• 40th-bcs-preliminary-questions
    • 46th BCS
    • bangla-blogs
    • BCS Question Bank
    • Elementor #1295
    • Elementor #8
    • English Blogs
    • Home
    • Privacy Policy
    • Quiz Game
    • Test Page
bangla blogs Blog বাংলাদেশ

406. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বঙ্গোপসাগর সামুদ্রিক রুটের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব আলোচনা করুন

April 6, 2024

বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রীক ভূরাজনীতি  বঙ্গোপসাগর ও মালাক্কা প্রণালির মধ্য দিয়ে যাওয়া বাণিজ্যিক রুটগুলোর ওপর জ্বালানি ও  বাণিজ্যের জন্য চীন যেমন নির্ভরশীল, তেমনি এ অঞ্চলের অন্য দুই শীর্ষ অর্থনীতির দেশ  কোরিয়া-জাপানও ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী কিছু চ্যানেলের ওপর নির্ভরশীল।  ঐতিহাসিকভাবেই বার্মার সঙ্গে জাপানের একটি সম্পর্ক রয়েছে। জাপান অনেক আসিয়ান  দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগ করেছে এবং বর্তমানে বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র  করে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে চায়। এ দুই কারণ জাপানকে এ অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ  করে তুলেছে। অন্যদিকে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় অর্থনৈতিক সংযুক্তি বাড়িয়ে এসব দেশের  সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে ভারত। বঙ্গোপসাগরে চীনের অর্থনৈতিক ও  ভূরাজনৈতিক প্রভাব বাড়তে দেখে ভারতও এখানে মনোযোগ বাড়িয়েছে। চীন ও জাপানের  মতো যুক্তরাষ্ট্রও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সংযোগ বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তার পূর্বতন নীতি  অনুযায়ী ভারত মহাসাগরীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আধিপত্য  ফলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিককে একীভূত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং দুই  ধরে রাখার পাশাপাশি এ দুটো অঞ্চলকে পৃথক দেখার নীতি থেকে এখন সরে আসছে। যার  অঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সমন্বয় বাড়িয়েছে। 

  কোয়াড বনাম বিআরআই  চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্পের পরিধি সম্পর্কে সচেতন হ  পূর্ব উপকূল থেকে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত ‘ইন্দো-প্যাসিফিক করিডোরের প্রস্তাব  ওঠা জাপান ‘মুক্ত এবং উদার ইন্দো-প্যাসিফিকের বিষয়ে জোর দিচ্ছে। অন্যদিকে আফ্রিকার  দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির ওপর জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের এ নতুন আন্তর্জাতিক  আলোচনায় খুব দ্রুততার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতকে যুক্ত করা হয়েছে। এ ধারাবাহিকতার  ২০১৭ সালে আঞ্চলিক জোট কোয়াড (যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত) গঠন করা  হয়। এটির উদ্দেশ্য বঙ্গোপসাগরসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আঞ্চলিক অবকাঠামোগেত  উন্নয়নে একে অন্যকে সহযোগিতা করা । আঞ্চলিক অবকাঠামো উদ্বেগ নিয়ে ভারত কোয়াডের  সঙ্গে রয়েছে; অন্যদিকে চীনের বিআরআইয়ের বিকল্প কাঠামো দাড় করাতে ‘ব্লু ডট  নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠা করছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া ।    

চীন ও ভারতের দৌরাত্ম  তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই চীন ও ভারতের  জন্য বঙ্গোপসাগর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দেখা যাচ্ছে একই কৌশলগত জায়গায় প্রভাব  বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েই চলেছে। বঙ্গোপসাগরে ভারতের  সুবিধা হচ্ছে এর সীমান্ত বরাবর প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার উপকূল রয়েছে। অন্যদিকে  উপকূলের বাইরে থেকেও বঙ্গোপসাগরে নিজেদের স্বার্থ ও আধিপত্য বিস্তারে লড়াই করে যাচ্ছে চীন।

