• 40th-bcs-preliminary-questions
    • 46th BCS
    • bangla-blogs
    • BCS Question Bank
    • Elementor #1295
    • Elementor #8
    • English Blogs
    • Home
    • Privacy Policy
    • Quiz Game
    • Test Page
bangla blogs অর্থনীতি

301.: আর্থিক সাক্ষরতা কী? কিভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে? স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আর্থিক সাক্ষরতা ব্যাখ্যা করুন।

March 4, 2024

আজ ৪ মার্চ, আর্থিক সাক্ষরতা দিবস। ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সর্বপ্রথম  আর্থিক সাক্ষরতার মাসের প্রচলন করে। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ড্যানিয়েল আকাকা সিনেটে দেয়া  ভাষণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আর্থিক বিষয় সম্পর্কে  নাগরিকরা যাতে ব্যক্তিগতভাবে পরিষ্কার ধারণ পেতে পারে সে ব্যাপরে জনসচেতনতা বৃদ্ধির  আহ্বান জানান । বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সোমবার ‘আর্থিক সাক্ষরতা  দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ গ্রহণ করেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর প্রথমবারের মতো ৬  মার্চ দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আর্থিক সাক্ষরতা দিবস পালন করে। দিবসের  মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘প্রবাসী আয় বৈধ পথে প্রেরণের লক্ষ্যে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি’  করা। দিবসটির অন্যান্য উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ডিজিটাল  ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, আর্থিক জালিয়াতি, ভোক্তা সুরক্ষা উন্নতকরণ প্রভৃতিবিষয়গুলো সম্পর্কে  জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। 

আর্থিক সাক্ষরতা কী 

আর্থিক সাক্ষরতা বলতে আমরা বুঝি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অন্তর্নিহিত কার্যকরণ। আয়-ব্যয়  পরিকল্পনা, বিনিয়োগ, আর্থিক ও ঋণ ব্যবস্থপনা প্রভৃতির মতো আর্থিক ধারণাগুলোকে বোঝার  এবং প্রয়োগ করার সক্ষমতাকে আর্থিক সাক্ষরতা বলে। একজন ব্যক্তি কীভাবে উপার্জন করে  এবং কীভাবে খরচ করে, কীভাবে মূল্যস্ফীতি ব্যক্তির ক্রয়ক্ষমতা বদলে দেয়, কীভাবে সুদের  হার ব্যক্তির সম্পদ ও দায়ের মূল্য প্রভাবিত করে, কী কারণে শেয়ার বাজার ওঠানামা করে,  কীভাবে সঞ্চয় করা এবং তা সংরক্ষণ করা যায় প্রভৃতি বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা প্রদানই আর্থিক  সাক্ষরতার মূল উদ্দেশ্য। সহজ ভাষায় বলতে একজন ব্যক্তিকে আর্থিক চ্যানেলে সংযুক্ত করার  মাধ্যমে অর্থ প্রবাহের বিভিন্ন ধারণা দেয়াই আর্থিক সাক্ষরতা। আর্থিক সাক্ষরতার লক্ষ্য হচ্ছে  যে, ব্যক্তি তার অর্থনৈতিক পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হবে এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে নিজের কাজে লাগিয়ে উপকৃত হবে। 

এগিয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভরতা ব্যাংকিং

 গত দুই দশকে দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সাধারণ ব্যাংকিং  পরিবর্তিত হয়েছে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে। আর ইন্টারনেট সেবা ও প্রযুক্তিনির্ভরতায় ব্যাংকিং  সেবা প্রকৃত অর্থেই গ্রাহকের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। বাংলাদেশ এগোচ্ছে, সমানতালে  উন্নত হচ্ছে আর্থিক সেবাদান প্রক্রিয়াও। এরপরও দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী রয়ে গেছে  ব্যাংকিং সেবার বাইরে। ফলে তারা উন্নয়নস্রোতের বাইরে থেকে যাচ্ছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির  মাধ্যমে অর্থ প্রবাহের যাবতীয় সুবিধাগুলো বঞ্চিতদের কাছে দেয়াই বর্তমান সময়ের অন্যতম চ্যালেঞ্জ

 আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম 

একটি দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক  ব্যাংকিং খাতের বাস্তবায়ন একটি সময়োচিত পদেক্ষেপ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের  উন্নয়নশীল দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ধারণাটি  ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। সারাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে আর্থিক সেবা  সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে দেয়াই আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের  মাধ্যমে দেশের ব্যাংকিং খাতে গ্রামের মানুষের ক্ষুদ্র হিসাবের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি  বেড়েছে তাদের রাখা আমানতের পরিমাণও। 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) করা জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী  দেখা যায়, জাতীয় পর্যায়ে দেশের ২৫.৩৫ শতাংশ মানুষ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আর্থিক লেনদেন  করছে। অর্থাৎ তারা ব্যাংক, বিমা, ক্ষুদ্রঋণ, ডাকঘরের পাশাপাশি, নগদ বা রকেট ছাড়াও  অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করছে। এতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পরিধি বাড়ছে। 

