থেকে ২০১৪–১৫ পর্যন্ত প্রায় প্রতি বছরই গড়ে অন্তত আধা বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা ভাঙনের শিকার হয়েছে; পরবর্তী বছরগুলোতে ভাঙনের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট; পাউবো ও CEGIS তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন।

১৮৬) নৈতিক মূল্যবোধের উৎস কোনটি?
ক) সমাজ
খ) নৈতিক চেতনা
গ) রাষ্ট্র
ঘ) ধর্ম

সঠিক উত্তরঃ খ) নৈতিক চেতনা

  • নীতি ও উচিত–অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের মূল উৎস।
  • নৈতিক মূল্যবোধ বলতে সেইসব মানসিকতা ও আচরণ বোঝায় যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য মনে করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
  • শিশুরা প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় নিজের পরিবার থেকেই, কিন্তু এই আচরণ ও বোধ গড়ে ওঠে নৈতিক চেতনার ভিত্তিতে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মাজাহারুল হক।

১৮৭) On Liberty গ্রন্থের লেখক কে?
ক) ইমানুয়েল কান্ত
খ) টমাস হবস
গ) জন স্টুয়ার্ট মিল
ঘ) জেরেমি বেনথাম

সঠিক উত্তরঃ গ) জন স্টুয়ার্ট মিল

  • On Liberty গ্রন্থটি ব্রিটিশ দার্শনিক জন স্টুয়ার্ট মিল রচিত।
  • তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে আছে –
    • A System of Logic
    • Utilitarianism
    • Three Essays on Religion
    • The Subjection of Women
    • The Spirit of the Age ইত্যাদি।

উৎসঃ এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা।

১৮৮) উৎপত্তিগত অর্থে governance শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
ক) ল্যাটিন
খ) গ্রিক
গ) হিব্রু
ঘ) ফরাসি

সঠিক উত্তরঃ খ) গ্রিক

  • Governance শব্দটির মূল সূত্র গ্রিক ভাষার kubernan শব্দ থেকে, যার অর্থ ‘নৌকা চালানো’ বা ‘নিয়ন্ত্রণ/শাসন করা’।
  • পরবর্তী সময়ে গ্রিক থেকে ল্যাটিন gubernare এবং সেখান থেকে ফরাসি ও ইংরেজিতে govern / governance এসেছে।
  • অর্থ দাঁড়ায় — শাসন, পরিচালনা প্রক্রিয়া বা নিয়ন্ত্রণ।
  • Good Governance মানে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল শাসন; ১৯৮৯ সালে প্রথম বিশ্বব্যাংক এই ধারণাটি ব্যবহার করে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ–দ্বাদশ; অক্সফোর্ড ডিকশনারি ব্যুৎপত্তি।

১৮৯) ‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য’ ধারণাটির প্রবর্তক কে?
ক) ইমানুয়েল কান্ত
খ) হাবার্ট স্পেন্সার
গ) বার্ট্রান্ড রাসেল
ঘ) এরিস্টটল

সঠিক উত্তরঃ ক) ইমানুয়েল কান্ত

  • ইমানুয়েল কান্ত একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
  • তাঁর নীতিবিদ্যার মূল তিনটি ধারণা –
    • সৎ ইচ্ছা (Good Will)
    • কর্তব্যের জন্য কর্তব্য (Duty for Duty’s Sake)
    • শর্তহীন আদেশ (Categorical Imperative)।
  • কান্তের নৈতিক দর্শনকে বলা হয় কর্তব্যমুখী নৈতিকতা (Deontological Ethics) – যেখানে কাজের ফলের চেয়ে কাজের নিজস্ব নৈতিক বৈশিষ্ট্যকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।

উৎসঃ এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা।

১৯০) Human Society in Ethics and Politics গ্রন্থের লেখক কে?
ক) প্লেটো
খ) রুসো
গ) বার্ট্রান্ড রাসেল
ঘ) জন স্টুয়ার্ট মিল

