• 40th-bcs-preliminary-questions
    • 46th BCS
    • bangla-blogs
    • BCS Question Bank
    • Elementor #1295
    • Elementor #8
    • English Blogs
    • Home
    • Privacy Policy
    • Quiz Game
    • Test Page
bangla blogs Blog অর্থনীতি বাংলাদেশ

328. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করুন।

January 10, 2026

বিগত দুশ বছরে কার্যত পৃথিবীর প্রতিটি দেশে মানুষের আর্থ-সামাজিক ও বৈশ্বিক জীবনে বিরাট পরিবর্তন ঘটেছে। ১০০০ খ্রিস্টাব্দে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ছিল ২৭ কোটি ৫০ লাখ। বর্তমানে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। ২০৫০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ পৃথিবীর জনসংখ্যা ৯৭০ কোটিতে দাঁড়াবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি, মানুষের জীবন-জীবিকার ক্ষেত্রে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আধুনিকতার সুবাদে জীবনযাত্রার সনাতন ধারা অনেকভাবেই বদলে গেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বেড়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা বদলেছে। জাতীয় আয় বেড়েছে। তাল মিলিয়ে মানুষের মাথাপিছু আয়ও বেড়েছে। মানুষের জীবিকার কাঠামোয় ঘটেছে বিরাট পরিবর্তন। উন্নততর পুষ্টিমান ও অপুষ্টিজনিত কারণে স্বাস্থ্যজনিত ভোগান্তি হ্রাস পেয়েছে। এসব মিলে মানবজীবনের যে মানোন্নয়ন ঘটেছে বা মানব সভ্যতার যে আবর্তন ও বিবর্তন ঘটেছে, তার অনিবার্য কেন্দ্রবিন্দু হলো কৃষি। কৃষি থেকে শিল্পায়ন ও নগরায়িত সমাজে রূপান্তিকরণে ‘ক্রমাগত প্রক্রিয়ায় কৃষির অবদান সন্দেহাতীত’।

সমাজ রূপান্তর

সমাজের আধুনিকায়ন ও শিল্পায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষের চাহিদার ভিত্তিতে একদিকে যেমন পণ্য উৎপাদনের উপাদানের চাহিদা বেড়েছে, অন্যদিকে পল্লী পণ্য ও সেবার চাহিদাও বেড়েছে। সেইসঙ্গে জমি, শ্রম ও মূলধনের মতো উৎপাদনের উপাদানের বাজারেও পরিবর্তন এসেছে। পল্লীর একান্ত দরিদ্র মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শ্রমবাজার। বলার অপেক্ষা রাখে না, দরিদ্র লোকের হাতে তেমন জমি বা মূলধন থাকে না। শ্রম হলো তাদের একমাত্র মূলধন। পল্লীর কৃষিপণ্য ও পরিসেবার চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পল্লীর কৃষিবহির্ভূত অর্থনীতি বিকশিত হয়। পণ্য উৎপাদন বাড়লে শ্রমের চাহিদাও বৃদ্ধি পায়। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে । শ্রমের কৃষিবহির্ভূত বর্ধিত চাহিদা মজুরি বৃদ্ধির চাপ বাড়ায়। এতে করে পল্লীর দরিদ্র মানুষের আয় বৃদ্ধি পায়। দারিদ্র্য হ্রাস পায়। গ্রামীণ সমাজে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে এবং দারিদ্রদ্র্য হ্রাসের সুযোগ সৃষ্টি করে। দারিদ্র্য কমানোর এটি একটি অবিসংবাদিত পথ বলে ধারণা করা যায়।