 বিবিএসের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী দেশের শহর  এলাকার ৩১.২৬ শতাংশ এবং গ্রামের ২২.৫১ শতাংশ মানুষ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত।  লিঙ্গভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৩১.০৭ শতাংশ পুরুষ এবং ১৯.৯২ শতাংশ নারী  অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করে। বিভাগগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে ঢাকার মানুষ।  এই বিভাগের ২৮.১৭ শতাংশ মানুষ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করে। সবচেয়ে কম  ময়মনসিংহে ১৭.২৩ শতাংশ । 

আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে এজেন্ট ব্যাংকিং

 বাংলাদেশে আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে অন্যতম নেতৃত্ব দিচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং। আধুনিক তথ্য  ও যোগাযোগ প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার  মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং দেশের আর্থিক সেবা খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। এর ফলে একদিকে  প্রান্তিক মানুষ আর্থিক সেবার মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন, অন্যদিকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বিকাশের  কারণে সামিষ্টিক অর্থনীতিও শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড়াচ্ছে। এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার  মাধ্যমে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে যাচ্ছে। এর বিপরীতে চার্জ বা ফি’র  পরিমাণ খুবই কম। যে কারণে গ্রাহকদের খরচও কম। এজেন্ট ও আউটলেটের সংখ্যাও দিন  দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত, অশিক্ষিত, কম শিক্ষিত ও শিক্ষিত সব শ্রেণি-পেশার  মানুষকে ব্যাংকিংয়ে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব হচ্ছে। সব মিলে এর ফলে গ্রামীণ আর্থসামাজিক  পরিস্থিতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে ।

 এজেন্ট ব্যাংকিং এর প্রসার

  ২০১৪ সালে ছোটভাবে শুরু হওয়া এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা এখন বেশ বড় আকার ধারণ  করেছে। বর্তমানে দেশজুড়ে ২১ হাজার কেন্দ্রের মাধ্যমে দেয়া এই সেবা জনপ্রিয়তা পেয়েছে।  এজেন্টদের মাধ্যমে টাকা জমা দেয়া, ঋণ নেয়া, পরিষেবা বিল পরিশোধ, প্রবাসী আয়  গ্রহণসহ নানা ধরনের সেবা মিলছে। সব মিলিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হওয়ায় ব্যবসা-  বাণিজ্যসহ গ্রামীণ অর্থনীতি বেশ চাঙা হচ্ছে। কারণ, এজেন্টদের ৮৫ শতাংশই গ্রাম  এলাকার। সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ৬ লাখ ৮৪  হাজার ৫৩৭ জন। এর চেয়ে বড় সাফল্য হলো, গ্রাহকদের প্রায় অর্ধেকই নারী। আবার  গ্রাহকদের সিংহভাগই গ্রাম এলাকার। সেপ্টেম্বরে গ্রামাঞ্চলের হিসাব ছিল ১ কোটি ৭৮ লাখ  ১৮ হাজার ৯৬৬টি। এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় সেবা ছড়িয়ে পড়েছে।

 ‘নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্ট’ 

বর্তমানে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সুবিধা হিসাব খোলার সুযোগ দেয়া হচ্ছে  এবং এগুলোকে নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্ট (এনএফএ) বলা হয়। এই নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্টে  ন্যূনতম ব্যালেন্স বা সার্ভিস চার্জ/ফি নেই। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের  পর ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা দিয়ে খোলা স্বল্প আয়ের মানুষের এ ধরনের ব্যাংক হিসাবগুলোতে  জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা। এ সময়ে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোতে  ৩ কোটি ১১ লাখের বেশি নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্ট ছিল। সাধারণত চলমান সঞ্চয় হারের  তুলনায় নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্টগুলোয় বেশি হারে সুদ দেয়া হয়। এই ব্যাংকিং সুবিধাভোগীর  মধ্যে আছেন-কৃষক, পোশাকশ্রমিক, অতি দরিদ্র, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগীরাসহ অনেকে ।

 আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে সরকারি পদক্ষেপ

 সরকার বাংলাদেশে নিম্ন আয়ের মানুষ ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং খাতের সেবার  আওতায় আনতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অংশ হিসেবে গরিব  কৃষকদের ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় সরকারের  বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ বিতরণ, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র জীবন বিমাগ্রহীতা,  বেকার তরুণ, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, গার্মেন্টস শ্রমিক, অতি দরিদ্র উপকারভোগী, অতি দরিদ্র  মহিলা উপকারভোগী, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সুবিধাভোগী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দুস্থ  পুনর্বাসনের অনুদানপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এনমকি পথশিশুও ব্যাংক হিসাব খুলতে পারছে। 

