• 40th-bcs-preliminary-questions
    • 46th BCS
    • bangla-blogs
    • BCS Question Bank
    • Elementor #1295
    • Elementor #8
    • English Blogs
    • Home
    • Privacy Policy
    • Quiz Game
    • Test Page
bangla blogs Blog আন্তর্জাতিক

502. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় কী হয়, এর গুরুত্ব কতটা?

September 15, 2023

ভূমিকা

 প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সারা বিশ্বের সব দেশের নেতারা বৈঠকে বসেন এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। একই মঞ্চে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একে অপরের সাথে সাক্ষাত হয় বলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই সভাকে ‘কূটনৈতিক স্পিড ডেটিং’ ইভেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন অনেক কূটনীতিক। এক এবারের সাধারণ পরিষদের সভায় প্রধান আলোচনা বিষয় থাকবে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি। এর পাশাপাশি প্রাধান্য পাবে ইউক্রেন যুদ্ধও। কিন্তু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কেন এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা? জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের গুরুত্বই বা কী?

জাতিসংঘ ও সাধারণ পরিষদ

 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে যখন জাতিসংঘ গঠন করা হয়, তখন এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যত প্রজন্মকে যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা। সেসময় ৫১টি দেশ নিয়ে তৈরি হওয়া সংস্থাটির বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৩টি। এর বাইরেও পোপের অধীনে থাকা রোমের অঞ্চল হোলি সি বা ভ্যাটিকান সিটি এবং ফিলিস্তিনও জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে যখন জাতিসংঘ গঠন করা হয়, তখন এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যত প্রজন্মকে যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা। সহজভাবে বললে, জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য পারস্পারিক সহায়তার মাধ্যমে সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। জাতিসংঘের অধীনে সারা বিশ্বে কয়েক হাজার উন্নয়ন প্রকল্প, ত্রাণ কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা পরিচালিত হয়। পরিবেশ ও জলবায়ু থেকে শুরু করে, শিক্ষা, শিশু অধিকার, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তিও সম্পন্ন হয়ে থাকে জাতিসংঘের তত্বাবধানে। “

জাতিসংঘের প্রধান শাখা ছয়টি। যার মধ্যে তিনটি শাখাকে মনে করা হয় সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অপরিহার্য। এগুলো হল সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ ও সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয়। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫টি দেশ, যাদের মধ্যে স্থায়ী সদস্য দেশ ৫টি। বাকি দশটি দেশ দুই বছরের জন্য সদস্য পদ পায়। আর সেক্রেটারিয়েটকে বিবেচনা করা হয় জাতিসংঘের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে। বিভিন্ন দেশের হাজারো কর্মী কাজ করেন নিউ ইয়র্ক, জেনিভা, নাইরোবি আর ভিয়েনায় অবস্থিত জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় কার্যালয়গুলোতে। এই শাখাগুলোর মধ্যে সাধারণ পরিষদের সভার মধ্য দিয়েই জাতিসংঘের অধিকাংশ কাজ শুরু হয়ে থাকে।

   জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই সংস্থাটির একমাত্র শাখা যেখানে ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাই প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পায়। প্রতিটি সদস্য দেশই এই সভায় বক্তব্য রাখার পায়। এই সাধারণ পরিষদের সভায় প্রত্যেক দেশের নেতা অথবা দেশটির কোনো একজন প্রতিনিধি সাধারণত বক্তব্য দিয়ে থাকেন। এবং যেসব বিষয়ে ভোটাভুটি হয়ে থাকে সেখানে ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে। আর সাধারণ পরিষদে প্রত্যেক সদস্যের ভোট সমান গুরুত্ব পেয়ে থাকে। তাও নির্ধারণ করে থাকে। পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য কারা হবে এবং নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ অনুযায়ী সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের মহাসচিব কে হবেন, জাতিসংঘের বাজেট কেমন হবে, সেটিও নির্ধারণ করা হয় সাধারণ পরিষদে।

 কী আলোচনা হবে সাধারণ পরিষদে?