সবুজ বিপ্লব

 নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর প্রক্রিয়াটি কালক্রমে ‘সবুজ বিপ্লব’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। সংকট মুহূর্তে সমাধানের শুভলক্ষণ হিসেবে এ নামে পরিচিত। এই সবুজ বিপ্লব ঘটে ১৯৬০-এর দশকে। এর প্রেক্ষাপট নিয়ে আগেই আলোচনা করা হয়েছে। এ বিপ্লবের মূল ভিত্তি ছিল উচ্চ ফলনশীল (ঐরময পরবষফরহম ঠধত্রবঃ) বীজ। একইসঙ্গে উপকরণ হিসেবে রাসায়নিক সার (কৃত্রিম) ও কীটনাশকের ব্যবহার। এসব উপকরণ প্রাপ্যতা ও যোগান দেওয়ার ক্ষমতা বেড়েছে। সাম্প্রতিককালে সবুজ বিপ্লবের সামাজিক ফল সম্পর্কিত অভিমতের পাল্লা মাঝামাঝি জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষিতে উৎপাদনশীলতা ও মোট উৎপাদন বেড়েছে তা এখন সর্বজনীন স্বীকৃত। একই সঙ্গে সবুজ বিপ্লবের উপকারিতা বা ন্যায়বিচার-বণ্টনের প্রশ্নে পার্থক্যের উনমূল্যায়ন বা অধিমূল্যায়ন যাতে না ঘটে, সেদিকেও সবাই সতর্কতা অবলম্বন করছেন। এই প্রযুক্তির বিরুদ্ধে অন্য সব যুক্তি হলো: ফসলের বৈচিত্র্য কমে গেছে। এর কারণ, হাইব্রিড বা উচ্চ ফলনশীল প্রজাতির কারণে ফসলের জাতের সংখ্যা কমে গেছে । কমতে কমতে হাতে গোনা কয়েকটিতে এসে ঠেকেছে। ইদানীং এসব ফসলের ওপর রোগ ব্যাধি ও পোকার আক্রমণ বেড়েছে। তাতে রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহারের মাত্রা বেড়ে গেছে। তবে প্রাণপ্রযুক্তি ও অন্যান্য গবেষণার মাধ্যমে এসব সমস্যার প্রতিকারও খোঁজা হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে এমন সব জাতের ফসল উদ্ভাবন করা হচ্ছে যেগুলো পোকা ও রোগবালাইয়ের বিরুদ্ধে অনেক বেশি প্রতিরোধক ।

কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন

দূরত্ব, জনঘনত্ব, জীবনমান ও উন্নয়নের স্তর বিবেচনায় দেশে সকল পল্লী এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থান সমান নয়। সেই কারণে সকল পল্লী এলাকায় একই উন্নয়ন কৌশল উপযোগী হওয়ার নয়। উন্নয়নশীল দেশের অনেক এলাকা মূলত এখনও অনুন্নত ও কৃষি জীবনধারণভিত্তিক। এসব অনুন্নত এলাকাতে উন্নত কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগে তাৎপর্যপূর্ণ হারে উৎপাদন বাড়ানো যাবে। এতে পল্লী অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা বেড়ে যাবে । কৃষির বিভিন্ন উপখাতও এতে অবদান রাখতে পারবে। যেমন- মাছ, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য এবং সনাতন রপ্তানি পণ্য বা আমদানি বিকল্প পন্য; যেমন কফি, চা, তুলা ও ফুলের মতো উদ্যান পণ্যের উৎপাদন। কৃষক তাদের উৎপাদনে বিভিন্নমুখিতা ও বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে পারলে, কোনো না না কোনোভাবে তারা পল্লীর কৃষিবহির্ভূত অর্থনীতির সঙ্গে সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সংযোগসূত্র বা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

কৃষি ও শিল্প খাতে শ্রমিকের চাহিদা ও উৎপাদনশীলতা

 প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, অর্থনীতি তিনটি প্রধান খাত নিয়ে গঠিত: কৃষি, শিল্প ও সেবা। সাধারণত অনুন্নত অর্থনীতির দেশে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের গতি সঞ্চারের প্রাথমিক স্তরে (টেক অ্য স্টেজ) ওই দেশের শ্রমশক্তির সিংহভাগ কৃষি খাতে নিয়োজিত থাকে। উন্নয়নের শুরুতে হয়। এই বর্ধিত সম্পদ সমাজে বৈষম্য রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বর্ধিত কৃষি উৎপাদনশীলতা খাদ্যপণ্যের সত্যিকারের মূল্য কম রাখতে সক্ষম। এতে শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরি কম রাখা সম্ভব হয়। ফলে নবপ্রতিষ্ঠিত শিল্প উৎপাদনের ব্যয়ও কম থাকে এবং শিল্প উৎপাদন প্রতিযোগিতামূলক থাকে। স্থানীয় বাজারে উৎপাদিত পণ্যে আমদানিকৃত সমজাতীয় পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সক্ষম হয়। আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করে। তাতে রপ্তানি ও শ্রমের চাহিদা বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে একটা নির্দিষ্ট গতিতে কৃষি ও শিল্প শ্রমিকের মজুরি বাড়ে। পাশাপাশি বেকারত্ব কমে যায়, শ্রমিকের আয় বাড়ে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন

 উন্নয়নশীল দেশে কৃষি খাত কেবল সার্বিক অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস নয় বরং রপ্তানি খাতেও রাজস্বের অন্যতম উৎস। কৃষিতে উৎপাদনশীলতা বাড়লে, শিল্প ও সেবা খাত জোরদার হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে সার্বিক উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের অবদান না কমলেও, হিস্যা নাটকীয় হারে কমে যায়। হিস্যা কমে গেলেও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষি খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ব্যাপকতর প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের প্রাথমিক স্তরে দারিদ্র্য ও অসমতা কমানো, উভয়ক্ষেত্রে কৃষি জোরালো ভূমিকা পালন করে। অতএব কৃষি খাতের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও চীন- এ দেশগুলোতে উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষি উৎপাদনশীলতা ও প্রবৃদ্ধিকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তারপর উন্নয়নের স্বাভাবিক ধারাবিন্যাসে শিল্পায়নের প্রসার ঘটে। সেই সঙ্গে সেবা। খাতও জোরদার হয়ে ওঠে।

কৃষি খাতে বিনিয়োগ

 সবুজ বিপ্লবের সুফলে নতুন জাতের ফসলের প্রবর্তন করা হয়। অগ্রসর প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষি উৎপাদনের রীতি-পদ্ধতি বদলে যায়। সেই সঙ্গে খাদ্য সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটে। সব কিছু মিলে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যের লভ্যতা নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। বর্তমানে অনেক কিছু বদলে যাচ্ছে, যেমন জলবায়ুর পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ, জীবনমানে উন্নয়ন ও খাদ্যাভাস বদলে যাওয়া ইত্যাদি। সেভাবেই মূল্যায়ন করা হোক, বিগত দশকে কৃষি খাতের গবেষণায় বিনিয়োগ অনেকাংশে কমে গেছে বা স্থির হয়ে আছে । ইতিমধ্যে ‘সবুজ বিপ্লব’ তার শেষসঙ্গে তাল মিলিয়ে খাদ্য উৎপাদনের সমস্যা মোকাবিলা করা হবে। এই প্রযুক্তি এখন মানুষের হাতের মুঠোয়।

নতুন বিজ্ঞান- প্রাণপ্রযুক্তি

১৮ শতকে কয়লা ব্যবহারের প্রযুক্তি ও কয়লাচালিত বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উদ্ভাবনের পর থেকে সভ্যতার এক নতুন দিগন্ত শুরু হয়। বিশ শতকের শেষের দিকে ছয়টি নতুন প্রযুক্তি, মাইক্রো-ইলেক্ট্রনিক্স, কম্পিউটার, টেলি-যোগাযোগ, মানুষের তৈরি কৃত্তিম উপাদান (প্লাস্টিক, নাইলন, পলিয়েস্টার) ইত্যাদি মিলে মানুষের জীবনে নিয়ে এসেছে নতুন করে আরেক বাস্তবতা। যোগ করেছে নতুন মাত্রা, যা এর আগে ছিল অচিন্তনীয় ও অভাবনীয় । বিগত কয়েক দশক ধরেই মানুষ রাতদিন তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতি দেখেছে, শুনেছে এবং বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করছে। সম্ভবত ইন্টারনেট আবিষ্কার ও সর্বজনীন ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের এক অভাবনীয় আশা পূরণ হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনে সবুজ বিপ্লবের মতো এটাকে বলা যায় যোগাযোগ বিপ্লব অথবা তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লব । এখন বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক ও আবিষ্কারকরা তিনটি প্রযুক্তির অগ্রগতি সাধনে ব্যস্ত । এগুলো হলো- প্রাণপ্রযুক্তি, রোবোটিক্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও ন্যানো প্রযুক্তি। ন্যানো প্রযুক্তির মাধ্যমে পদার্থের মৌলিক একক ইউনিটের কর্ম-প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃতি বা সৃষ্টিকে বোঝার চেষ্টা করা: যেমন-পোটন হলো আলোক কথা বা আলোকের একক ইউনিট। আর ন্যানোর অর্থ হলো, ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ বোঝাবার জন্য ব্যবহৃত উপসর্গ ।

