বিসিএস প্রশাসন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদসহ মোট ৫ টি চাকরি পাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি:
১.
সফল হওয়ার জন্য নাওয়া খাওয়া ভুলে ১৫-১৮ ঘন্টা পড়তে হয় না।
২.
ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং এর নামে জটিল জটিল রিচ সেনটেন্স দিয়ে লিখতে হয় না।
৩.
বইয়ের আগাগোড়া সব মুখস্থ করতে হয় না।
৪.
সারাদিন লাইব্রেরিতে পড়ে থাকতে হয় না।
৫.
ডাটা কোটেশন দিয়ে খাতা ভরাতে হয় না।
তাহলে?
নিয়মিত কনসিস্টেন্সি ধরে রেখে ৫-৭ ঘন্টা পড়লেই এনাফ। নিয়মিত মানে নিয়মিত। By fits and starts না। কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটি আসল।
প্রচুর টিউশনি করাবেন। অষ্টম, নবম-দশম শ্রেণীর বিশেষত। বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বাংলা ২য় পত্র অবশ্যই অবশ্যই পড়াবেন, গার্ডিয়ান না বললেও।
স্বাভাবিক লেখা পরিস্কার ভাবে গ্রামাটিক্যাল ভুল বর্জন করে লিখবেন, ভালো নম্বর পাবেন। আমার লেখা আপনাদের মতোই সিম্পল। আমার কলিগ অনেকেরই একই অবস্থা।।
চাকরি পাওয়ার জন্য কি কি পড়ছেন তার চেয়েও জরুরি কি কি বাদ দিচ্ছেন। এটার জন্য বিগত বিসিএস ও ব্যাংক প্রশ্ন সলভ করবেন বেশি বেশি। তাহলে বুঝতে পারবেন কি পড়তে হবে আর কি বাদ দিতে হবে।
বাসায় কোয়ালিটি পড়া পড়লেই এনাফ। অন্য বন্ধুরা সবাই লাইব্রেরীতে পড়ে তাই আপনিও খাবার দাবার নিয়ে সারাদিন ওখানে পড়লে চাকরি পেয়ে যাবেন এমনটা নয়। যাদের বাসায় পড়ার সুবিধা কম, তাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা।
বিঃদ্রঃ আমি নিজেও কনফিডেন্স এর লাইব্রেরির পাশ দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় মন খারাপ হয়ে যেতো, ভাবতাম সবাই সেই পড়তেছে, আর আমি কী করতেছি!
ডেটা কোটেশন না দিয়েও চাকরি পাওয়া যায় (আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার পদে কোন ডেটা কোটেশন না দিয়েই চাকরি পেয়েছি), আবার ডেটা কোটেশন এর সুযোগ পেলে কেন দিবেন না? ডেটা কোটেশন সেইভাবে দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে চাকরি পেয়েছি।।
![]()
সবার জন্য শুভকামনায়;
আশরাফুল ইসলাম,
বিসিএস প্রশাসন (সুপারিশ প্রাপ্ত), ৪৫ তম বিসিএস।
সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক।
সহকারী পরিচালক, শিল্প মন্ত্রণালয়(সুপারিশ প্রাপ্ত)
সিনিয়র অফিসার, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক (সুপারিশ প্রাপ্ত)।
অনলাইন থেকে সংগৃহীত