এবারের সভায় টেকসই উন্নয়ন নিয়ে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ও ১৯শেসেপ্টেম্বর। ঐ সভায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলো জাতিসংঘের ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা কীভাবে অর্জন করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করবে। এই লক্ষ্যমাত্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্ষুধা ও দারিদ্র নিরসন, সারা বিশ্বে মানুষের আয় বৃদ্ধি ও শিক্ষার প্রসার নিশ্চিত করা এবং মানুষের জন্য সুপেয় পানি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা। এরপর ১৯ থেকে ২৬শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে সাধারণ সভার আলোচনা।

 এই আলোচনা পর্বে সাধারণত বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের প্রতিনিধি নিজ নিজ রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেন এবং সে বিষয়ে আলোচনা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে ২০শে সেপ্টেম্বর ‘ক্লাইমেট অ্যামবিশন সামিটে।’ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া এই সম্মেলনের প্রধান উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, মহামারি মোকাবেলা ও পরমাণু অস্ত্র বাতিল করার বিষয়েও আলোচনা হয়ে থাকে। প্রতি বছর সাধারণ পরিষদের সভা শুরুর আগে একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়ে থাকে। এ বছর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো’র কূটনীতিক ডেনিস ফ্রান্সিস।  

এবারের সভার ফলাফল কী হতে পারে? বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নেতারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় অংশ নিতে আসলেও মূলত সভার বাইরে নেতাদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে হওয়া বৈঠকগুলোই সাধারণত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়ে ওঠে। এবারের সাধারণ সভায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অংশ নেবেন এবং তার দেশে চলমান যুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য দেবেন। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডন্টে শি জিনপিং ও ফ্রান্সের প্রেসডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এবারের সাধারণ সভায় যোগ দেবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী রিশি সুনাকও এবারের সভায় অংশ নেবেন না বলে বিভিন্ন খবরে বলা হচ্ছে।

সাধারণ সভার বিতর্ক কীভাবে কাজ করে? সাধারণত সাধারণ সভায় প্রথম বক্তব্য দেয় ব্রাজিলের নেতা, তারপর বক্তব্য রাখেন স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। একসময় যখন সাধারণ পরিষদের সভায় কোনো দেশ শুরুর বক্তব্য রাখতে চাইতো না, তখন ব্রাজিল স্বপ্রণোদিত হয়ে শুরুতে বক্তব্য দেয়ার রেওয়াজ চালু করেছিল। সেই রীতি মেনেই এখনও ব্রাজিলই সভার সূচনা বক্তব্য দেয় ।

 জাতিসংঘের ছয়টি আনুষ্ঠানিক ভাষার-আরবি, চাইনিজ, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, রাশিয়ান, স্প্যানিশ-যে কোনো একটি ব্যবহার করে প্রত্যেক দেশের নেতা বা নেতার প্রতিনিধি বক্তব্য দিতে পারে। প্রত্যেক সদস্যকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করতে বলা হলেও প্রতিনিয়তই এই নিয়ম ভাঙা হয়ে থাকে। যেমন সাধারণ সভায় দীর্ঘতম ভাষণ দেয়ার রেকর্ড কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রোর। ১৯৬০ সালে তার বক্তব্যের দৈর্ঘ্য ছিল সাড়ে চার ঘণ্টা।

প্রত্যেক দেশের প্রতিনিধিরা দেশের নাম অনুযায়ী ইংরেজি অ্যালফাবেটিক অর্ডারে বসে থাকেন। তবে প্রথম  আসনে কোন দেশ বসবে, তা নির্ধারণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এ বছরের সভায় প্রথম আসনে বসবে নর্থ মেসিডোনিয়া ।

