• 40th-bcs-preliminary-questions
    • 46th BCS
    • bangla-blogs
    • BCS Question Bank
    • Elementor #1295
    • Elementor #8
    • English Blogs
    • Home
    • Privacy Policy
    • Quiz Game
    • Test Page
bangla blogs Blog আন্তর্জাতিক

503.: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার কেন প্রয়োজন তা ব্যাখ্যা করুন।

April 24, 2024

ভূমিকা  গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন দেশের বেশ কয়েকজন অংশগ্রহণকারী জাতিসংঘের নিরাপত্ত  পরিষদের (ইউএনএসসি) কাজ করার পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছেন। তার  বলছেন, এ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদস্যরা সম্মিলিত ভিত্তিতে বা নিজেরাই যে বিষয়গুলো  গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছে সেগুলো অনুসরণ করতে সক্ষম  হয়নি । প্রায় দুই দশক ধরে নিরাপত্তা পরিষদের কার্যক্রম বড় আকারে হতাশার সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে।    

সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা  গত নভেম্বরে সাধারণ পরিষদের (জিএ) বার্ষিক আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জিএ  সভাপতি ডেনিস ফ্রান্সিস প্রতিনিধিদের বলেছিলেন, কাঠামোগত সংস্কার না হলে নিরাপত্তা  পরিষদের কর্মক্ষমতা এবং বৈধতা অনিবার্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশ্বজুড়ে অঞ্চলগুলোয়  সহিংসতা ও যুদ্ধ অব্যাহত। অন্যদিকে ইউএনএসসির বিভাজনের কারণে জাতিসংঘকে  অসহায় বলে মনে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রাথমিক পাহারাদার  হিসেবে ইউএনএসসি তার দায়িত্ব থেকে বিপজ্জনকভাবে পিছিয়ে পড়েছে।   

 জি৪ দ্বারা নতুন মডেল  এদিকে গ্রুপ অব ফোর (জি৪: ব্রাজিল, জার্মানি, ভারত ও জাপান) দ্বারা প্রবর্তিত সংস্কারের  জন্য একটি প্রস্তাবিত নতুন মডেল নিয়ে আলোচনা চলছে। আশ্চর্যের বিষয়, চারটি দেশই  স্থায়ী আসনের (পি৫এস) জন্য দীর্ঘস্থায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল, যা ৭৯ বছর আগে বিশ্ব সংস্থা গঠনের  পর থেকে পাঁচটি দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া) বিশেষাধিকার রয়ে  গেছে। জি৪ মোট ১১টি স্থায়ী সদস্য (পি১১) আহ্বান করেছে। এরা চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া,  যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আরো ছয় সদস্যের অন্তর্ভুক্তির কথা বলছে। 

  যেভাবে নতুন স্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়  এখানে উল্লেখ্য যে, সম্ভাব্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এবং নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের  একটি সমন্বিত কাঠামো প্রস্তাব গ্রহণের পর, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের দায়িত্ব  দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত আগ্ৰহী সদস্য রাষ্ট্রগুলো লিখিতভাবে সাধারণ পরিষদের সভাপতির  কাছে তাদের প্রার্থিতা জমা দেবে। এরপর সাধারণ পরিষদ যত দ্রুত সম্ভব, সভাপতি  নির্ধারিত তারিখে, সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে ছয়জন নতুন ভারী সদস  নির্বাচনের জন্য অগ্রসর হবে। গোপন ভোটের মাধ্যমে নতুন স্থায়ী সদস্যদের নির্বাচনের ONCE  সাধারণ পরিষদের কার্যপ্রণালির নিয়মগুলো প্রয়োগ করা হবে। 

এ প্রসঙ্গে আরো গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, ২৩ (১) অনুচ্ছেদের মানদণ্ড নতুন  নির্বাচনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত। যেখানে জোর দেয়া হয়েছে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও  নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং সংগঠনের অন্যান্য উদ্দেশ্যে ও ন্যায়সংগত ভৌগোলিক ব  ক্ষেত্রে তাদের অবদানের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদান করা হবে। ” এক্ষেত্রে দুই বছর স  অস্থায়ী সদস্যদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অবশ্য বর্তমান পদ্ধতি অনুসরণ করবে। বর্তমানে অস্থায়ী  সদস্য ১০ যা মোট ১৪/১৫ আসনে উন্নীত করা হবে।  

 ‘জি৪ প্রস্তাব অনুসারে,   বিশ্লেষক থালিফ ডিন উল্লেখ করে বলেন, “জি৪ প্রস্তাব অনুসারে, নিরাপত্তা পরিষদের হয়  নতুন স্থায়ী সদস্য নিম্নরূপ পদ্ধতিতে নির্বাচিত হতে পারে। তা হলো: (ক) আফ্রিকা থেকে দুই  সদস্য রাষ্ট্র (খ) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে দুই, (গ) লাতিন আমেরিকা ও  ক্যারিবীয় অঞ্চল ১; (ঘ) পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের মধ্য থেকে এক