সঠিক উত্তরঃ গ) বার্ট্রান্ড রাসেল

বার্ট্রান্ড রাসেলের উল্লেখযোগ্য নৈতিক ও দার্শনিক রচনা –

  • The Elements of Ethics
  • Human Society in Ethics and Politics
  • Introduction to Mathematical Philosophy
  • আরও অসংখ্য প্রবন্ধ ও গ্রন্থ।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।

১৯১) ‘শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন হয় তাহালে আইন নিরর্থক, আর শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন না হয় তাহালে আইন অকার্যকর’ — কে বলেছেন?
ক) সক্রেটিস
খ) প্লেটো
গ) এরিস্টটল
ঘ) বেনথাম

সঠিক উত্তরঃ খ) প্লেটো

  • মানুষের আচরণ, ভাল–মন্দের বিশ্লেষণই নীতিশাস্ত্রের বিষয়।
  • সমাজে গৃহীত নৈতিক আদর্শই ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের আইনে প্রতিফলিত হয়।
  • প্রচলিত আইন যদি জনগণের নৈতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী হয়, তবে সেটি কার্যকর থাকে না; আইন মানাতে গেলে নৈতিক স্বীকৃতি জরুরি।
  • এই প্রেক্ষিতেই প্লেটো তাঁর ‘Republic’ গ্রন্থে বলেছেন,
    • শাসক ন্যায়বান/মহৎ হলে আইন প্রায় অপ্রয়োজনীয়,
    • আর শাসক দুষ্ট/দুর্নীতিগ্রস্ত হলে আইনও তার কাজ করতে পারে না।

উৎসঃ মাধ্যমিক পৌরনীতি, এসএসসি পাঠ্যক্রম; প্লেটোর Republic ভিত্তিক ব্যাখ্যা।

১৯২) সুশাসনের মূল ভিত্তি কী?
ক) মূল্যবোধ
খ) আইনের শাসন
গ) গণতন্ত্র
ঘ) আমলাতন্ত্র

সঠিক উত্তরঃ খ) আইনের শাসন

  • সুশাসনের ধারণাটি মূলত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাথেই সম্পৃক্ত।
  • সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো Rule of Law বা আইনের শাসন – অর্থাৎ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইচ্ছার বদলে আইন দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালিত হওয়া।
  • সুশাসনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান – দক্ষতা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ, ন্যায়বিচার ইত্যাদি; কিন্তু এ সবকিছুর কেন্দ্রে থাকে আইনের শাসন।

উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র – প্রফেসর মোঃ মাজাহারুল হক।

১৯৩) কোন নৈতিক মানদণ্ডটি সর্বাধিক সুখের উপর গুরুত্ব দেয়?
ক) আত্মার্থবাদ
খ) পরার্থবাদ
গ) পূণ্যতাবাদ
ঘ) উপযোগবাদ

সঠিক উত্তরঃ ঘ) উপযোগবাদ

  • উপযোগবাদ (Utilitarianism) এক ধরনের নৈতিক দর্শন, যার মূলনীতি — “সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের জন্য সর্বাধিক সুখ”।
  • এই মতবাদে নৈতিকতার ভিত্তি হলো সুখ বা কল্যাণ; যে কাজ বেশি মানুষের বেশি মঙ্গল বয়ে আনে, সেটাই বেশি নৈতিক।
  • উপযোগবাদের প্রাথমিক ধারণা দেন হাচিসন, তবে এর পূর্ণ রূপ দেন জেরেমি বেনথাম ও জে. এস. মিল।

উৎসঃ নীতিবিদ্যা, স্নাতক স্তর; ব্রিটানিকা।

১৯৪) বাংলাদেশ কত সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করে?
ক) ২০১০
খ) ২০১১
গ) ২০১২
ঘ) ২০১৩