 চীনের মেরিটাইম সিল্ক রুট  চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে ইন্দোনেশিয়ার পার্লামেন্টে মেরিটাইম সিল্ক রুট  বিষয়টি উপস্থাপন করেন। তবে মেরিটাইম সিল্ক রুট নিয়ে এটিই প্রথম উপস্থাপন নয়। এ  আইডিয়া চীনের আগেও ছিল। আধুনিক মেরিটাইম সিল্ক রুট অন্তত কাল্পনিকভাবে হলেও  পুরনো মেরিটাইম সিল্ক রুটের সঙ্গে সম্পর্কিত। পুরনো মেরিটাইম সিল্ক রুটটি চীনের শহর  ফুজহো থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মালাক্কা প্রণালি, ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর  হয়ে ইউরোপের মধ্য দিয়ে প্রসারিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক মেরিটাইম সিল্ক রুট দিয়ে রেশম,  মৃৎশিল্প ও চা রফতানি করত চীন। পাশাপাশি এ রুট দিয়ে চীনের জনগণ পূর্ব চীন সাগর,  দক্ষিণ চীন সাগর, বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরের মতো জলরাশিতে ব্যবসা করার সুযোগ  পেয়েছিল। মেরিটাইম সিল্ক রুটের আধুনিক কার্যক্রমের সঙ্গে এ বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়েছে।    

বহুদেশীয় বৃহৎ নেটওয়ার্ক  ২০১৭ সালে চীন ব্লু ইকোনমি ডিভিশন নামে মেরিটাইম সিল্ক রুটের জন্য একটি পরিকল্পনা  প্রকাশ করে, যা মেরিটাইম সিল্ক রুটের আওতায় এশিয়াকে আফ্রিকা, ওশেনিয়া ও ইউরোপের  সঙ্গে একই লাইনে নিয়ে আসবে। দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের  (বিআরআই) মধ্যে রয়েছে চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি), বাংলাদেশ-চীন-  ভারত-মিয়ানমার (বিসিআইএম) করিডোর এবং একবিংশ শতাব্দীর মেরিটাইম সিল্ক রুটের  আওতায় বাংলাদেশ-শ্রীলংকা-মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। এসব পরিকল্পনার দ্রুত  বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৬২ বিলিয়ন ডলারের সিপিইসি প্রকল্পটিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।  পাকিস্তান তার ইকোনমিক করিডোর সিপিইসির পরিধি দেশটির বাইরে নিয়ে আসতে চায়,  যেন এখানে এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোও অংশ নিতে পারে। চীনের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য  হচ্ছে একটি বহুদেশীয় বৃহৎ নেটওয়ার্ক তৈরি, যা মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া এবং ইউরেশিয়া    মহাদেশের কেন্দ্রস্থলে আধিপত্য বিস্তার করবে। চীন-পাকিস্তান-ভারত-ইরান-আফগাস্তিান-  কাজাখস্তান প্যাসেজ নির্মাণের মধ্য দিয়ে দেশটি এ লক্ষ্য পূরণ করতে চায়।    

মেরিটাইম সিল্ক রুটের অবকাঠামো ভিত্তিক বিষয়  মেরিটাইম সিল্ক রুটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়েই থাকবে বিশাল ও মজবুত অবকাঠামো  নির্মাণ। যেমন দ্রুতগতির রেলপথ, গ্রুওয়ে, বিশেষ হাইওয়ে বা মালবাহী ট্রাক চলাচলের পথ,  আকাশ ও সমুদ্রবন্দর, ইউটিলিটি স্টেশন এবং তেল, বিশেষ গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ এবং  গণমাধ্যম ট্রান্সমিশন সংস্থা নির্মাণ প্রভৃতি। এছাড়া এসব অঞ্চলের অভ্যন্তরে বিশাল শিল্প পার্ক  ও অ্যাসেম্বলিং কারখানাসহ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (স্পেশালাইজড ইকোনমিক জোন)  নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং শিল্প পার্ক বেল্ট অ্যান্ড রোড  উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরিকল্পিত হলেও মেরিটাইম সিল্ক রুট প্রকল্পের সরবরাহ, উন্নয়ন,  জ্বালানি, বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পসংশ্লিষ্ট স্বার্থগুলো সংরক্ষণ করবে। এগুলো ছাড়াও বিনিময়,  রফতানি মেলা, এক্সিবিশন করিডোরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মেরিটাইম সিল্ক রুটের সমগ্র  বিস্তৃতিজুড়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রম উদ্বুদ্ধ করে এমন ভিন্ন ভিন্ন কাঠামোও তৈরি করবে।   