 নিরাপত্তা পরিষদের চার বা পাঁচটি নতুন অস্থায়ী সদস্য নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসারে নির্বাচিত  হবে: (ক) আফ্রিকার সদস্য রাষ্ট্র থেকে এক বা দুই, (খ) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো  থেকে এক, (গ) পূর্ব ইউরোপীয় সদস্য রাষ্ট্র থেকে এক, (ঘ) লাতিন আমেরিকা এবং  ক্যারিবিয়ান সদস্য রাষ্ট্র থেকে এক। 

এমনটা হলে বেশ ভালো কিছু হবে আশা রাখি। তবে এটিও উল্লেখ করা হয়েছে,  উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোসহ (এসআইডিএস) ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের সদস্য রাষ্ট্রগুলো  পর্যাপ্ত ও অব্যাহত প্রতিনিধিত্বের জন্য অস্থায়ী সদস্যদের মনোনয়ন ও নির্বাচনের সময় সদস্য  রাষ্ট্রগুলোকে যথাযথ বিবেচনা করা উচিত। 

নতুন স্থায়ী সদস্যয় গ্রহণে আরো অকার্যকর হবে  ডেমোক্রেসি উইদাউট বর্ডার্সের নির্বাহী পরিচালক আন্দ্রেয়ান রুমেল মনে করেন, জাতিসং  সনদের ১০৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপত্তা পরিষদের যেকোনো পুনর্গঠন করতে  হবে। এর অর্থ, এর জন্য জাতিসংঘের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য এবং পি-৫-এর সমর্থন  প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে কয়েক দশক ধরে  আলোচনা হয়েছে। তার পরও আমি মনে করি, ঐকমত্যের পরিবর্তে এ ধরণের ভোট দেয়া  বৈধ। এটা রাজনৈতিকভাবে বুদ্ধিমান কিনা সেটা আলাদা প্রশ্ন। সংক্ষেপে তিনি আরো বলেন,  ‘জি৪ আপস করতে ইচ্ছুক নয়। এটিও তুলে ধরা হয়েছে যে জি৪ যা-ই বলুক না কেন আমি  দেখতে পাচ্ছি না, আজকের স্থায়ী এবং অস্থায়ী আসনগুলোর, বাইরে নতুন ধারণাগুলো প্রবর্তন  না করে কীভাবে একটি বিস্তৃত চুক্তি সম্ভব।’ তিনি সম্মত হন, পালাক্রমে পুনরায় নির্বাচিত  আসনগুলোয় নির্দিষ্ট অঞ্চলের সদস্যদের মধ্যে একটি ভালো পদ্ধতি। ভেটোসহ নতুন স্থায়ী  আসনগুলো নিরাপত্তা পরিষদকে আরো অকার্যকর করে তুলবে বলে মনে করেন তিনি।  

 তবে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রহিত হওয়া উচিত  ভেটো দেয়ার বিষয়ে জি৪ বলেছে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ভেটো ব্যবহারের বিষয়ে আলোচ  হয়েছে, কারণ নতুন স্থায়ী সদস্যদের নীতিগতভাবে বর্তমান স্থায়ী সদস্যদের মতো এক  দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা থাকবে। যা-ই হোক, এ প্রসঙ্গে কিছু ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষ  পর্যবেক্ষণ করেছেন, পর্যালোচনার সময় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত নতুন স্বা  সদস্যদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হওয়া উচিত নয়। জাতিসংঘ  সংশোধনীতে বিষয়টি প্রতিফলিত করতে হবে, নতুন স্থায়ী সদস্যদের ভেটো অধিকা  চালিয়ে যাওয়ার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত। এ দিকটি  সম্প্রসারণ পর্যালোচনার কাঠামোর মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ।   

 নিরাপত্তা পরিষদকে যা করতে হবে  নিরাপত্তা পরিষদকে (ক) সাধারণ পরিষদের সভাপতির সঙ্গে নিয়মিত পরামর্শ করতে  উৎসাহিত করা হবে; (খ) সাধারণ পরিষদে বার্ষিক প্রতিবেদনে কাউন্সিলের কাজের একটি  বিশ্লেষণাত্মক ও ব্যাপক মূল্যায়ন জমা দেয়া; (গ) সনদের ১৫ (১) এবং ২৪ (৩) অনুচ্ছেন  অনুসারে সাধারণ পরিষদে আরো ঘন ঘন বিশেষ প্রতিবেদন জমা দেয়া এবং (ঘ) শান্তি  প্রতিষ্ঠা কমিশনের সভাপতি এবং কমিশনের দেশ-নির্দিষ্ট আকারে প্রাসঙ্গিক বিতর্কে  যথাযথ বিন্যাসে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে । 