 বিশ্ব এখন ‘লাইফ সাপোর্টে * জাতিসংঘ যে ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ছে, সে কথা স্বয়ং মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস স্বীকার করেছেন। শান্তিরক্ষার বাইরে এই মুহূর্তে জাতিসংঘের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ জলবায়ু সংকটের মোকাবিলা । আর মাত্র ১০ বছরের মধ্যে যদি ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা কমিয়ে আনা সম্ভব না হয়, তাহলে বিশ্ব এক অনিবার্য ভয়াবহ বিপর্যয়ে নিক্ষিপ্ত হবে। এ জন্য একদিকে প্রয়োজন জীবাশ্মভিত্তিক জ্বালানির ব্যবহার বাদ দিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, যেমন সূর্য বা বাতাসের ব্যবহার বাড়ানো । অথচ যারা এই বিশ্বের হর্তাকর্তা, তাঁরাই সবচেয়ে বেশি গ্যাস-তেলের কারবারি ।

 অন্য যে কাজটি করা একই রকম জরুরি, তা হচ্ছে দরিদ্র দেশগুলোকে জলবায়ু-সংকট মোকাবিলায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান। এ ব্যাপারে ধনী দেশগুলো লম্বা লম্বা কথা বলেই তাদের দায়িত্ব সেরেছে, অর্থপূর্ণ খুব সামান্যই করেছে। আন্তোনিও গুতেরেসের ভাষায়, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ দেশগুলোর এই ব্যর্থতায় বিশ্ব এখন ‘লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।

বিশ্ব সংস্থা হিসেবেও জাতিসংঘ এখন একরকম ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। গত বছর, অর্থাৎ ৭৭তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এক ভাষণে গুতেরেস বলেছিলেন, ‘একতাবদ্ধ হওয়ার বদলে আমরা বিশ্বকে খণ্ডবিখণ্ড করে ফেলছি। লক্ষ্য অর্জনের বদলে আমরা একেঅন্যের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এভাবে জড়িয়ে গেছি যে সংস্থাটি তার চলৎশক্তি হারিয়ে ফেলছে।’ মহাসচিব তাঁর স্বভাবজাত কূটনৈতিক ভাষা ত্যাগ করে সে ভাষণে স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘আমাদের বিভক্তি বাড়ছে, অসাম্য বাড়ছে, লক্ষ্যপূরণ দুঃসাধ্য হয়ে পড়ছে। বড় বিপদে পড়ে গেছি আমরা।’  

কার্যকারিতা হারাচ্ছে জাতিসংঘ

কোনো সন্দেহ নেই, এই বিপদের কারণ বিশ্বের বড় রাষ্ট্রগুলো নিজেরাই তৈরি করেছে। একটা উদাহরণ দিই। ২০২২ সালে প্রতিবেশী ইউক্রেন আক্রমণের মাধ্যমে জাতিসংঘের অন্যতম স্থপতি রাশিয়া–অর্থাৎ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজেরাই সংস্থাটির প্রতি বুড়ো আঙুল দেখায়। জাতিসংঘ সনদের একটি প্রধান প্রতিশ্রুতিই হচ্ছে–কোনো দেশ, তা সে ছোট বা বড় যা-ই হোক, কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন হয়, এমন কাজ করবে না। রাশিয়া ঠিক সেই কাজটি করে বসে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো তাদের যেকোনো বিবাদ মেটাতে জাতিসংঘের বিরোধ-নিরোধনপ্রক্রিয়া ব্যবহার করবে, জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষরের সময় তারা এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

 রাশিয়া জাতিসংঘে প্রতিশ্রুত পথে এগোয়নি। শুধু তাই নয়, বেসামরিক জনগণের ওপর যে নির্বিচার বোমাবাজি রাশিয়া করে যাচ্ছে, তাকে ‘জেনোসাইড’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। স্বয়ং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন যুদ্ধাপরাধের জন্য জাতিসংঘভুক্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