অন্তর্ভুক্তিতে চ্যালেঞ্জ 

দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী যারা আর্থিক খাতে বাইরে আছে যাদের অন্তর্ভুক্তিই করা অত্যন্ত  জরুরি। বিশ্ব ব্যাংকের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য অনেক প্রচেষ্টা  সত্ত্বেও দেশের ব্যাংক হিসাব নাই এমন শীর্ষ সাতটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। বিশ্ব  ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে বিশ্বের ১৪০ কোটি পূর্ণ বয়স্ক মানুষ এখনও  ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে আছে। ব্যাংক হিসাবের বাইরে থাকা প্রায় ৭৪ কোটি মানুষের বাস  চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল সাত দেশে। বাংলাদেশের এখনও ৩  কোটি মানুষ ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে আছেন। বাংলাদেশের প্রায় জনসংখ্যা ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে আছেন।

আর্থিক প্রযুক্তিতে ব্যাংকের প্রসার 

দেশে বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬১টি হলেও ব্যাংক খাতের সঙ্গে জনগণের  সম্পৃক্ততায় এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ। ডেবিট কার্ড ব্যবহার,  সঞ্চয়, আর্থিক অন্যান্য কার্যক্রমেও মানুষের ব্যাংকের সম্পৃক্ততা কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,  বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলোর অধিকাংশ শাখা শহরভিত্তিক, গ্রামীণ শাখায় তাদের  আগ্রহ কম। ফলে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বহু মানুষ ব্যাংকিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।  পরিসংখ্যানে দেখা যায়, একক ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির গ্রাহক  সংখ্যা ২ কোটি ৩০ লাখ যা বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চ। ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন  দেয়ার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব, ব্যাংক  ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর এক গবেষণায় জানা যায়, বাংলাদেশে মাত্র ১ দশমিক ৬  শতাংশ মানুষ ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন-ভাতাদি পাচ্ছেন। এ হার প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে  অনেক কম। মালয়েশিয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে বেতন পরিশোধের হার ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ,  শ্রীলঙ্কায় ৭ দশমিক ১ শতাংশ, ভুটানে ৬ দশমিক ৪, ভারতে ৩ ও নেপালে ২ দশমিক ৪  শতাংশ জনবল ব্যাংকিং চ্যানেলে বেতন গ্রহণ করেন । 

আর্থিক অন্তর্ভুক্ততার প্রতি জোরদারকরণ

 বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনে ব্যাংক খাতের সঙ্গে আরও অধিক জনসংখ্যার সম্পৃক্ততা  বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেজ্ঞরা। বর্তমানে অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংকের কার্যক্রয়  শহরাঞ্চলকেন্দ্রিক হওয়ায় গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এর আওতার বাইরে থেকে যান। তাছাড়া,  ব্যাংকগুলোর ঋণের ৮৫ শতাংশই ঢাকা ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। দেশের সব প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে  ব্যাংকের আওতায় আনতে হলে ব্যাপক জনসচেতনা সৃষ্টি করতে হবে। অর্থ প্রবাহের  বহুমুখীকরণের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে, যা সামষ্টিক অর্থনীতিতে  ইতিবাচক প্রভাব বয়ে আনবে। গ্রাম পর্যায়ে ব্যাংকিং সেবা বিস্তারে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যকর  আরও বাড়াতে হবে। আর এ জন্যই অর্থিক সাক্ষরতার ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।  বাংলাদেশ সরকার দেশকে স্মার্ট করার জন্য নানামুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন  করছে। মোট কথা, বিশাল জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার বাইরে রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ  কোনোভাবেই অর্থবহ হবে না। ৪ মার্চ ২০২৪। এম এ মাসুম: ব্যাংকার এবং গ্রন্থকার  “বৈদেশিক বিনিময় বাণিজ্য ও অর্থায়ন’। সূত্র: শেয়ার বিজ নিউজ। 

←Previous
Next→

Recent post

  • Hello world!
    January 21, 2026
  • ৪৬ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
    January 16, 2026
  • How_to_Learn_Vocabulary
    January 16, 2026
  • 103. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রিতে (পাস কোর্সে) পড়ে বিসিএস ক্যাডার
    January 16, 2026
  • চাকুরি_প্রস্তুতি_প্রিলিমিনারি।
    January 16, 2026
  • প্রশাসন ক্যাডার, ৪৪তম বিসিএস
    January 16, 2026

Tags

Categories

  • bangla blogs
  • bangladesh
  • banking and finance
  • bcs questions
  • Blog
  • economy
  • english blogs
  • environment
  • international
  • technology
  • translations
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • পরিবেশ
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স