প্রথম চয়েজ: পররাষ্ট্র
বিষয়: কৃষি
সময়: ১৫ মিনিটের বেশি হবে।
ফলাফল: ৪৩তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত।
মেধাক্রম: ১৩
May I come in sir বলে রুমে ঢুকলাম। স্যার হেসে বসতে বললেন। ধন্যবাদ দিয়ে বসলাম।
চেয়ারম্যান স্যার: So, you are Maruful Anam. How are you?
আমি : (made a mistake by saying Alhamdulillah sir, valo.)
চেয়ারম্যান স্যার: What are you doing now?
আমি : Answered.
চেয়ারম্যান স্যার: You want to be a Diplomat. Do you know what are the qualities of a diplomat?
আমি : Answered. [Effective communication skill, negotiation capacity, analytical thinking power, problem solving capacity, non-violent approach to manage international relation.]
চেয়ারম্যান স্যার : So you are saying that communication skill is important. What is that?
আমি : হাবিজাবি (Lost words the middle) [Communication skill refers to the ability to convey information effectively and efficiently]
চেয়ারম্যান স্যার : Singers and Poets are also having communication capability. Are they same?
আমি : Answered. [Singers and Poets both have the ability to communicate through their respective art forms but they are not same. Singers use their voice and music to convey emotions, stories and ideas. Poets use words to create imagery, evoke emotions and share ideas.]
চেয়ারম্যান স্যার : So, you are saying that you are a poet. What is your genre?
আমি : I write poems on nature.
চেয়ারম্যান স্যার : So, you focus on nature. (নেইচার, He is Top notch at pronunciation!)
আমি : Yes sir.
চেয়ারম্যান স্যার : So, do you know who is Mahmud Darbish?
আমি : Answered. [Mahmoud Darwish was a Palestinian poet and author who was regarded as Palestine’s national poet. He won numerous awards for his work and he gave voice to struggle of the Palestine people. Born: March 13, 1941, Al-Birwa, Died: August 9, 2008, Houston, Texas, United States]
চেয়ারম্যান স্যার : He is also the national poet of Palestine.
আমি : Yes sir.
চেয়ারম্যান স্যার : Okay I will let you listen a poem written by him. You will tell the summery of this poem. (ডায়েরি খুলে লাইন পড়লেন: আকাশ নেমে আসছে মাটিতে, পাখিরা ডানা মেলে উড়তে পারছে না… ব্লা ব্লা)
আমি : Recent Israel Palestine war নিয়ে বললাম। স্যারকে খুব সন্তুষ্ট মনে হলো না। সম্ভবত অতীত থেকে ফিলিস্তিন এর দুর্দশা নিয়ে বলতে হতো। এই টপিকে অনেক প্যাচাইলেন। নার্ভ ধরে রাখা কঠিন হচ্ছিল স্যারের সাথে ডিস্কাশনে। আর আমি এক দুই লাইন বলে থেমে যেতাম, তিনি আরো জানতে চাইতেন। সরি বলে টপিক ক্লোজ করতে হলো।
চেয়ারম্যান স্যার : কারা ইসরায়েলকে সাপোর্ট করছে। কেন ইসরাইল হামলা করে হামাস?
আমি : উত্তর করলাম।
চেয়ারম্যান স্যার : আপনি কাকে সাপোর্ট করছেন?
আমি : উত্তর করলাম। (এক্সটার্নাল স্যারকে পাস করলেন। তিনি বাংলা-ইংলিশ মিলিয়ে ধরলেন)
এক্সটার্নাল স্যার: পরিবেশ কী?
আমি : উত্তর করলাম। [পরিবেশ বলতে পরস্পর ক্রিয়াশীল উপাদান গুলির মাধ্যমে গড়ে ওঠা সেই প্রাকৃতিক ও জীব মণ্ডলীর প্রণালীকে বোঝায়, যার মধ্যে মানুষ ও অন্যান্য জীব বেঁচে থাকে (UNEP)।]
এক্সটার্নাল স্যার: কি কি উপাদান?
আমি : বললাম। [মূলত দুই ধরনের। 1. Abiotic 2. Biotic]
এক্সটার্নাল স্যার: ক্লাসিফিকেশন?
আমি : উত্তর করলাম।
এক্সটার্নাল স্যার: এবায়োটিক এলিমেন্ট কি কি?
আমি : উত্তর করলাম। [জড় বা অজৈব উপাদান। উদাহরণ: বাতাস, পানি, মাটি]
এক্সটার্নাল স্যার: ক্লাইমেট চেঞ্জ?