সঠিক উত্তরঃ গ) ২০১২

  • দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল (National Integrity Strategy) প্রণয়ন করে।
  • এতে রাষ্ট্রীয় ও অরাজনৈতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং অংশীজনের ভূমিকা, দায়িত্ব ও করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • এই কৌশলে ‘শুদ্ধাচার’ বলতে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা পরিচালিত উৎকৃষ্ট আচরণকে বোঝানো হয়েছে।

উৎসঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট, National Integrity Strategy of Bangladesh।

১৯৫) বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান কয়টি?
ক) ৩টি
খ) ৫টি
গ) ৪টি
ঘ) ৬টি

সঠিক উত্তরঃ ঘ) ৬টি

বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের ৬টি মূল উপাদান হলো –
১. Voice and Accountability (বাকস্বাধীনতা ও জবাবদিহি)
২. Political Stability and Absence of Violence (রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার অনুপস্থিতি)
৩. Government Effectiveness (সরকারের কার্যকারিতা)
৪. Regulatory Quality (নিয়ন্ত্রণ–ব্যবস্থার গুণগত মান)
৫. Rule of Law (আইনের শাসন)
৬. Control of Corruption (দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ)

অন্য সংস্থাগুলোর মতে উপাদানের সংখ্যা ভিন্ন –

  • UNDP: ৯টি
  • UN: ৮টি
  • IDEA: ৪টি
  • ADB: ৪টি
  • UNHCR: ৫টি

উৎসঃ World Bank Governance Indicators; সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার ওয়েবসাইট।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-(বাকি অংশ)

১৯৬) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
ক) চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া
খ) কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা
গ) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
ঘ) দেবনন্দপুর গ্রাম, হুগলি

সঠিক উত্তরঃ গ) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
ব্যাখ্যা :
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০–১৮৯১):

  • তিনি সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও জনহিতৈষী।
  • ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে তাঁর জন্ম।
  • ১৮৩৯ সালে কলকাতার ‘সংস্কৃত কলেজ’ থেকে তাঁকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি দেওয়া হয়।

তাঁর অবদানঃ

  • বাংলা গদ্যের জনক বলে তাকে অভিহিত করা হয়।
  • তিনিই প্রথম বাংলায় যতি বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার চালু করেন।
  • ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭) তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ; এখানেই তিনি প্রথম বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেন।
  • ‘শিক্ষাসাগর’ ও ‘বর্ণপরিচয়’ বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে যুগান্তকারী গ্রন্থ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌম্য শেখর; বাংলাপিডিয়া।

১৯৭) ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ‘ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ক) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬
খ) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬
গ) ১৯ মার্চ ১৯২৬
ঘ) ২৬ মার্চ ১৯২৭

সঠিক উত্তরঃ খ) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬
ব্যাখ্যা :
‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ’ ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রগতিশীল শিক্ষক–ছাত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

  • ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • সংগঠনের পরিচালনায় ছিলেন –
    • অধ্যাপক আবুল হোসেন (অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগ)
    • মুসলিম হলের ছাত্র এ.এফ.এম. আবদুল হক
    • ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদির প্রমুখ।
  • পেছনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন –
    • কাজী আবদুল ওদুদ (বাংলা বিভাগ)
    • অধ্যাপক কাজী আবদুল কাদীর (যুগিবিদ্যা)।

‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ’-এর মুখপত্র ‘শিখা’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।

  • প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন।
  • পত্রিকার স্লোগান ছিল – “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।”

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৯৮) ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ কার লেখা?
ক) এস. ওয়াজেদ আলী
খ) আবুল হাশিম
গ) আবুল মনসুর আহমদ
ঘ) আবুল হোসেন

সঠিক উত্তরঃ গ) আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা :
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ (১৯৬৮) গ্রন্থটি আবুল মনসুর আহমদের লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক রাজনৈতিক গ্রন্থ।

আবুল মনসুর আহমদের অন্যান্য রাজনৈতিক গ্রন্থঃ

  • ‘শেরেবাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু’ (১৯৭৩)