 শুধু রাশিয়া নয়, জাতিসংঘভুক্ত অধিকাংশ বৃহৎ রাষ্ট্র বেশির ভাগ দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় সমস্যার মোকাবিলায় জাতিসংঘের দ্বারস্থ না হয়ে নিজের পছন্দমতো রাস্তা খুঁজে নিচ্ছে। জাতিসংঘ যে এখন নখদন্তহীন একটি পোষা বিড়াল মাত্র, তার এক বড় কারণ এই সংস্থাটিকে এড়িয়ে বিশ্বের দেশগুলো যে যার মতো ছোট ছোট জোট গঠন করে নিয়েছে।

 বিশ্বের তিন মোড়ল–যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া–তাদের নেতৃত্বে নানা জোট গড়ে তুলেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলো, যারা এখন আর বড় রাষ্ট্রগুলোর প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখতে পারছে না, তারাও নিজেদের স্বার্থ রক্ষা হয় এমন পাল্টা জোটব্যবস্থা গড়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল, অর্থাৎ সব রকমের আন্তর্জাতিক প্রশ্নে সমন্বিত কার্যক্রম–তা অনুসরণের বদলে এখন বড় বড় দেশ যে যার মতো নিজেদের প্রভাবাধীন জোট গড়ে সেখানেই বিচারসভা বসাচ্ছে। জি-৭, জি-২০ বা ব্রিকস–এসবই এক অর্থে ছোট ছোট জাতিসংঘ।

জাতিসংঘ যে ক্রমেই তার কার্যকারিতা ও প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে, তার এক বড় কারণ এই নিরাপত্তা পরিষদের দিকে তাকান। অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই পরিষদের ভূমিকা সবচেয়ে বড়। যে পাঁচটি দেশ সেই ১৯৪৫ থেকে নিরাপত্তা পরিষদে অধিকার নিয়ে বসে আছে, তার তিনটিই ইউরোপের। পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে বা বদলাতে ব্যর্থ সংস্থা বিশ্বের পরিবর্তিত ফ্রান্স বা যুক্তরাজ্য একসময় বিশ্বশক্তি ছিল, এখন তারা নিজেদের অতীতের ভা তাহলে কী হবে? বাস্তবতা মেনে সরে দাঁড়াতে বললে তারা কখনোই রাজি হবে না। আফ্রিকা মহাদেশ বা আরব দেশগুলো থেকে এই পরিষদে কোনো স্থায়ী সদস্য নেই। তৃতীয় বিশ্ব থেকে চীন আছে বটে, কিন্তু জনসংখ্যার দিক দিয়ে বৃহত্তম ভারত তেমন সুযোগ থেকে বঞ্চিত। লাতিন আমেরিকার কোনো দেশেরও সেখানে পা রাখার স্থায়ী কোনো জায়গা নেই। অন্য কথায়, গত সাত দশকে বিশ্ব বদলেছে, কিন্তু বিশ্ব সংস্থা বদলায়নি। সবাই এ কথা মানেন, জাতিসংঘকে ঢেলে সাজাতে হবে, কিন্তু ঢেলে সাজাতে হলে সবার আগে প্রয়োজন নিরাপত্ত পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের সম্মতি। সেই সম্মতিও আসবে না, অচলাবস্থারও নিরসন। না।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩। সূত্র: বিবিসি বাংলা

←Previous
Next→

Recent post

  • Hello world!
    January 21, 2026
  • ৪৬ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
    January 16, 2026
  • How_to_Learn_Vocabulary
    January 16, 2026
  • 103. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রিতে (পাস কোর্সে) পড়ে বিসিএস ক্যাডার
    January 16, 2026
  • চাকুরি_প্রস্তুতি_প্রিলিমিনারি।
    January 16, 2026
  • প্রশাসন ক্যাডার, ৪৪তম বিসিএস
    January 16, 2026

Tags

BCS Exam BCS Model Test BCS Preliminary BCS Preparation BCS Questions BCS Study Materials BCS Syllabus BCS Viva Preparation BCS Written Exam

Categories

  • bangla blogs
  • bangladesh
  • banking and finance
  • bcs questions
  • Blog
  • economy
  • english blogs
  • environment
  • international
  • technology
  • translations
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • পরিবেশ
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স