ভূমিকা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা জেনেভাভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে আলোচনার ফোরাম হিসেবে কাজ করে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে রেফারি হিসেবে ভূমিকা রাখে। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রই বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থার পৃষ্ঠপোষকতায় থেকে তাদের অর্থনীতি বিকশিত করতে ও অর্থনৈতিক নীতিমালা একীভূতকরণে আগ্রহী। এ কারণেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন, উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (নাফটা), আসিয়ান ইত্যাদি সংস্থা গঠিত হয়েছে।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কী বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organi ation-WTO) মূলত ১৯৪৭ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের অভিন্ন নীতিমালা তৈরির উদ্দেশ্যে প্রণীত শুল্ক ও বাণিজ্য বিষয়ক সাধারণ অঙ্গীকার (General Agreement on Tariffs and Trade-GATT)-এর প্রতিস্থাপিত একটি সংস্থা। প্রকৃতপক্ষে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার একটি বৈধ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো; যা বিশ্বের দেশসমূহের মধ্যে আলোপ-আলোচনা, বিতর্ক, নেগোসিয়েশন এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তির শর্তানুযায়ী বাণিজ্য সম্পর্ক সৃষ্টির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। সংস্থাটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বহুপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে কাজ করে। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৬৪ । বিশ্ববাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি বাণিজ্য এখন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যদেশগুলোর মধ্যে হয়ে থাকে।
সংস্থার উদ্দেশ্য
এ সংস্থার অধীনে সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আলোচনা-পর্যালোচনার ভিত্তিতে বিশ্ব বাণিজ্যিক নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য অবাধ বাণিজ্য প্রবাহ অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সমর্থন এবং উরুগুয়ে রাউন্ড চুক্তির বিভিন্ন বিষয়ের বাস্তবায়ন কাজ তদারক করা। ব্যক্তি, কোম্পানি ও সরকারি পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক নিয়মনীতির ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনা ও লেনদেনে বহুপাক্ষিক বা দ্বিপাক্ষিক কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে তার মীমাংসা এবং নিষ্পত্তি এ সংস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।
সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম কমিটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এর অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। কমিটির অধিকাংশই বিশেষায়িত কমিটি, যেগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ে কাজ করে থাকে। যেমন- আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি, টেক্সটাইল শিল্প মনিটরিং, লাইসেন্সিং, মার্কেট এক্সেস, র অব অরিজিন, স্যানিটারি ও ফাইটো স্যানিটারি সংক্রান্ত ব্যবস্থা, ট্যারিফ কনসেশন বিষয় কমিটি। ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, বিশ্ব বাণিজ সংস্থা প্রতিষ্ঠা একটি অসাধারণ অর্জন। ক্রমে এটি আন্তর্জাতিকভাবে মুক্ত বাণিজ্য নিয়ন্ত্রে জন্য প্রায় একক প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে। এটি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে। এর ফলে নিয়ম ভঙ্গের কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তারা সেখাে অভিযোগ করতে পারেন। এতে বড় দেশগুলো ছোট দেশগুলোর ওপর প্রভাব খাটাতে পার না। এমনকি দেরিতে হলেও ২০০১ সালে চীন যখন এতে যোগ দিয়েছিল, তখন পশ্চিম বিশ্বের অনেকেই আশা করেছিল, এটা সমৃদ্ধ গণতন্ত্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে একীভূত হবে।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রধান কাজ হচ্ছে-
১) উরুগুয়ে রাউন্ডের চুক্তিসমূহের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা,
২) বহুপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনার জন্য ফোরাম হিসেবে কাজ করা,
৩) বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি করা,
৪) বিভিন্ন সদস্য দেশের জাতীয় বাণিজ্য নীতিমালা পরীক্ষা করে দেখা এবং
৫) কারিগরি সহযোগিতা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশসমূহের বাণিজ নীতিমালার বিষয়ে সহায়তা করা। বিশ্বের অধিকাংশ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে স্বাক্ষরিত হওয়া চুক্তিগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূলনীতি হিসেবে বিবেচিত। এর ভিত্তিতে সদস্য রাষ্ট্রসমূহ তাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইনে মূলনীতির প্রতিফলন ঘটাতে বাধ্য। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় সরকারের প্রতিনিধিত্ব থাকলেও এর মূল লক্ষ্য পণ্য ও সেবার উৎপাদক, আমদানি পর্যালোচনার পর বিশ্বের অধিকাংশ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কর্ম পরিসর ব্যাপকভিত্তিক যেমন- কৃষি, বস্ত্র ও পোশাক, ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ, রাষ্ট্রীয় ক্রয়-বিক্রয়, শিল্পমান, খাদ্য, স্যানিটেশন প্রবিধান, মেধা সম্পত্তি প্রভৃতি।
সংস্থার সফলতার চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লা ভারি
বিশ্বকে একই ছাতার নিচে এনে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য হ্রাস করে অবাধ বাণিজ্যের জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার জন্ম হয়েছিল। বাণিজ্যনির্ভর অর্থব্যবস্থায় প্রত্যেকটি দেশই আমদানি ও রপ্তানি নির্ভর। এতে প্রতিটি রাষ্ট্রই নিজ নিজ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যনীতি প্রণয়ন করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে অন্য রাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষুণ্নের কারণ হতে পারে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক পরিসরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সুসম্পর্ক স্থাপন ও বাণিজ্যে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সৃষ্টিলগ্ন থেকেই সংস্থাটির সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতাই বেশি, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে। বাণিজ্য ক্ষেত্রে বৈষম্য, ভর্তুকি কমানোর কথা থাকলেও কিছু দেশ ভর্তুকি কমাবে বা বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা সহজ করবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা মূলত উন্নত দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করছে। সেই তুলনায় উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশগুলো অবহেলিত। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালা মূলত বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থার তদারকির জন্য প্রণীত হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মধ্যেও অচলাবস্থা রয়েছে।