 মেরিটাইম সিল্ক রুটের প্রসার  যখন থেকে বেল্ট অ্যান্ড রোড কার্যক্রম শুরু হয়েছে তখন থেকেই অসংখ্য দেশ এ আধুনিক  একবিংশ শতকের মেরিটাইম সিল্ক রুট অথবা সিল্ক স্ট্রিট ফাইন্যান্সিয়াল বেল্ট বা উভয়ের  সঙ্গেই কার্যকরভাবে জড়িত হয়ে পড়েছে। এসব প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তালিকায়  বর্তমানে বাংলাদেশ, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, চীন, কাজাখস্তান, কুয়েত, লাওস, মালয়েশিয়া,  মিয়ানমার, নেপাল, ওমান, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কাতার, সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড,  উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনামের নাম রয়েছে। ভবিষ্যতে এ তালিকা আরো দীর্ঘ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।   

 ব্লু স্পেস এবং ইকোনমি নির্মাণ  একবিংশ শতকের মেরিটাইম সিল্ক রুটের দেশগুলোর ব্লু স্পেস এবং ইকোনমি নির্মাণের  ক্ষেত্রে অর্জন যথেষ্ট নয়। যদি ব্লু স্পেস এবং ব্লু ইকোনমি নির্মাণ হতো তাহলে সামুদ্রিক  জলবায়ু বীমা, সামুদ্রিক আন্তঃসংযোগ এবং মৌলিক সামুদ্রিক প্রশাসনসংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো  চিহ্নিত করা যেত। বঙ্গোপসাগর মূলত বিশ্বের অর্থনৈতিক হাইওয়েতে অবস্থিত। এ জলপথ  দিয়ে ভারত, জাপান ও চীনের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানির ৬৬ শতাংশ সম্পন্ন হয় এবং বিশ্বের  বিশালাকার (বাল্ক) কার্গোর ৩৩ শতাংশই এ পথে যাতায়াত করে। যা বাংলাদেশসহ  ঘনবসতিপূর্ণ উপকূলীয় দেশগুলোয় প্রবৃদ্ধির জোগান দিচ্ছে। বঙ্গোপসাগর হয়ে আঞ্চলিক  সংযোগ দক্ষিণ এশিয়ার নাগরিকদের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।    

ভারতমহাসাগর তথা বাংলাদেশের গুরুত্ব  • একবিংশ শতাব্দীর মেরিটাইম সিল্ক রুট বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের উপকূলে মিলিত  হয়েছে। এ সামুদ্রিক পথ এবং চীনের বিআরআই সিল্ক রুট ইকোনমিক বেল্ট মিলে ভারত  মহাসাগরকে চীনের স্থলবেষ্টিত দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশের সঙ্গে সংযুক্ত করতে চায়। এ দুই বিষয়  বাংলাদেশের গোটা অঞ্চলের দারিদ্র্য বিমোচন এবং টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতার অনন্য  সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সামরিক শক্তির পাশাপাশি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায়  মেরিটাইম সিল্ক রুট অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ভিত্তি সৃষ্টির জন্য সুযোগ তৈরি করবে। 

বাংলাদেশের সবচেয়ে অনবদ্য অংশ হচ্ছে এর ২৪ হাজার ৪২৪ বর্গকিলোমিটার  টেরিটোরিয়াল-সি (অভ্যন্তরীণ সমুদ্র অঞ্চল) এবং ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ বর্গকিলোমিটার  এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (ইইজেড) । দুটি মিলিয়ে যে অঞ্চল হয় তা মূল ভূখণ্ডের চেয়ে ১  দশমিক ১ গুণ বড়। এসব দিক থেকে বাংলাদেশকে ‘সমুদ্র প্রধান দেশ’ হিসেবে আখ্যায়িত  করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের অনেক সমুদ্রবন্দর রয়েছে যেগুলোর দূরত্ব ‘সেভেন সিস্টারস    সীমান্তবেষ্টিত এবং শুধু দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের সঙ্গে ২৭১ কিলোমিটারের একটি সরু  নামে পরিচিত ভারতীয় অঞ্চলের কাছাকাছি। আর বাংলাদেশের ভূখণ্ডের তিনদিকই ভারতের  সীমান্ত থাকার কারণে এসব দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে হাজার কিলোমিটার লম্বা একটি উপকূল রেখা  রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের অবস্থান ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে এবং এটি মালাকা  প্রণালির পাশেই অবস্থিত। এটি মালদ্বীপ, ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, শ্রীলংকা,  ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর দ্বারা বেষ্টিত। বঙ্গোপসাগর মূলত মধ্য ভারত  মহাসাগরের পশ্চিম ও পূর্ব সীমায় অবস্থিত মালদ্বীপ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিস্তৃত। উত্তরে রয়েছে  গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদী অববাহিকার বদ্বীপ অঞ্চল। বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের  সমুদ্র বন্দরের অধিকারী বাংলাদেশের হিন্টারল্যান্ড বা পশ্চাদ্ভূমির মধ্যে রয়েছে হিমালয়ের  পশ্চিম ও পূর্ব ভূ-অঞ্চল, পূর্ব ভারত, নেপাল, ভুটান ও দক্ষিণ-পশ্চিম চীন।  শীর্ষদেশ। 