কৃষি খাতে উৎপাদনশীলতা এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা

সন্দেহাতীতভাবে ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে যে, খাদ্যের বর্ধিত সরবরাহ অপুষ্টি কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাপক অবদান রেখেছে। অপুষ্টি দেহের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থার ক্ষতি করে। সংক্রামক রোগ-ব্যাধির প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এবং সাধারণ মানুষের উৎপাদন সামর্থ্য কমিয়ে দেয়। এতে সংক্রামক রোগ-ব্যাধি বেড়ে যায়। অপুষ্টি প্রকৃতপক্ষে সংক্রামক ব্যাধির সঙ্গে সহ-সম্পর্কিত বিষয় । উন্নয়নশীল দেশগুলোয় মানুষের, বিশেষ করে, শিশু মৃত্যুর উচ্চ হারের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। অপুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা একে অপরের সম্পূরক। বিভিন্ন কারণে, যেমন- বন্যা, খরা, ফসলের রোগ-বালাই ইত্যাদি কারণে ফসল ফলনে ঘাটতি থেকে ঘটত দুৰ্ভিক্ষ, বাড়ত দারিদ্রদ্র্য ও অভাব, অপুষ্টিজনিত কারণে রোগ-ব্যাধির আক্রমণ ছিল ব্যাপক। তাই মৃত্যুহার ছিল উচ্চ। ফলে মানুষের গড় আয়ু ছিল অনেক কম।

ইতোমধ্যে চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আভাস দিচ্ছেন জলবায়ু বিজ্ঞানীরা। তাদের অনুমান সত্য হলে ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ফসলহানি ঘটবে। এতে খাদ্য নিরাপত্তা বিপর্যন্ত হবে, দারিদ্র্যতা বাড়বে। অতএব জৈন, অজৈব নিয়ামকের প্রভাব ও বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলার উপযোগী জাতের ফসলের বীজ ও উদ্ভিদ উদ্ভাবন এখন জরুরি। এ লক্ষ্য অর্জনে কৃষি খাতে গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। কৃষি খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর জাতের ফসল উদ্ভাবনে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে হবে। * এজন্য নীতিনির্ধারকদের এমন সব নীতি গ্রহণ করতে হবে, যেগুলো কেবল কৃষক-বান্ধবই হবে না, বরং কৃষি খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্যও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তা হলে নতুন প্রযুক্তিতে বিনিযোগকারীরা নতুন নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবনে প্রয়াসী হবেন। এ ব্যাপারে সরকারের নীতি প্রয়োগ হতে হবে স্পষ্ট, বোধগম্য ও নিরপেক্ষ। শুধু অনুকূল নীতিমালাই নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবনে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করবে।

আবদুল আউয়াল মিন্টু, সাবেক সভাপতি এফবিসিসিআই প্রকাশকাল: ১ জুন, আমাদের সময়।

←Previous
Next→

Recent post

  • Hello world!
    January 21, 2026
  • ৪৬ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
    January 16, 2026
  • How_to_Learn_Vocabulary
    January 16, 2026
  • 103. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রিতে (পাস কোর্সে) পড়ে বিসিএস ক্যাডার
    January 16, 2026
  • চাকুরি_প্রস্তুতি_প্রিলিমিনারি।
    January 16, 2026
  • প্রশাসন ক্যাডার, ৪৪তম বিসিএস
    January 16, 2026

Tags

Categories

  • bangla blogs
  • bangladesh
  • banking and finance
  • bcs questions
  • Blog
  • economy
  • english blogs
  • environment
  • international
  • technology
  • translations
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • পরিবেশ
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স