ভেটো ছাড়াও নতুন সদস্য গ্রহণে অন্যান্য দিকে প্রভাব

এ উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। গ্লোবাল পলিসি ফোরামের  জ্যেষ্ঠ নীতি বিশ্লেষক বারবারা অ্যাডামস ইঙ্গিত দেন, এখন ১১টি (পাঁচটি নয়) ভেটো  ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষমতা, পি৫’ বা পি১১-এর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য তাদের অর্পিত  দায়িত্বকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থের ওপরে রাখার অক্ষমতাকে সংশোধন করবে না।  ভেটো ব্যবহারের ওপর দীর্ঘ বিরতির জন্য জি৪ প্রস্তাবটি স্থায়ী সদস্যদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং  ভেটো দেয়ার মধ্যে উত্তেজনাকে স্বীকার করে। তিনি আরো যুক্তি দিয়েছেন, উন্নয়নশীল দেশ  এবং অন্যান্য অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য আসনের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বের  ধারণা দ্বারা তাদের ন্যায্যতা দেয়ার প্রয়োজন নেই। অ্যাডামস আরো মনে করেন, নিরাপত্তা  পরিষদে স্থায়িত্বের সুযোগ ভেটো ব্যবহারের বাইরেও বিস্তৃত। এ বিশেষাধিকারের “ভীতিকর  প্রভাব’ উচ্চ পদে নিয়োগসহ জাতিসংঘ ব্যবস্থার বিভিন্ন জায়গায় আনুষ্ঠানিক এবং  অনানুষ্ঠানিকভাবে ভূমিকা রাখছে ।    

সংস্কার অগ্রগতি কেন দরকার 

জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগের সাবেক পরিচালক জোসেফ চামির মন্তব্যটিও উল্লেখ করা  দরকার। তিনি স্বীকার করেছেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার কোনো নতুন প্রপঞ্চ  নয়। বরং তা কয়েক দশক ধরেই রয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের  সংস্কারের জন্য অনেক সদস্য রাষ্ট্রের কমিটি, আলোচনা এবং আহ্বান সত্ত্বেও ন্যায়সংগত  প্রতিনিধিত্ব, অন্তর্ভুক্তি এবং বৈধতার দিকে খুব কম অগ্রগতি অর্জন হয়েছে। এটিও উল্লেখ করা  হয়েছে, সরকার এবং জনগণ উভয়ের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা কাউন্সিলকে অকার্যকর এবং অন্যায্য  বলে মনে করে। সদস্যপদ সম্প্রসারণ এবং ভেটো সীমাবদ্ধকরণসহ সংস্কারের প্রয়োজন বলে  মনে করে। তিনি হতাশাও প্রকাশ করেছেন, গত আট দশকে বিশ্বে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটলেও  নিরপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য একই রয়েছে। জনতাত্ত্বিক জে. চেমি এ বিষয়টির প্রতিও  দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, যখন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন স্থায়ী সদস্য ছিল পাঁচটি,  বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করত। আজ তারা জনসংখ্যার ২৫  শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছে

 নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার কেন গুরুতর  বোধগম্য এবং যুক্তিসংগত। ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও আর দেরি না করে সংস্কার করা  মুদ্রার একটি দিক খুব স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করে, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা  উচিত। যা-ই হোক, মুদ্রার অন্য দিকটি যেমন আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত  করে, এ ধরনের প্রচেষ্টা পরবর্তী সময়ের চেয়ে দ্রুত প্রয়োজন হতে পারে। অন্য দশকে এটি  সম্ভব বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিক অতীতে ইউক্রেন এবং গাজায় যা ঘটছে তার একটি  সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত থাকতে পারে। সেটা এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য,  সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন, কিন্তু তাতে সমাধান আসবে বলে মনে হয় না। এদিকে  ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা বা লাতিন আমেরিকা যা-ই হোক না কেন, আমাদের  জীবনে দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলবে। উদ্ভূত গুরুতর বিষয় এবং সেগুলোর অর্থ এবং অর্থ নিয়ে  আলোচনা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এপ্রিল ২৪, 2018 মোহাম্মদ জমির: সাবেক রাষ্ট্রদূত  পররাষ্ট্র, তথ্য অধিকার ও সুশাসনসংক্রান্ত বিষয়াদির বিশ্লেষক। সুত্র: বণিকবার্তা।

←Previous
Next→

Recent post

  • Hello world!
    January 21, 2026
  • ৪৬ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
    January 16, 2026
  • How_to_Learn_Vocabulary
    January 16, 2026
  • 103. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রিতে (পাস কোর্সে) পড়ে বিসিএস ক্যাডার
    January 16, 2026
  • চাকুরি_প্রস্তুতি_প্রিলিমিনারি।
    January 16, 2026
  • প্রশাসন ক্যাডার, ৪৪তম বিসিএস
    January 16, 2026

Tags

BCS Exam BCS Model Test BCS Preliminary BCS Preparation BCS Questions BCS Study Materials BCS Syllabus BCS Viva Preparation BCS Written Exam

Categories

  • bangla blogs
  • bangladesh
  • banking and finance
  • bcs questions
  • Blog
  • economy
  • english blogs
  • environment
  • international
  • technology
  • translations
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • পরিবেশ
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স