আমি : উত্তর করলাম। [Climate change describes a change in the average conditions such as temperature and rainfall in a region over a long period of time (NASA)]
এক্সটার্নাল স্যার: গ্রীন হাউজ ইফেক্ট
আমি : উত্তর করলাম। [It is the process through which heat is trapped near earth’s surface by substances known as greenhouse gas. (NASA)]
এক্সটার্নাল স্যার: গ্রীন হাউজ মানে তো কাচের তৈরি ঘর সবাই জানি। পৃথিবীতে আসার পর ট্র্যাপড হচ্ছে কেন? কি কি গ্যাস? কি জন্য দায়ী।
এক্সটার্নাল স্যার: মিথেন, কার্বনডাইঅক্সাইড এই দুইটায় কোনটা বেশি প্রভাব ফেলে?
আমি : বললাম। [ গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ ভূপৃষ্ঠে উপস্থিতিতেও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমণ্ডলস্থ গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূপৃষ্ঠে ও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। Carbon di oxide গ্যাস বেশি প্রভাব ফেলে।
Greenhouse gas: nitrous oxides, water vapor, CFC]
এক্সটার্নাল স্যার: আচ্ছা বলেন তো মিথেন কীভাবে রিলিজ হয়?
আমি : উত্তর করলাম। [তেল ও গ্যাস ব্যবস্থা, শিল্প প্রক্রিয়া, দহন কার্যক্রম, কৃষি কার্যক্রম, কয়লার খনি, ল্যান্ডফিল]
এক্সটার্নাল স্যার : এনারোবিক এগ্রিকালচার এর কথা থাক। আবার গ্রীন হাউজে আসি, কীভাবে তাপ ট্রাপড হলো?
আমি : উত্তর করলাম।
এক্সটার্নাল স্যার: ক্লাইমেটের এলিমেন্টস। (একটা ওয়েদারের ফ্যাক্টর বলার পর বললেন এটা বাদে বাকিগুলো হয়েছে। প্রমিনেন্টটা বাদ গেল যে!)
আমি : বললাম টেম্পারেচার। মাথা নেড়ে বললেন টেম্পারেচার আসে কোথা থেকে?
আমি : (এতক্ষণে ধরতে পারলাম- সোলার এনার্জি) [জলবায়ুর উপাদান: তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, বারিপাত।
জলবায়ুর নিয়ামক: বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, অক্ষাংশ, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল, মৃত্তিকার গঠন, বনভূমির অবস্থান।]
এক্সটার্নাল স্যার: গুড এটাই মিস করছিলেন। বলেন লাইট কী?
আমি : হতবাক।
এক্সটার্নাল স্যার: লাইট লাইট। সাধারণভাবে লাইট বলতে কি বোঝেন?
আমি : সাকসেসফুলি এন্সার্ড উইথ ক্যারেক্টারস। [আলো এক ধরনের শক্তি বা বাহ্যিক কারণ, যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়। আলো বস্তুকে দৃশ্যমান করে, কিন্তু এটি নিজে অদৃশ্য। আমরা আলোকে দেখতে পাই না, কিন্তু আলোকিত বস্তুকে দেখি।]
এক্সটার্নাল স্যার: এখন এগুলোকে একসাথে করে কমপ্লিট সংজ্ঞা দিন।
আমি : উত্তর করলাম।
এক্সটার্নাল স্যার: তাহলে এখন বলেন ফোটন কী?
আমি : বললাম। [ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে, আলোকশক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গ আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তিগুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রঙের আলোর জন্য এই প্যাকেটের একটা সর্বনিম্ন মান আছে। সর্বনিম্ন মানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে ফোটন বলে।]
এক্সটার্নাল স্যার: তাহলে সানের এনার্জি কিভাবে এলো?
আমি : সোলার রেডিয়েশন।
এক্সটার্নাল স্যার: এইটাই এইটাই। রেডিয়েশন শব্দ না বলে এনার্জি বলছিলেন গ্রীন হাউজ নিয়ে বলার সময়।
আমি : Sorry Sir টার্মটা মাথায় আসছিল না। (সাকসেসফুলি খোঁচায় বের করলেন স্যার, আমি কৃতজ্ঞ) [আমরা সবাই জানি, সূর্য পৃথিবীর শক্তির প্রাথমিক উৎস। সূর্য তার শক্তিকে মহাশূন্যে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যে ছড়িয়ে দেয়, যা সৌর বিকিরণ নামে পরিচিত । পৃথিবীর পৃষ্ঠ এই বিকিরিত শক্তির মাত্র একটি অংশ গ্রহণ করে। পৃথিবীর পৃষ্ঠ দ্বারা সংক্ষিপ্ত তরঙ্গের আকারে প্রাপ্ত শক্তিকে ইনকামিং সোলার রেডিয়েশন বা ইনসোলেশন বলা হয় ।]
এক্সটার্নাল স্যার: ওজোন স্তরের ক্ষয়ের জন্য কি কি গ্যাস দায়ী?