বঙ্গোপসাগর হচ্ছে ১৫৮ কোটি মানুষ এবং বিভিন্ন সংস্কৃতি ও উপভাষার একটি দুর্দান্ত  ভাণ্ডার। এছাড়া আটলান্টিক মহাসাগর, ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, সুয়েজ খালু, পারস্য  উপসাগরের সঙ্গে পশ্চিমে হরমুজ প্রণালি এবং আগের মালাক্কা প্রণালি, সুন্দা প্রণালির মতো  কয়েকটি প্রণালির মধ্য দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর পরিবহন ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ  সংযোগ প্রদানকারী হিসেবে কাজ করছে এ বঙ্গোপসাগর।

 বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে বঙ্গোপসাগরের সর্বাঙ্গীণ ব্যবস্থাপনাকে  গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ এ অঞ্চলে বাণিজ্যিক, সম্পদ আহরণসহ অন্যান্য প্রবৃদ্ধি কার্যক্রম  অব্যাহতভাবে বাড়ছে। এর পাশাপাশি ভারত-চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক  উৎপাদনশীলতা, আঞ্চলিক কূটনীতিতে তাদের ইতিবাচক প্রভাব নতুন আঞ্চলিক জোট গঠনের  ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ।    

যা করতে হবে  এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে এখন ইন্দো-প্যাসিফিক পলিসি এবং রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ  ইকোনমিক পার্টনারশিপ বা আরসিইপির প্রবর্তক দেশগুলোর মতো বৈশ্বিক প্রভাবশালীদের  সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হবে। কারণ বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক উপকূলীয় অঞ্চলে  কম্প্রিহেনসিভ ওশ্যান ম্যানেজমেন্ট রেজিম (সিওএমআর) গঠনের জন্য সব ছোট দেশকে  সামনে রাখা হচ্ছে। এপ্রিল ০৬, ২০২৪। ড. রেজাউল করিম চৌধুরী: ক্যাপ্টেন, মেরিটাইম  পরামর্শদাতা, আইনজীবী; বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া, টেরেংগানুতে গবেষণারত  কাজী মো. আবু সাইদ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার এমএস, মেরিটাইম পলিসি, ইউনিভার্সিটি  মালয়েশিয়া টেরেংগানু। সূত্র: বণিকবার্তা। 

←Previous
Next→

Recent post

  • Hello world!
    January 21, 2026
  • ৪৬ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
    January 16, 2026
  • How_to_Learn_Vocabulary
    January 16, 2026
  • 103. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রিতে (পাস কোর্সে) পড়ে বিসিএস ক্যাডার
    January 16, 2026
  • চাকুরি_প্রস্তুতি_প্রিলিমিনারি।
    January 16, 2026
  • প্রশাসন ক্যাডার, ৪৪তম বিসিএস
    January 16, 2026

Tags

BCS Exam BCS Model Test BCS Preliminary BCS Preparation BCS Questions BCS Study Materials BCS Syllabus BCS Viva Preparation BCS Written Exam

Categories

  • bangla blogs
  • bangladesh
  • banking and finance
  • bcs questions
  • Blog
  • economy
  • english blogs
  • environment
  • international
  • technology
  • translations
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • পরিবেশ
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স