অন্যান্য সাহিত্যকর্ম –

  • আত্মজীবনী: ‘আত্মকथा’
  • শিশু সাহিত্য: ‘মুসলমানী গল্প’, ‘ছোটদের কাসাসুল আম্বিয়া’, ‘গালিভারের সফরনামা’ (অনুবাদধর্মী) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌম্য শেখর; বাংলাপিডিয়া।

১৯৯৯) “ঐ খেপেছে পাগলী মায়ের দামাল ছেলে” – এখানে ‘দামাল ছেলে’ কে?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) কামাল পাশা
গ) চিত্তরঞ্জন দাস
ঘ) সুভাষ বসু

সঠিক উত্তরঃ খ) কামাল পাশা
ব্যাখ্যা :
‘কামাল পাশা’ – কাজী নজরুল ইসলাম

“ঐ খেপেছে পাগলী মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই,
অসুর-পুরে শেয়াল উঠেছে জ্যোতির্ময় সামাল সামাল তাই।
কামাল! তুমি কামাল কি-না ভাই!
হো হো কামাল! তুমি কামাল কি-না ভাই!”

এই কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

‘অগ্নিবীণা’ –

  • প্রকাশকালঃ সেপ্টেম্বর ১৯২২
  • মোট ১২টি কবিতা আছে –
    • প্রলয়োল্লাস
    • বিদ্রোহী
    • কামাল পাশা
    • রণঝঙ্কার
    • আগমনী
    • ধূমকেতু
    • ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ।

২০০) সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
ক) ‘শনিবারের চিঠি’
খ) ‘রবিবারের ডাক’
গ) ‘বিজলি’
ঘ) ‘দেশদর্শন’

সঠিক উত্তরঃ ক) ‘শনিবারের চিঠি’
ব্যাখ্যা :
‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকাঃ

  • ‘শনিবারের চিঠি’ ছিল ব্যঙ্গ–বিদ্রূপধর্মী সাহিত্যিক পত্রিকা।
  • প্রথমে সাপ্তাহিক, পরে মাসিক রূপে প্রকাশিত হয়।
  • এর মূল উদ্দেশ্য ছিল হাস্যরস ও কৌতুকের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্যচর্চাকে সমালোচনার আলোয় আনা।
  • ১৯৩০–৪০-এর দশকে কলকাতাকেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্যজগতে এই পত্রিকা ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

প্রধান ব্যক্তিত্বঃ

  • পত্রিকার প্রাণপুরুষ ছিলেন সজনীকান্ত দাস।
  • তিনি দীর্ঘদিন পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।
  • প্রথম সম্পাদক ছিলেন যোগানন্দ দাস।

‘শনিবারের চিঠি’র সব লেখা ছদ্মনামে প্রকাশিত হত।
উল্লেখযোগ্য লেখকদের মধ্যে ছিলেনঃ

  • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
  • সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  • অশোক চট্টোপাধ্যায়
  • সুভীমল রায়
  • মহীতোষ মজুমদার
  • সজনীকান্ত দাস
  • যোগানন্দ দাস
  • নীরদচন্দ্র চৌধুরী প্রমুখ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

←Previous
Next→

Recent post

  • Hello world!
    January 21, 2026
  • ৪৬ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
    January 16, 2026
  • How_to_Learn_Vocabulary
    January 16, 2026
  • 103. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রিতে (পাস কোর্সে) পড়ে বিসিএস ক্যাডার
    January 16, 2026
  • চাকুরি_প্রস্তুতি_প্রিলিমিনারি।
    January 16, 2026
  • প্রশাসন ক্যাডার, ৪৪তম বিসিএস
    January 16, 2026

Tags

Categories

  • bangla blogs
  • bangladesh
  • banking and finance
  • bcs questions
  • Blog
  • economy
  • english blogs
  • environment
  • international
  • technology
  • translations
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • পরিবেশ
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স