আমি : উত্তর করলাম। [ক্লোরোফ্লোরো কার্বনগুলি, বিশেষত CF2Cl2, CCl3F, যেগুলি যথাক্রমে CFC 12 এবং CFC 11 হিসাবে পরিচিত। এই যৌগগুলি রেফ্রিজারেন্ট হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এই যৌগগুলি ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।]
এক্সটার্নাল স্যার: সিএফসি
আমি: উত্তর করলাম। [ক্লোরো – ফ্লোরো কার্বন (CFC) ওজোন স্তরে পৌঁছালে অতিবেগুনি (UV) রশ্মির প্রভাবে বিযোজিত হয়ে ক্লোরিন পরমাণু (CI) ও পরে ক্লোরিন অক্সাইড (CIO) মুক্ত মূলক উৎপন্ন করে। এসব মুক্ত মূলক ওজোনের (O3) সাথে শিকল বিক্রিয়া দ্বারা ওজোন স্তর নষ্ট করে। এর ফলে ওজোন স্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মহাজাতিক বিভিন্ন রশ্নি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতি সাধন করে।]
এক্সটার্নাল স্যার: আর কি কি?
আমি: উত্তর করলাম। সরি স্যার মনে পড়ছে না। স্যার ছেড়ে দিলেন।
এক্সটার্নাল-২: What is Balance of Payment?
আমি: ব্ল্যাংক। বললাম স্যার আই হ্যাভ রেড বাট কমপ্লিটলি ফরগোটেন। [সাধারণত এক বছরের সময়ের মধ্যে একটি দেশের সাথে অন্যান্য দেশ সমূহের বৈদেশিক মুদ্রার যে লেনদেন সংঘটিত হয় তার বিবরণী হলো ব্যালেন্স অব পেমেন্ট।]
এক্সটার্নাল-২: It is completely okay. Now tell, what is carbon trading?
আমি : বললাম। [কার্বন ডাই অক্সাইড কমানোর উদ্দেশ্যে গৃহীত একটি পদক্ষেপ। পৃথিবীর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ক্রেডিট বিনিময়ের নাম কার্বন ক্রেডিট। প্রতিটি দেশের জন্য কার্বন নিঃসরণ একটি সীমার মধ্যে বেঁধে দেয়া হয়েছে, তাই যে দেশ সীমার চেয়ে কম কার্বন নিঃসরণ করবে, সেই অনুপাতে তার নামে কার্বন ক্রেডিট জমা হবে। এই ক্রেডিট সে বিশ্ববাজারে বিক্রি করতে পারবে। আর যারা সীমার চেয়ে বেশি নিঃসরণ করবে, তারা সে ক্রেডিট কিনে নেবে। সোজাভাবে একেই বলা হয় কার্বন ট্রেডিং কার্বন বাণিজ্য। বিশ্বে কার্বন ট্রেডিং বা কার্বন বাণিজ্য ধারণার সূত্রপাত হয়েছে ১৯৯৭ সালে কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরের পর। প্রচলিত মতে, কার্বন ট্রেডিং এর উদ্দেশ্য হলো শিল্পের অগ্রগতি রোধ না করেও যত কম পরিমাণে সম্ভব গ্রীনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নির্গত করা। পৃথিবীতে গ্রীনহাউস গ্যাস (জলীয় বাষ্প, কার্বন-ডাই অক্সাইড, মিথেন ও ওজোন) কমানোর জন্য ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় কিয়োটো প্রোটোকল যা ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কার্যকরী হয়। কিয়োটো প্রটোকলের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে কার্বন ট্রেডিং এর নিয়মনীতি বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে]
এক্সটার্নাল-২: বাংলাদেশ কি এই ট্রেডিং করে লাভবান হতে পারে? কীভাবে?
আমি : হ্যাঁ। ব্যাখ্যা করলাম। [যারা সীমার চেয়ে বেশি নিঃসরণ করবে, তারা সে ক্রেডিট কিনে নেবে। বাংলাদেশে যেহেতু নির্ধারিত সীমার থেকে অনেক কম কার্বন নিঃসরণ করে সেহেতু কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর থেকে প্রাপ্ত অর্থ জলবায়ু অভিযোজন, প্রশমন এবং অভ্যন্তরীণ জলবায়ু শরণার্থীদের জন্য ব্যবহার করতে পারবে।]
এক্সটার্নাল-২: ক্রিকেট ভালো লাগে?
আমি : অনেক।
এক্সটার্নাল-২: কোন দল ভালোবাসেন?
আমি : নিউজিল্যান্ড আর বাংলাদেশ
এক্সটার্নাল-২: Why New Zealand?
আমি : They have good players and since my childhood I love their jersey.
এক্সটার্নাল-২: So, you love black?
আমি : Yes, sir I love black.
এক্সটার্নাল-২: Okay, Thank you. You may go.
আমি : Thanks sir. (Gave salam thrice.)।।।