সমালোচকরা মনে করেন, চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বেশিরভাগ সুবিধা নিলেও বিনিময়ে প্রতিশ্রুতি রাখেনি। এ সংস্থার নিয়মগুলো হালনাগাদ করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কারণ, এক্ষেত্রে সব সদস্যের একমত হওয়ার বিধান আছে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া বাণিজ্যিক বিরোধ মেটাতে যার গোড়াপত্তন হয়েছিল, সেটি করাও এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তবাজার অর্থনীতি বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে প্রত্যেক দেশের ওপর এর অনুকূল বা প্রতিকূল প্রভাব পড়বে। তবে বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে প্রতিকূল প্রভাবই পড়বে বেশি। অধিকাংশ স্বল্পোন্নত দেশ উন্নত বিশ্বের চাপে তাদের বাজারসমূহকে পরিপূর্ণভাবে উদার করে দিয়েছে। সেই অনুপাতে দেশগুলো যথোপযুক্ত বিনিময় পায়নি। কারণ, বিদেশী পণ্যসামগ্রী অবাধে প্রবেশ করায় দেশগুলোর শিল্প-কারখানা প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে করে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা বলেছেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এখন ক্রমে দর-কষাকষির একটা বিষয় হয়ে উঠেছে। এক্ষেত্রে শুধু বাণিজ্যের মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং বাণিজ্য নিয়ে অন্যান্য সুবিধা আদায় করে নেওয়ার প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেমন- বাণিজ্য দিয়ে হয়তো ভৌগোলিক বা পররাষ্ট্রবিষয়ক সুবিধা আদায় করার চেষ্টা করছে রাষ্ট্রগুলো। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এই প্রতিকূল প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য উন্নত দেশগুলোকে সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করতে হবে । বর্তমানে বিশ্বে স্বল্পোন্নত দেশের সংখ্যা ৪৬ এবং তাদের জনসংখ্যা ৬৫০ মিলিয়নের বেশি। দেশগুলো আবার অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক নানা কারণে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বিশ্ব বাণিজ্যে অবদান প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে। আশির দশকের তুলনায় নব্বই দশকের প্রথম দিকে বিশ্ব রপ্তানি ও আমদানিতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অবদান যথাক্রমে ৫০ ও ৩৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই সময়ে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জিডিপি ও রপ্তানির অনুপাত ১৭ শতাংশ থেকে কমে ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হিসেবে ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ড চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছিল। ফলে বাংলাদেশ তার স্থানীয় বাজার পরিপূর্ণভাবে উন্মুক্ত করে দিতে বাধ্য এবং বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চাপে পড়ে অনেকখানি উন্মুক্ত করে দিয়েছে। উরুগুয়ে রাউন্ড চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বিশ্বের প্রতিটি দেশই তার নিজ দেশের বাজারকে সদস্যভুক্ত সকল দেশের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু অনেক দেশই তাদের সে প্রতিশ্রুতি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করেনি। তবে ২০২৩ সালের ২৩ অক্টোবর স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে উত্তরণের পথে সহায়তা করার প্রচেষ্টা হিসেবে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার জেনারেল কাউন্সিল । এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে কেবল ২০২৬ সালের পর সম্ভাব্য রপ্তানি ক্ষতি এড়াতে সহায়তা করবে না, বরং বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতেও সহায়তা করবে।
ভূরাজনীতির করাল গ্রাসে এই সংস্থাটি ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা। বিভক্ত এক বিশ্বের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠছে এ সংস্থা। এই বিভক্তির মূল দৃশ্যপটে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। চীনের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলে আসছিল, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম পাল্টাতে হবে। এর সঙ্গে ইউরোপও সুর মিলিয়েছিল। তবে কীভাবে এই পরিবর্তন আসবে তা নিয়ে মতৈক্য হয়নি। এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা বলেছেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা অনেকটা পক্ষাঘাত্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমন এক সময়ে এটি হলো, যখন সংস্থাটির নিয়ম-কানুন নতুন বাস্তবতার নিরিখে বদলানোর প্রয়োজন হয়ে পড়েছে ই-কমার্স ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে। তবে বিশ্বায়নের এই যুগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপসংহার বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থা শৃঙ্খলিত করা এবং সকল রাষ্ট্রের বাণিজ্যিক অধিকার নিশ্চিত জন্যই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সংস্থটি উন্নত দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা করার কারণে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের উপযুক্ত অধিকার থেকে বঞ্চি তবে ট্যাক্স এবং বাণিজ্যের বিষয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কিছুটা সফলতা অর্জন করেছে। যেমন- ভোটের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কোনো দেশের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা থাকা, স্বল্প ট্যাক্সের মাধ্যমে মুক্ত বাজার বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো, ভর্তুকি কমানো।
ড. মো. মোরশেদুল আলম। লেখক : অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ২ জুন ২০২৪। সূত্র: জনক।